Site icon My Classroom

বিদ্যালয়ের পাঠাগার জরিপ করে প্রধান শিক্ষক বরাবর প্রতিবেদন।

বিদ্যালয়ের পাঠাগার জরিপ করে প্রধান শিক্ষক বরাবর প্রতিবেদন।

প্রতিবেদন

অথবা, মনে কর, তুমি রাতুল। খুলনা স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র। তোমাদের বিদ্যালয়ের পাঠাগার জরিপ করে প্রধান শিক্ষক বরাবর একটি প্রতিবেদন তৈরি কর।
অথবা, মনে কর, তুমি ফরহাদ, বগুড়া জিলা স্কুলের দশম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। তোমার স্কুল লাইব্রেরি সম্পর্কে বিবরণ দিয়ে প্রধান শিক্ষক বরাবর একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন কর।

পাঠাগার জরিপ প্রতিবেদন

পাবনা জিলা স্কুল
পাবনা, বাংলাদেশ
২০ জুন ২০২৪

প্রধান শিক্ষক
পাবনা জিলা স্কুল
পাবনা, বাংলাদেশ

বিষয়: লাইব্রেরি জরিপ বিষয়ক প্রতিবেদন প্রসঙ্গে

জনাব,

বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী আপনার ১৮/০৬/২০২৪ তারিখের নং-০০৪/ পা, জি. স্কু স্মারক পত্রের আদেশের প্রেক্ষিতে ‘বিদ্যালয়ে লাইব্রেরি জরিপ’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছি। আপনার সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় কার্যার্থে প্রতিবেদনটি পেশ করছি।

বিদ্যালয় গ্রন্থাগার সংস্কার জরুরি

পাবনা জিলা স্কুল গ্রন্থাগারটি ১৯৯০ সালে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময়ই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু প্রয়োজনীয় বইপত্র কয়েকটি না থাকায় এর আশানুরূপ উন্নতি সাধিত হয়নি। শিক্ষার্থীর সংখ্যা এবং বইয়ের প্রয়োজনীয়তা বাড়লেও বইয়ের সংখ্যা বাড়েনি; বরং কমেছে। তা ছাড়া বিদ্যালয়ের আর্থিক দীনতার কারণে গ্রন্থাগারের জন্য ব্যয়বরাদ্দ কখনো যথেষ্ট ছিল না।

১. কিছু অসৎ কর্মচারীর কারসাজিতে গুরুত্বপূর্ণ বইসমূহ গ্রন্থাগার থেকে প্রচুর পরিমাণে চুরি হয়েছে।
২. গ্রন্থাগার গঠনকালে কোনো প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গ্রন্থাগারিক না থাকায় সুষ্ঠুভাবে তা গড়ে ওঠেনি।
৩. বইয়ের তালিকা তৈরিতে কোনো বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি অনুসৃত হয়নি। দশমিক পদ্ধতি সম্পর্কে গ্রন্থাগারিক অনভিজ্ঞ হওয়ায় আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়নি।
৪. পুস্তকের রক্ষণাবেক্ষণে তেমন কোনো সচেতনতা নেই। বিদ্যালয় লাইব্রেরিতে ক্যাটালগ নেই, বই ইস্যু এবং ফেরত নেওয়ার ব্যাপারেও অব্যবস্থাপনা বিদ্যমান।

এসব অবস্থা থেকে এটাই প্রতীয়মান হয় যে গ্রন্থাগারটি বিদ্যালয়ের জন্য তেমন কোনো উপকারে আসেনি। এ অবস্থায় নিম্নোক্ত সুপারিশসমূহ পেশ করছি, যার বাস্তবায়নে গ্রন্থাগারটি যথার্থ উপকারে আসতে পারে:

এ প্রতিবেদন তৈরিতে যেসব শিক্ষক ও ছাত্র সহায়তা করেছেন, তাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

প্রতিবেদক
রমেশ
দশম শ্রেণি
পাবনা জিলা স্কুল

প্রতিবেদন প্রস্তুতি সময়: ১৯ জুন ২০২৪

Exit mobile version