[{"Value":"","Discard":false,"Expires":9999999999}] বাংলা ব্যাকরণ Archives - My Classroom https://myclassroombd.com/category/বাংলা-ব্যাকরণ/ Educational Website Tue, 20 Jan 2026 03:25:49 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.8 https://myclassroombd.com/wp-content/uploads/2023/04/cropped-Favicon-32x32.webp বাংলা ব্যাকরণ Archives - My Classroom https://myclassroombd.com/category/বাংলা-ব্যাকরণ/ 32 32 253433096 বাংলা ভাষা ও সাহিত্য গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স। Job Preparation https://myclassroombd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af/ https://myclassroombd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af/#respond Tue, 20 Jan 2026 03:25:48 +0000 https://myclassroombd.com/?p=7213 প্রশ্ন: চলিত রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়া যেমন হয়—ক) দীর্ঘখ) সংক্ষিপ্তগ) জটিলঘ) ভিন্ন সঠিক উত্তর: খ) সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন: সাধু ও চলিত রীতির শব্দ একই বাক্যে ব্যবহার করলে তাকে বলে—ক) গুরুচণ্ডালীখ) সন্ধিগ) সমাসঘ) মিশ্রণ সঠিক উত্তর: ক) গুরুচণ্ডালী প্রশ্ন: বাক্যের কোনো অংশ বাদ দিতে ব্যবহৃত হয়—ক) কমাখ) হাইফেনগ) ত্রিবিন্দুঘ) সেমিকোলন সঠিক উত্তর: গ) ত্রিবিন্দু প্রশ্ন: দুই শব্দের …

The post বাংলা ভাষা ও সাহিত্য গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স। Job Preparation appeared first on My Classroom.

]]>
প্রশ্ন: চলিত রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়া যেমন হয়—
ক) দীর্ঘ
খ) সংক্ষিপ্ত
গ) জটিল
ঘ) ভিন্ন

সঠিক উত্তর: খ) সংক্ষিপ্ত


প্রশ্ন: সাধু ও চলিত রীতির শব্দ একই বাক্যে ব্যবহার করলে তাকে বলে—
ক) গুরুচণ্ডালী
খ) সন্ধি
গ) সমাস
ঘ) মিশ্রণ

সঠিক উত্তর: ক) গুরুচণ্ডালী


প্রশ্ন: বাক্যের কোনো অংশ বাদ দিতে ব্যবহৃত হয়—
ক) কমা
খ) হাইফেন
গ) ত্রিবিন্দু
ঘ) সেমিকোলন

সঠিক উত্তর: গ) ত্রিবিন্দু


প্রশ্ন: দুই শব্দের সংযোগ দেখাতে বসে—
ক) দাড়ি
খ) হাইফেন
গ) কোলন
ঘ) ড্যাশ

সঠিক উত্তর: খ) হাইফেন


প্রশ্ন: ‘আমি’ শব্দটি—
ক) পুংলিঙ্গ
খ) স্ত্রীলিঙ্গ
গ) উভয় লিঙ্গ
ঘ) নির্লিঙ্গ

সঠিক উত্তর: গ) উভয় লিঙ্গ


প্রশ্ন: ‘অনাথ’-এর স্ত্রীলিঙ্গ—
ক) অনাথী
খ) অনাথিনী
গ) অনাথীকা
ঘ) অনাথিকা

সঠিক উত্তর: খ) অনাথিনী


প্রশ্ন: দুটি সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে বলে—
ক) সঙ্কোচন
খ) দ্বিত্ব
গ) বিষমীভবন
ঘ) বিকার

সঠিক উত্তর: গ) বিষমীভবন


প্রশ্ন: ‘কাচের তৈরি বাড়ি’-কে এককথায় বলে—
ক) কাচমহল
খ) শিশমহল
গ) স্ফটিকমহল
ঘ) কাচঘর

সঠিক উত্তর: খ) শিশমহল

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য থেকে প্রশ্নোত্তর


প্রশ্ন: দেখা যায়নি যা—
ক) অদৃশ্য
খ) অদৃষ্ট
গ) অচিন্ত্য
ঘ) অজ্ঞাত

সঠিক উত্তর: খ) অদৃষ্ট


প্রশ্ন: ‘বিশ্বজনের হিতকর’ এককথায়—
ক) বিশ্বপ্রসিদ্ধ
খ) বিশ্বজনীন
গ) বিশ্বসুন্দর
ঘ) বিশ্ববিখ্যাত

সঠিক উত্তর: খ) বিশ্বজনীন


প্রশ্ন: ‘অনাবিল’ শব্দের বিপরীত শব্দ—
ক) আবিল
খ) অশুদ্ধ
গ) অশান্ত
ঘ) অপরিষ্কার

সঠিক উত্তর: ক) আবিল


প্রশ্ন: ‘শীকর’ শব্দের অর্থ—
ক) অশ্রু
খ) শিশির/জলকণা
গ) বৃষ্টি
ঘ) অশ্রুবিন্দু

সঠিক উত্তর: খ) জলকণা


প্রশ্ন: ‘কুন্তল’ শব্দের সমার্থক শব্দ—
ক) কেশ
খ) মস্তক
গ) ললাট
ঘ) নখ

সঠিক উত্তর: ক) কেশ


প্রশ্ন: ‘সতীশ’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ—
ক) সত + ঈশ
খ) সতী + ঈশ
গ) স + তীশ
ঘ) স+ত+ঈশ

সঠিক উত্তর: খ) সতী + ঈশ


প্রশ্ন: ‘মাতা’ শব্দের প্রকৃতি-প্রত্যয়—
ক) √মা + তৃচ্
খ) √মা + ক্ত
গ) √মা + শানচ
ঘ) √মা + অন

সঠিক উত্তর: ক) √মা + তৃচ্


প্রশ্ন: ‘বর্ধমান’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয়—
ক) √বৃধু + তৃচ্
খ) √বৃধু + অন
গ) √বৃধু + শানচ/মান
ঘ) √বৃধু + ই

সঠিক উত্তর: গ) √বৃধু + শানচ/মান

গুরুত্বপূর্ন সাধারন জ্ঞান


প্রশ্ন: ‘আমড়াগাছি করা’ যার পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়—
ক) অহেতুক ঝগড়া
খ) অযথা তোষামোদ
গ) অহেতুক হাসাহাসি
ঘ) অবহেলা

সঠিক উত্তর: খ) অযথা তোষামোদ


প্রশ্ন: ‘আট কপালে’ বাগ্ধারাটির অর্থ—
ক) সৌভাগ্যবান
খ) ধনী
গ) হতভাগ্য
ঘ) অলস

সঠিক উত্তর: গ) হতভাগ্য


প্রশ্ন: ‘সর্বনাশ’ অর্থে যে বাগ্ধারাটি যথোপযুক্ত—
ক) ভরাডুবি
খ) মুখের কালিমা
গ) সর্বস্বান্ত
ঘ) মরণযন্ত্রণা

সঠিক উত্তর: ক) ভরাডুবি


প্রশ্ন: “আমি কি ডরাই সখি ভিখারী রাঘবে?”— বাক্যে ‘রাঘবে’ শব্দটি কোন বিভক্তি—
ক) সম্বোধনে সপ্তমী
খ) অপাদানে সপ্তমী
গ) অধিকরণে সপ্তমী
ঘ) কর্মে সপ্তমী

সঠিক উত্তর: খ) অপাদানে সপ্তমী


প্রশ্ন: ‘ট্রেন ঢাকা ছাড়ল’— এখানে ‘ঢাকা’ যে কারকে শূন্য বিভক্তি—
ক) অধিকরণে
খ) অপাদানে
গ) কর্মে
ঘ) সম্বন্ধে

সঠিক উত্তর: খ) অপাদানে

প্রশ্ন: ‘কর পল্লবের ন্যায়’— ব্যাসবাক্যটি যে সমাস—
ক) দ্বন্দ্ব
খ) বহুব্রীহি
গ) উপমিত কর্মধারয়
ঘ) তৎপুরুষ

সঠিক উত্তর: গ) উপমিত কর্মধারয়


প্রশ্ন: ‘জন্মান্ধ’ যে সমাস—
ক) বহুব্রীহি
খ) দ্বিগু
গ) তৎপুরুষ
ঘ) কর্মধারয়

সঠিক উত্তর: গ) তৎপুরুষ


প্রশ্ন: ‘আমি আছি, ভয় কেন মা করো?’— যে ধরনের উক্তি—
ক) পরোক্ষ উক্তি
খ) প্রত্যক্ষ উক্তি
গ) প্রশ্নবোধক উক্তি
ঘ) বিস্ময়সূচক উক্তি

সঠিক উত্তর: খ) প্রত্যক্ষ উক্তি

সাম্প্রতিক সাধারন জ্ঞান


প্রশ্ন: “বাঁশি বাজে ঐ মধুর লগনে”— এটি যে বাচ্যের উদাহরণ—
ক) কর্তৃবাচ্য
খ) কর্মবাচ্য
গ) কর্ম-কর্তৃবাচ্য
ঘ) মধ্যবাচ্য

সঠিক উত্তর: গ) কর্ম-কর্তৃবাচ্য


প্রশ্ন: ‘মাথা দেওয়া’ বলতে যা বোঝায়—
ক) আত্মসমর্পণ
খ) দায়িত্ব গ্রহণ
গ) মৃত্যু বরণ
ঘ) সন্মান প্রদর্শন

সঠিক উত্তর: খ) দায়িত্ব গ্রহণ


প্রশ্ন: ‘তার বয়স হলেও বুদ্ধি হয়নি’— যে বাক্য—
ক) জটিল বাক্য
খ) যৌগিক বাক্য
গ) সরল বাক্য
ঘ) মিশ্র বাক্য

সঠিক উত্তর: গ) সরল বাক্য


প্রশ্ন: প্রশ্ন জিজ্ঞাসায় যে ভাব হয়—
ক) সম্ভাবক ভাব
খ) আদেশাত্মক ভাব
গ) নির্দেশক ভাব
ঘ) অনুজ্ঞাবাচক ভাব

সঠিক উত্তর: গ) নির্দেশক ভাব


প্রশ্ন: ‘Memorandum’-এর পরিভাষা—
ক) পরিপত্র
খ) স্মারকলিপি
গ) সনদ
ঘ) দলিল

সঠিক উত্তর: খ) স্মারকলিপি


প্রশ্ন: “Look before you leap.” এর সঠিক অনুবাদ—
ক) আগ বাড়িয়ে কাজ করো না
খ) ভাবিয়া করিও কাজ
গ) বিপদে সাহস হারিও না
ঘ) আগে চেষ্টা করো, পরে ভেবো

সঠিক উত্তর: খ) ভাবিয়া করিও কাজ

মাই ক্লাসরুম আপডেট

প্রশ্ন: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম নিদর্শন—
ক) গীতিকা
খ) চর্যাপদ
গ) সেকালেকার গান
ঘ) বৈষ্ণব পদাবলী

সঠিক উত্তর: খ) চর্যাপদ


প্রশ্ন: বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস বইয়ের নাম—
ক) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য
খ) বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
গ) সাহিত্য প্রসঙ্গ
ঘ) সাহিত্য পরিচয়

সঠিক উত্তর: খ) বঙ্গভাষা ও সাহিত্য


প্রশ্ন: মধ্যযুগের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য মুসলমান কবি—
ক) আলাওল
খ) দৌলত কাজী
গ) সৈয়দ সুলতান
ঘ) আবদুল হাকিম

সঠিক উত্তর: ক) আলাওল


প্রশ্ন: কৃষিসংক্রান্ত জ্ঞানে সমৃদ্ধ—
ক) খনার বচন
খ) চর্যাপদ
গ) গীতিকা
ঘ) মঙ্গলকাব্য

সঠিক উত্তর: ক) খনার বচন


প্রশ্ন: “এ দেশের লোক যারা, সকলেই তো গেছে মারা, আছে শুধু কতগুলি শৃগাল শকুনি।” — লেখা কার?
ক) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
খ) কায়কোবাদ
গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ঘ) কাজী নজরুল ইসলাম

সঠিক উত্তর: খ) কায়কোবাদ


প্রশ্ন: ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ উপন্যাসের লেখক—
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
গ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ঘ) মীর মশাররফ হোসেন

সঠিক উত্তর: খ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়


প্রশ্ন: বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস—
ক) আনন্দমঠ
খ) দুর্গেশনন্দিনী
গ) কপালকুণ্ডলা
ঘ) বিষবৃক্ষ

সঠিক উত্তর: খ) দুর্গেশনন্দিনী


প্রশ্ন: ‘পল্লীসমাজ’ উপন্যাসের লেখক—
ক) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
খ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ঘ) সেলিনা হোসেন

সঠিক উত্তর: ক) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

বাংলা গুরুত্বপূর্ন প্রশ্নোত্তর


প্রশ্ন: ‘ইন্দির ঠাকরুন’ বাংলা যে উপন্যাসের চরিত্র—
ক) গৃহদাহ
খ) পথের পাঁচালী
গ) গোরাচাঁদ
ঘ) দুর্গেশনন্দিনী

সঠিক উত্তর: খ) পথের পাঁচালী


প্রশ্ন: ‘সাম্যবাদী’ কাব্যগ্রন্থের লেখক—
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
গ) কাজী নজরুল ইসলাম
ঘ) জীবনানন্দ দাশ

সঠিক উত্তর: গ) কাজী নজরুল ইসলাম


প্রশ্ন: ‘পোস্টমাস্টার’ ছোটগল্পের রচয়িতা—
ক) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
খ) কাজী নজরুল ইসলাম
গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ঘ) মীর মশাররফ হোসেন

সঠিক উত্তর: গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


প্রশ্ন: ‘রাশিয়ার চিঠি’ ভ্রমণকাহিনিটি যার লেখা—
ক) বেগম রোকেয়া
খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গ) কাজী নজরুল ইসলাম
ঘ) আবুল ফজল

সঠিক উত্তর: খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


প্রশ্ন: বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক—
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
গ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ঘ) জীবনানন্দ দাশ

সঠিক উত্তর: খ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত


প্রশ্ন: ‘ক্রীতদাসের হাসি’ উপন্যাস যার লেখা—
ক) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
খ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
গ) শওকত ওসমান
ঘ) আবদুল্লাহ আল-মামুন

সঠিক উত্তর: গ) শওকত ওসমান


প্রশ্ন: ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা—
ক) জীবনানন্দ দাশ
খ) কাজী নজরুল ইসলাম
গ) শামসুর রাহমান
ঘ) সেলিম আল দীন

সঠিক উত্তর: ক) জীবনানন্দ দাশ

প্রশ্ন: “আমার কেবল ইচ্ছে জাগে নদীর কাছে থাকতে, বকুল ডালে লুকিয়ে থেকে পাখির মত ডাকতে।” পঙ্ক্তিটির রচয়িতা কে?
ক) জীবনানন্দ দাশ
খ) আল মাহমুদ
গ) সেলিম আল দীন
ঘ) শামসুর রাহমান
সঠিক উত্তর: খ) আল মাহমুদ


প্রশ্ন: ‘কবিকঙ্কণ’ উপাধিটি কার?
ক) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
খ) আলাওল
গ) চণ্ডীদাস
ঘ) জয়দেব
সঠিক উত্তর: ক) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী


প্রশ্ন: ‘শবনম’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
ক) সেলিনা হোসেন
খ) সৈয়দ মুজতবা আলী
গ) হুমায়ূন আহমেদ
ঘ) শওকত ওসমান
সঠিক উত্তর: খ) সৈয়দ মুজতবা আলী


প্রশ্ন: ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন—
ক) প্রমথ চৌধুরী
খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গ) সেলিম আল দীন
ঘ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর: ক) প্রমথ চৌধুরী


প্রশ্ন: ‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাসের পটভূমি কী?
ক) মুক্তিযুদ্ধ
খ) ভাষা আন্দোলন
গ) নকশাল আন্দোলন
ঘ) কৃষক বিদ্রোহ
সঠিক উত্তর: খ) ভাষা আন্দোলন


প্রশ্ন: ‘নেকড়ে অরণ্য’ উপন্যাসের পটভূমি কোনটি?
ক) মুক্তিযুদ্ধ
খ) ভাষা আন্দোলন
গ) তেভাগা আন্দোলন
ঘ) বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন
সঠিক উত্তর: ক) মুক্তিযুদ্ধ


প্রশ্ন: ‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
ক) সেলিনা হোসেন
খ) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
গ) সেলিম আল দীন
ঘ) জহির রায়হান
সঠিক উত্তর: খ) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

সাম্প্রতিক সাধারন জ্ঞান


প্রশ্ন: জীবনানন্দ দাশের ‘রূপসী বাংলা’ কী ধরনের গ্রন্থ?
ক) উপন্যাস
খ) প্রবন্ধগ্রন্থ
গ) কাব্যগ্রন্থ
ঘ) নাটক
সঠিক উত্তর: গ) কাব্যগ্রন্থ


প্রশ্ন: “মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার— চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ, তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান।” এর রচয়িতা কে?
ক) আল মাহমুদ
খ) সেলিম আল দীন
গ) জীবনানন্দ দাশ
ঘ) কাজী নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর: গ) জীবনানন্দ দাশ

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশের সব ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। বাংলা ভাষার ইতিহাস, সাহিত্য আন্দোলন, প্রাচীন ও আধুনিক সাহিত্য, খ্যাতনামা কবি-লেখক, ভাষা আন্দোলন, একুশে ফেব্রুয়ারি, বাংলা একাডেমি এবং জাতীয় সাহিত্যিকদের অবদান—এসব বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা থাকলে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য সাধারণ জ্ঞান অংশে ভালো নম্বর অর্জন করা সম্ভব। বিশেষ করে বিসিএস, শিক্ষক নিবন্ধন, ব্যাংক জব, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ও অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় বাংলা সাহিত্য সাধারণ জ্ঞান, বাংলা সাহিত্য MCQ এবং বাংলা ভাষা সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নোত্তর থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। তাই সঠিক গাইডলাইন ও হালনাগাদ তথ্যভিত্তিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।

The post বাংলা ভাষা ও সাহিত্য গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স। Job Preparation appeared first on My Classroom.

]]>
https://myclassroombd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af/feed/ 0 7213
বাগধারা। বাংলা ব্যাকরণের গুরুত্বপূর্ন বাগধারার তালিকা। Bagdhara https://myclassroombd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%a3/ https://myclassroombd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%a3/#respond Wed, 27 Nov 2024 15:07:26 +0000 https://myclassroombd.com/?p=2061 বাগ্‌ধারা এমন একটি ভাষিক উপাদান, যা বাক্যের আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। এ ধরনের শব্দগুচ্ছ বা বাক্যাংশগুলো ভাষায় প্রাণ সঞ্চারিত করে এবং বাক্যকে আরও বৈচিত্র্যময় ও অর্থপূর্ণ করে তোলে। তবে, বাগ্‌ধারার ব্যবহার সচেতনভাবে করতে হয়, কারণ এগুলো আক্ষরিক অর্থ ধারণ করে না, তাই একে ঠিক কীভাবে ব্যবহার করা উচিত তা ভাষা-ব্যবহারকারীর জানা …

The post বাগধারা। বাংলা ব্যাকরণের গুরুত্বপূর্ন বাগধারার তালিকা। Bagdhara appeared first on My Classroom.

]]>
বাগ্‌ধারা এমন একটি ভাষিক উপাদান, যা বাক্যের আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। এ ধরনের শব্দগুচ্ছ বা বাক্যাংশগুলো ভাষায় প্রাণ সঞ্চারিত করে এবং বাক্যকে আরও বৈচিত্র্যময় ও অর্থপূর্ণ করে তোলে। তবে, বাগ্‌ধারার ব্যবহার সচেতনভাবে করতে হয়, কারণ এগুলো আক্ষরিক অর্থ ধারণ করে না, তাই একে ঠিক কীভাবে ব্যবহার করা উচিত তা ভাষা-ব্যবহারকারীর জানা প্রয়োজন। বাগ্‌ধারা এক ধরনের ভাষিক স্মারক, যা অতীত কালের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঘটনারও পরিচায়ক।

বাগধারা কি?

ইংরেজি ভাষায় Idiom শব্দটি যেমন বাগ্‌ধারার সমার্থক, তেমনি বাংলাতেও এর বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ রয়েছে। বাগ্‌ধারা এমনভাবে বাক্যে ব্যবহৃত হয় যে, তার শাব্দিক অর্থ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি ভাবার্থ প্রকাশিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, ‘কলুর বলদ’ এর শাব্দিক অর্থ হল তৈল ব্যবসায়ী জাতির ষাঁড় বা দামড়া, কিন্তু এটি সাধারণত ‘পরাধীন’ বা ‘মূর্খ’ অর্থে ব্যবহৃত হয়। এরকম আরো উদাহরণ রয়েছে, যেমন ইংরেজি বাগ্‌ধারা “to kick the bucket,” যার অর্থ ‘মরে যাওয়া’, যদিও এখানে ‘kick’ এবং ‘bucket’ শব্দ দুটি মৃত্যু বা মৃত্যুর সাথে সম্পর্কিত নয়। একইভাবে, বাংলায় ‘পটল তোলা’ একটি বাগ্‌ধারা, যার মানে ‘বাতচিত বা কথা বলা’ নয়, বরং ‘কিছু না পাওয়া’ বা ‘অর্থহীন কথা বলা’।

বাংলা ব্যকরণ বাগধারা

বাগ্‌ধারা বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং কথা বলার সার্থকতা প্রমাণ করে। এটি মনের ভাব সুন্দরভাবে এবং আকর্ষণীয়ভাবে প্রকাশ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। বাগ্‌ধারার শব্দগুচ্ছের গঠন একেবারে নির্দিষ্ট, তাই তা ইচ্ছেমতো পরিবর্তন করা যায় না। যেমন, ‘অনুরোধে ঢেঁকি গেলা’ বাক্যাংশটি ‘ঢেঁকি গেলা অনুরোধে’ বললে তা স্বাভাবিক শোনায় না। তাই, বাগ্‌ধারার প্রচলিত রূপ অবিকৃত রেখে ব্যবহার করতে হয়।

গুরুত্বপূর্ন বাগধারার তালিকা

অক্কা পাওয়া (মারা যাওয়া):
খারাপ লোকটা আরো আগেই অক্কা পেতে পারত।

অক্ষরে অক্ষরে (যথাযথ):
দেশের প্রতি আমাদের দায়িত্ব আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে চাই।

অদৃষ্টের পরিহাস (ভাগ্যের খেলা):
যানজট অদৃষ্টের পরিহাস নয়, মানুষেরই তৈরি।

অনধিকার চর্চা (অপরের বিষয়ে হস্তক্ষেপ):
অনধিকার চর্চা তার রোগ, সব কিছুতেই কথা বলা চাই।

অন্ধকার দেখা (দিশেহারা হয়ে পড়া):
কাজের চাপে চারদিকে অন্ধকার দেখছি।

অন্ধের যষ্টি (একমাত্র অবলম্বন):
ছেলেটাই ছিল বিধবার অন্যের যষ্টি।

অমাবস্যার চাঁদ (দুর্লভ বস্তু):
তোমার দেখাই পাই না আজকাল, একেবারে অমাবস্যার চাঁদ হয়ে গেলে।

অরণ্যে রোদন (নিষ্ফল অনুনয়):
কৃপণ লোকের কাছে কিছু চাওয়া আর অরণ্যে রোদন করা একই কথা।

অর্ধচন্দ্র (ঘাড় ধাক্কা দেয়া):
চাইলাম চাঁদা, পেলাম অর্ধচন্দ্র!

আঁতে ঘা (খুব কষ্ট):
তোমার প্রতিবেদনে ওইসব লোকের আঁতে ঘা লেগেছে।

আকাশ কুসুম (অসম্ভব কল্পনা):
অল্প বিনিয়োগে বেশি লাভের আশা! আকাশ কুসুম চিন্তা ছাড়া কিছু নয়।

আগুন নিয়ে খেলা (বিপজ্জনক ঘটনার আশঙ্কা তৈরি করা):
তুমি আমার সাথে আগুন নিয়ে খেলতে এসো না।

আঙুল ফুলে কলাগাছ (হঠাৎ বড়োলোক হওয়া):
আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে তো, তাই কথাবার্তার ধরন বদলে গেছে।

আঠারো মাসে বছর (দীর্ঘসূত্রিতা):
সাত দিনের মধ্যে ও করবে এই কাজ! ওর তো আঠারো মাসে বছর।

বাগধারা বাক্য রচনা

আদা-জল খেয়ে লাগা (প্রাণপণ চেষ্টা করা):
এতদিন কাজটা ফেলে রেখেছিলে, এবার আদা-জল খেয়ে লেগে দেখো শেষ করতে পারো কিনা।

আমড়া কাঠের ঢেঁকি (অপদার্থ):
তার মতো আমড়া কাঠের ঢেঁকি লাখে একটা মেলে।

আষাঢ়ে গল্প (আজগুবি গল্প):
বর্ষাকালে আষাঢ়ে গল্প না হলে কি আসর জমে?

ইঁচড়ে পাকা (অকালপক্ব):
ইঁচড়ে পাকা ছেলেমেয়েদের দিয়ে এমন কাজ করানো কঠিন।

ইতর বিশেষ (পার্থক্য):
দুজনের কাজের মাঝে অনেক ইতর বিশেষ আছে।

উড়নচণ্ডী (বেহিসেবি):
যেমন উড়নচণ্ডী মেয়ে তেমন উড়নচণ্ডী জামাই।

উড়ে এসে জুড়ে বসা (অপ্রত্যাশিতভাবে জায়গা দখল করা):
উড়ে এসে জুড়ে বসা লোকের মুখে অনধিকার চর্চার উপদেশ মানায় না।

উড়োকথা (গুজব):
উড়োকথায় কান দিয়ো না।

উড়োচিঠি (বেনামি চিঠি):
এমন উড়োচিঠির উপর ভিত্তি করে তদন্ত করা ঠিক হবে না।

উত্তম-মধ্যম (বেদম প্রহার):
সব চোখের কপালেই উত্তম-মধ্যম লেখা থাকে, তা থেকে রেহাই নেই।

উনিশ-বিশ (সামান্য পার্থক্য):
বইটির প্রথম সংস্করণ আর দ্বিতীয় সংস্করণে পার্থক্য উনিশ-বিশ।

এককথার মানুষ (দৃঢ়সংকল্প ব্যক্তি):
আমি এককথার মানুষ; বলেছি যখন, করেই দেখাব।

গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা

এক ঢিলে দুই পাখি (এক প্রচেষ্টায় দুই ফল):
বুঝেছি, তুমি এক ঢিলে দুই পাখি মারতে চাও।

এলাহি কাণ্ড (বিরাট আয়োজন):
এমন এলাহি কাণ্ড করে বসেছে। অথচ কিনা সামান্য জন্মদিনের অনুষ্ঠান।

এসপার ওসপার (চূড়ান্ত মীমাংসা):
আজ ওর সঙ্গে এসপার ওসপার করে তবেই ঘরে ফিরব।

ওজন বুঝে চলা (আত্মসম্মান রক্ষা করা):
নিজের ওজন বুঝে চললে এরকম সম্মানহানি হতো না।

কচুকাটা করা (ধ্বংস করা):
ওর সাথে লাগতে যেও না, কচুকাটা করে ছাড়বে।

কড়ায় গণ্ডায় (চুলচেরা হিসাব):
হিসাবের খাতায় সব লিখে রেখেছি, সময়মতো কড়ায় গণ্ডায় আদায় করা যাবে।

কথার কথা (গুরুত্বহীন কথা):
এটা একেবারেই কথার কথা, মানতেই হবে এমন নয়।

কপাল ফেরা (সৌভাগ্য লাভ):
বহু কাল দুঃখে কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত তার কপাল ফিরল।

কলমের এক খোঁচা (লিখিত আদেশ):
কলমের এক খোঁচায় দুর্বৃত্তদের চাকরি চলে গেল।

কলুর বলদ (একটানা খাটুনি):
মা সারাজীবন সংসারে কলুর বলদের মতো খেটেই গেলেন।

কাঁচা পয়সা (নগদ উপার্জন):
উঠতি ধনীদের কাঁচা পয়সার গরমে বাজারে সব কিছুর দাম বাড়ছে।

কাগজে কলমে (লিখিতভাবে):
কাগজে-কলমে সব প্রমাণ রয়েছে।

কাছাটিলা (অসাবধান):
এমন কাছাটিলা লোক দিয়ে দারোয়ানের কাজ হবে না।

কাঠাখোট্টা (নীরস ও অনমনীয়):
এমন কাঠখোট্টা লোককে দিয়ে রাজনীতি হয় না।

কানকাটা (নির্লজ্জ):
তার মতো কানকাটা লোক এমন মিষ্টি গালিতে অপমান বোধ করে না।

বাগধারা উদাহরণ

কান খাড়া করা (ওত পেতে থাকা):
সাবধানে কথা বলো, আশেপাশে কেউ হয়তো কান খাড়া করে আছে।

কান ভাঙানো (কুপরামর্শ):
ও নিশ্চয় আমার নামে কান ভাঙিয়েছে। আর তুমিও তা বিশ্বাস করে বসে আছ।

কিস্তিমাত করা (সফলতা লাভ):
সবচেয়ে বড়ো পুরস্কারটা পেয়ে সে একেবারে কিস্তিমাত করেছে।

কুয়োর ব্যাঙ (সংকীর্ণমনা লোক):
ও রকম কুয়োর ব্যাঙ দিয়ে নতুন কিছু করা যাবে না।

কৈ মাছের প্রাণ (যা সহজে মরে না):
শত প্রতিকূল পরিবেশেও এরা কৈ মাছের প্রাণ হয়ে বাঁচে।

কোমর বাঁধা (দৃঢ় সংকল্প):
কোমর বেঁধে কাজে নেমে পড়ো, সফলতা আসবেই।

খয়ের খাঁ (চাটুকার):
খয়ের খাঁ থেকে একটু সাবধানে থেকো।

খেজুরে আলাপ (অকাজের কথা):
কার্জের সময়ে খেজুরে আলাপ করতে ভালো লাগে না।

গড্ডলিকা প্রবাহ (অন্ধ অনুকরণ):
গড্ডলিকা প্রবাহে গা না ভাসিয়ে বুদ্ধি দিয়ে বিচার করে পথ চলতে শেখো।

গভীর জলের মাছ (খুব চালাক):
ওর মতো গভীর জলের মাছকে নাগালে আনা কঠিন।

গরম গরম (তৎক্ষণাৎ):
সাংবাদিকরা গরম গরম খবর পেলে খুব খুশি হয়।

বাগধারা অর্থসহ বাক্য রচনা pdf

গা ঢাকা দেওয়া (পলায়ন করা):
কোম্পানির টাকা আত্মসাৎ করে এখন সে গা ঢাকা দিয়েছে।

গায়ে পড়া (অযাচিত):
গায়ে পড়ে কোনো কাজ করতে যেও না বাপু।

গায়ে ফুঁ দিয়ে বেড়ানো (ফাঁকির মনোভাব):
গায়ে ফুঁ দিয়ে বেড়ানো যার স্বভাব, তাকেও দলে রাখতে হলো।

গুড়ে বালি (আশায় নৈরাশ্য):
ঝড়ের কারণে আম ব্যবসায়ীদের লাভের আশা এবার গুড়ে বালি।

গোঁফ খেজুরে (খুব অলস):
গোঁফ খেজুরে লোককে দিয়ে এসব কাজ হবে না।

গোড়ায় গলদ (শুরুতেই ভুল):
গোড়ায় গলদ করলে হিসাব মিলবে কী করে?

গোল্লায় যাওয়া (নষ্ট হওয়া):
সৎ সঙ্গে মিশলে গোল্লায় যাওয়া থেকে রক্ষা পাবে।

ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়া (মধ্যবর্তীকে অতিক্রম করে কাজ করা):
দাপ্তরিক কাজে ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খেতে যেয়ো না, বিপদে পড়বে।

ঘোড়ার ডিম (কিছুই না):
আস্ফালন কোরো না, তুমি আমার ঘোড়ার ডিম করতে পারবে।

চশমখোর (বেহায়া):
এমন চশমখোর লোকের সাথে আমি মিশি না।

চিনির বলদের মতো ঘানি টানা (ফল লাভে অংশীদার না হওয়া): সারাজীবন চিনির বলদের মতো ঘানি টানলে, বিনিময়ে কিছুই পেলে না।

চিনে জোঁক (নাছোড়বান্দা): লোকটি এ কাজ পাওয়ার জন্য একেবারে চিনে জোঁকের মতো লেগে আছে।

চুনোপুঁটি (সামান্য ব্যক্তি): সকলকে চুনোপুঁটি ভেবে অবজ্ঞা করা উচিত নয়।

চুলোয় যাওয়া (নষ্ট হওয়া): ছোট্ট একটা ভুলের জন্য এমন পরিশ্রমের কাজটা শেষ পর্যন্ত চুলোয় গেল।

চোখ পাকানো (রাগ দেখানো): আমার দিকে এমন চোখ পাকানোর কারণ কী?

চোখ বুজে থাকা (ভূমিকা না রাখা): প্রতিবেশীর বিপদে চোখ বুজে থাকতে নেই।

চোখে সরষে ফুল দেখা (বিপদে দিশেহারা হওয়া): পরীক্ষা সামনে, তাই চোখে সরষে ফুল তো দেখবেই।

ছা-পোষা (অত্যন্ত গরিব): ছা-পোষা লোক আমি, দেশ নিয়ে ভাবার সময় কোথায়?

বাগধারা তালিকা pdf

ছেলের হাতের মোয়া (সহজলভ্য): সবকিছু ছেলের হাতের মোয়া ভেবো না।

জগাখিচুড়ি (বিশৃঙ্খল): সবকিছু জগাখিচুড়ি করে রেখেছ দেখছি!

জিলাপির প্যাচ (কূটবুদ্ধি): বাইরে থেকে দেখতে সরল হলেও লোকটির অন্তরে জিলাপির প্যাচ।

ঝোপ বুঝে কোপ মারা (অবস্থা বুঝে সুযোগ গ্রহণ): তিনি ঝোপ বুঝে কোপ মেরে সফল হয়েছেন।

টইটম্বুর (ভরপুর): বৃষ্টির পানিতে পুকুরটা একেবারে টইটম্বুর হয়ে আছে।

টনক নড়া (সজাগ হওয়া): আগে কথা বললে না, এতক্ষণে তোমার টনক নড়লে?

টাকার গরম (বিত্তের অহংকার): সব সময়ে টাকার গরম দেখানো ঠিক নয়।

ঠোঁট কাটা (বেহায়া): আজকাল ঠোঁটকাটা লোকের অভাব নেই।

ডান হাতের ব্যাপার (খাওয়া): আগে ডান হাতের ব্যাপারটা সেরে নেই, পরে অন্য কথা।

ডুব মারা (পালিয়ে যাওয়া): যেই আমি বিপদে পড়লাম, অমনি তোমরা সবাই ডুব মারলে।

ডুমুরের ফুল (অদৃশ্য বস্তু): তুমি দেখি একেবারে ডুমুরের ফুল হয়ে গেছ।

তালকানা (কাণ্ডজ্ঞানহীন): এমন তালকানা লোকের সাথে চলা যায় না।

তালপাতার সেপাই (ছিপছিপে): শরীরের প্রতি যত্ন নাও, দিন দিন তুমি তো তালপাতার সেপাই হয়ে যাচ্ছ।

তাসের ঘর (স্বল্পস্থায়ী): বাবার চাকরি যাওয়ায় মায়ের সব স্বপ্ন তাসের ঘরের মতো ভেঙে গেল।

মজার বাগধারা

তিলকে তাল করা (ছোটোকে বড়ো করা): তিলকে তাল করা ওর অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।

তীর্থের কাক (সুযোগ সন্ধানী): শরণার্থীরা রিলিফের চালের জন্য তীর্থের কাকের মতো বসে আছে।

তেল মাখানো (তোশামোদ): সাহেবকে তেল মাখানোর লোকের অভাব নেই।

থতমত খাওয়া (প্রস্তুত হয়ে পড়া): ক্লাসে হঠাৎ নতুন শিক্ষক দেখে সবাই থতমত খেয়ে গেলাম।

দা-কুমড়া সম্পর্ক (শত্রুতা): বাপ-চাচাদের দা-কুমড়া সম্পর্ক এখন চাচাতো ভাইদের মধ্যে টিকে আছে।

দিবাস্বপ্ন (অলীক কল্পনা): দিবাস্বপ্ন দেখতে ভালোবাসে না এমন লোক মেলা ভার।

দুধের মাছি (সুসময়ের বন্ধু): সুযোগসন্ধানীরা সব সময়ে দুধের মাছির মতো ক্ষমতার আশপাশে ঘোরে।

ধরাকে সরা জ্ঞান (অহংকার করা): তুমি ধরাকে সরা জ্ঞান করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছ।

ননীর পুতুল (শ্রমবিমুখ): ছেলেটাকে একেবারে ননীর পুতুল বানিয়ে রেখেছে, কোনো কাজ করতে দেয় না।

নয়-ছয় (অপব্যবহার): তুমি নয়-ছয় করে টাকাগুলো শেষ কোরো না।

পটল তোলা (মারা যাওয়া): আজ বাদে কাল পটল তুলবে, অথচ তার মিথ্যাচার গেল না।

পুঁটি মাছের প্রাণ (ছোটো মন): পুঁটি মাছের প্রাণ নিয়ে নেতা হওয়া যায় না।

বইয়ের পোকা (সব সময়ে বই পড়ে এমন): পরিচিত লোকদের কাছে বইয়ের পোকা হিসেবে তার নাম আছে।

গুরুত্বপূর্ন বাগধারা তালিকা

ভরাডুবি (সর্বনাশ): ব্যাবসা তো ভালোই গুছিয়েছিলে, এমন ভরাডুবি হলো কীভাবে?
ভিজে বিড়াল (কপট ব্যক্তি): সাবধান, আমাদের চারদিকে ভিজে বিড়ালের অভাব নেই।
ভিটায় ঘুঘু চরানো (নিঃষ করা): ও হুমকি দিয়ে বলেছে, আমার ভিটায় নাকি ঘুঘু চরাবে।
ভুঁইফোঁড় (নতুন আগমন): ভূঁইফোড় সাংবাদিকদের কারণে প্রকৃত সাংবাদিকের সম্মান ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।
মগের মুল্লুক (অরাজকতা): দেশ তো আর মগের মুল্লুক হয়ে যায়নি যে, এমন দুর্নীতি করে পার পেয়ে যাবে।
মণিকাঞ্চন যোগ (উপযুক্ত মিলন): যেমন বর তেমন কনে- এ যেন মণিকাঞ্চন যোগ।
মানিক জোড় (গভীর সম্পর্ক): সহকর্মীদের এমন মানিক জোড় খুব কমই দেখা যায়।
লেফাফা দুরন্ত (বাইরে পরিপাটি): লোকটি লেফাফা দুরন্ত হলে কী হবে, আসলে মূর্খ।
সম্পমে চড়া (প্রচণ্ড উত্তেজনা): এসব দুর্নীতি দেখে তার মেজাজ সপ্তমে চড়ে গেল।
সোনার সোহাগা (উপযুক্ত মিলন): বর-কনেকে খুব সুন্দর মানিয়েছে, এ যেন সোনায় সোহাগা।
হাতটান (চুরির অভ্যাস): লোকটির হাতটানের অভ্যাস আছে, সাবধানে থেকো।
হাতেখড়ি (শিক্ষার শুরু): ওস্তাদ রবিউল ইসলামের কাছে তাঁর সংগীত চর্চার হাতেখড়ি হয়।

বাংলা ব্যাকরণের বাগধারা

অগাধ জলের মাছ (অত্যন্ত চালাক): আকিজকে দেখে সরল মনে হলেও আসলে তাকে চেনা বড়ই কঠিন, ও যেন অগাধ জলের মাছ।
অনুরোধে ঢেঁকি গেলা (পরের অনুরোধে কষ্ট স্বীকার করা): কাজটি বড়ই কঠিন, কিন্তু বন্ধুত্ব সম্পর্ক রক্ষা করতে গিয়ে মামুন অনুরোধে ঢেঁকি গিলতে বাধ্য হলো।
অগ্নিশর্মা (নিরতিশয় ক্রোধ): তার অগ্নিশর্মা রূপ দেখে আমি ভয় পেয়ে গেলাম।
অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী (সামান্য বিদ্যার অহংকার): অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী লোকেরা জীবনে উন্নতি করতে পারে না।
অন্ধের নড়ি (একমাত্র অবলম্বন): স্বামীর মৃত্যুর পর রতনই তার মায়ের অন্ধের নড়ি।
অজগরবৃত্তি (আলসেমি): তোমার অজগরবৃত্তির স্বভাবই আমাদের দুরবস্থার মূল কারণ।
অ আ ক খ (প্রাথমিক জ্ঞান): অ আ ক খ জ্ঞান না থাকা সত্ত্বেও কৃষ্ণ চাকরিটা পেলো কীভাবে?
অগস্ত্য যাত্রা (চির প্রস্থান): চিত্তরঞ্জন দাশ সূরাইকে কাঁদিয়ে অগস্ত্য যাত্রা করলেন।
আক্কেল সেলামি (নির্বুদ্ধিতার দণ্ড): ৩০ টাকা বাঁচাতে গিয়ে বিনা টিকিটে গাড়িতে চড়ে ১০০ টাকা আক্কেল সেলামি দিতে হলো।
আক্কেল গুড়ুম (হতবুদ্ধি): ইঁচড়ে পাকা ছেলেটার কথা শুনে সবার আক্কেল গুড়ুম।
আকাশ থেকে পড়া (বিস্মিত হওয়া): ছেলের চুরির কথা শুনে আকাশ থেকে পড়লে, বলি, ছেলে সাধু ছিল কবে?
আড়িপাতা (আড়াল থেকে শোনা): টেলিফোনে আড়ি পেতে আজকাল সন্ত্রাসী ধরা কঠিন কাজ নয়।
আকাশ-পাতাল (দুস্তর ব্যবধান): মিজান ও আরজু সহোদর হলেও উভয়ের মধ্যে রয়েছে আকাশ-পাতাল ব্যবধান।

১০০০ বাগধারা

আকাশ ভেঙে পড়া (মহাবিপদ): গহনা চুরির সংবাদ পেয়ে জমিরনের মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ল।
আকাশে তোলা (মাত্রারিক্ত প্রশংসা): রহিম এসএসসিতে এ+ পেয়েছে বলে গ্রামসুদ্ধ মানুষ তাকে আকাশে তুলছে।
আক্কেল দাঁত (বুদ্ধির পরিপক্বতা): সোহেল অপদার্থ ছেলে, তার এখনো আক্কেল দাঁত গজায়নি।
আখের গোছানো (স্বার্থ হাসিল করা): স্বার্থপর ব্যক্তিরা নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকে, এ যেন আখের গোছানোর শামিল।
আগুন লাগা সংসার (ভেঙে যাচ্ছে এমন সংসার): স্বামী-স্ত্রীতে খুবই দ্বন্দ্ব, এ যেন আগুন লাগা সংসার।
ইঁদুর কপালে (মন্দভাগ্য): নাফিসের মতো ইঁদুর কপালে আর দ্বিতীয়টি নেই, সাতবারেও এসএসসি পাস করতে পারেনি।
ইলশেগুঁড়ি (গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি): দুদিন ধরেই থেমে থেমে গুঁড়ি গুড়ি বৃষ্টি পড়ছে, একেই বলা হয় ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টি।
ঈদের চাঁদ (বহু আকাঙ্ক্ষিত বস্তু): প্রবাসী পুত্র দীর্ঘদিন পর দেশে ফিরে আসায় বাবা যেন ঈদের চাঁদ হাতে পেয়েছেন।
উড়ো কথা (গুজব): রহিম মিয়াকে এখানে জড়িও না— উনি উড়ো কথায় কান দেন না।
উঠতে-বসতে (যখন-তখন): আর বলো না, অফিসের নতুন বড় সাহেব একটু বদমেজাজের, উঠতে-বসতে কথা শোনান।
উঠে-পড়ে লাগা (দৃঢ় সংকল্প): পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার জন্য সীমা এবার উঠে পড়ে লেগেছে।
উভয় সংকট (দু দিকেই বিপদ): বাবার কথায় রাজি হলে মা একাকী হয়ে যাবেন আর মার কথায় রাজি হলে বাবা দেশছাড়া হবেন, আমি পড়েছি উভয় সংকটে।

উলুবনে মুক্তা ছড়ানো (অপাত্রে দান)

ভালো মানুষের কাছে ধর্মের কাহিনি না বললে যেমন ক্ষতি নেই, তেমনি অপাত্রে দান করলেও কোনো লাভ নেই। এ যেন উলুবনে মুক্তা ছড়ানো।

ঊনপাঁজুরে (মন্দভাগ্য)

ঊনপাঁজুরে লোকটি ব্যবসা করার চেষ্টায় বারবার ব্যর্থ হচ্ছে—লোকসান যেন তার পিছু ছাড়ে না।

ঊনপঞ্চাশ বায়ু (পাগলামি)

জাহিদ হোসেনের অদ্ভুত আচরণ দেখে মনে হয় তার ওপর ঊনপঞ্চাশ বায়ু ভর করেছে।

এক হাত নেওয়া (জব্দ করা)

খলিল চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ, তাই তার সঙ্গে ঝামেলা করলে সে এক হাত নিয়ে ছাড়বে।

একাই একশ (অসাধারণ কুশলী)

নয়ন এত দক্ষ যে, সে একাই একশ। তাকে এই কাজের দায়িত্ব দেয়া যেতে পারে।

একনজর (অতি অল্প সময়ের জন্য)

মেয়েকে একনজর দেখার জন্য মায়ের মন ছটফট করছে।

এক মাঘে শীত যায় না (বিপদ একবার আসে না)

সুমনের বিপদ কাটলেও সে জানে, এক মাঘে শীত যায় না। ভবিষ্যতে আরও বিপদ আসতে পারে।

এক ক্ষুরে মাথা মোড়ানো (একই প্রকৃতির লোক)

সেন্টু ও পিন্টু দুজনেই খারাপ লোক, তারা যেন একই ক্ষুরে মাথা মোড়ানো।

এক বনে দুই বাঘ (প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী)

দুই জমির মালিক নিজেদের জমি রক্ষার জন্য লড়াই করছে। এ যেন এক বনে দুই বাঘ।

ওজন বুঝে কথা বলা (সুচিন্তিতভাবে কথা বলা)

ওজন বুঝে কথা বললে ভবিষ্যতে বিপদে পড়তে হয় না।

ওঁৎ পাতা (সুযোগের সন্ধানে থাকা)

বসির জঙ্গলে শিকার ধরার আশায় ওঁৎ পেতে বসেছিল।

ওষুধে ধরা (প্রার্থিত ফল পাওয়া)

রোদেলা তার মামার পরামর্শে পড়াশোনায় মন দিয়েছে এবং দারুণ উন্নতি করেছে। একেই বলে ওষুধে ধরা।

ওষুধ পড়া (যথাযোগ্য প্রভাব পড়া)

সীমা দিদির পরামর্শ আজ অমিতের মায়ের ওপর একেবারে ওষুধের মতো কাজ করেছে।

কলির সূচনা (কষ্টের সূচনা)

মহিলার একমাত্র সন্তান মারা যাওয়ায় তার জীবনে কলির সূচনা হয়েছে।

ক-অক্ষর গোমাংস (বর্ণ পরিচয়হীন মূর্খ)

বেলাল প্রচুর ধনসম্পদের মালিক হলেও সে ক-অক্ষর গোমাংস।

কলমের খোঁচা (লিখে ক্ষতি করা)

সুদখোর মহাজন কৃষকদের প্রতারণা করে কলমের খোঁচায় সর্বস্বান্ত করে।

কলম পেষা (একঘেয়ে কেরানির কাজ)

জীবনের স্বাদ বলতে কিছুই পেলাম না, কেবল কলম পেষার কাজই করে গেলাম।

কচ্ছপের কামড় (যা সহজে মরে না)

চোরের প্রাণ কচ্ছপের কামড়ের মতো। এতবার মার খেয়েও সে টিকে আছে।

কুমিরের সান্নিপাত (অসম্ভব ব্যাপার)

কাজটি কুমিরের সান্নিপাত মনে হলেও বুদ্ধিমান জলিল তা সম্পন্ন করেছে।

কথা চালা (রটনা করা)

লোকটি মিথ্যা কথা রটিয়ে প্রতিবেশীর সংসার ভেঙে দিয়েছে।

কত ধানে কত চাল (যথার্থ হিসাব-নিকাশ)

সংসারের দায়িত্ব পেলে বুঝবে কত ধানে কত চাল।

কাঁঠালের আমসত্ত্ব (অমূলক বস্তু)

রাষ্ট্রদ্রোহীদের কল্যাণের প্রতিশ্রুতি যেন কাঁঠালের আমসত্ত্ব।

কড়ার ভিখারী (নিঃস্ব ব্যক্তি)

সিদ্দিক সাহেব একসময় জমিদার ছিলেন, এখন তিনি কড়ার ভিখারী।

কাঠের পুতুল (জড় পদার্থের মতো নিষ্ক্রিয়)

দুর্ঘটনার সময় চেয়ে চেয়ে দেখলে কী হবে? কাঠের পুতুল হয়ে বসে থাকবে?

কেউ কেটা (সামান্য)

কেউ কেটা লোকের বড় কথা শুনে আমার রাগ হলো।

কড়িকাঠ গোনা (কাজ না করে সময়ক্ষেপণ)

কাজের সময় কড়িকাঠ গুনলে নিজের ক্ষতি ছাড়া কিছুই হবে না।

কাঁচা বাঁশে ঘুণে ধরা (অল্প বয়সে নষ্ট হয়ে যাওয়া)

করিম খারাপ লোকদের সঙ্গে মিশে অল্প বয়সেই নষ্ট হয়ে গেছে।

কেঁচো গণ্ডুষ করা (পুনরায় আরম্ভ করা)

অঙ্কটি ঠিকমতো কষতে না পেরে মতিন আবার কেঁচো গণ্ডুষ করল।

কানে তোলা (গুরুত্ব দেওয়া)

আমার কথা কানে তুললে আজ এ বিপদ হতো না।

কুনোব্যাঙ (সীমাবদ্ধ জ্ঞান)

ঘরে বসে থাকার চেয়ে কাজ শেখো। কুনোব্যাঙ হয়ে বসে থেকো না।

কানে তুলো দেওয়া (আক্ষেপ না করা)

অন্যের কথা শুনে মিজান আর কষ্ট পায় না, কারণ সে কানে তুলো দিয়েছে।

কাপুড়ে বাবু (বাহ্যিক সভা)

কাপুড়ে বাবুর সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু সত্যিকারের ভদ্রলোকের অভাব।

কোণঠাসা (জব্দ করা)

মাহফুজ বড় সাহেবের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে অফিসে কোণঠাসা হয়ে গেছে।

খণ্ড প্রলয় (তুমুল কাণ্ড)

ভাইদের জমি নিয়ে খণ্ড প্রলয় শুরু হয়ে গেল।

খোদার খাসি (ইষ্টপুষ্ট)

বাবার সংসারে বসে খেয়ে খেয়ে খোদার খাসি হয়েছো!

খুঁটে খাওয়া (স্বাবলম্বী হওয়া)

ছেলেটি স্বাবলম্বী হলে আমি চিন্তামুক্ত হবো।

খতিয়ে দেখা (বিবেচনা করা)

বিষয়টি আগে খতিয়ে দেখে তারপরে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

খাদা নাকে তিলক (অশোভন সাজ)

শোকের বাড়িতে এমন সাজে উপস্থিত হওয়া মানে খাদা নাকে তিলক পরা।

উলুবনে মুক্তা ছড়ানো (অপাত্রে দান): ভড লোকের কাছে ধর্মের কাহিনি বলা আর না বলা উভয়ই সমান, কারণ উলুবনে মুক্ত ছড়ালে কোনো লাভ হয় না।

ঊনপাঁজুরে (মন্দভাগ্য): ঊনপাঁজুরে লোকটার আর কারবার করা ঠিক নয়— কারণ লোকসান তার পিছু ছাড়ছে না।

ঊনপঞ্চাশ বায়ু (পাগলামি): জাহিদ হোসেনের মতিগতির কোনো ঠিক-ঠিকানা নেই, মনে হয় তার ওপর ঊনপঞ্চাশ বায়ু ভর করেছে।

এক হাত লওয়া (জব্দ করা): চেয়ারম্যানের খাস লোক খলিল, ওর সাথে বাধিও না, সুযোগ বুঝে ও এক হাত নিয়ে তবেই ছাড়বে।

একাই একশ (অসাধারণ কুশলী): নয়নের ওপর ভরসা রাখো, এ কাজ ও করতে পারবে, কারণ ও একাই একশ।

একনজর (অতি অল্প সময়ের জন্য): মেয়েকে দেখার জন্য মায়ের মন ছটফট করছে, তাকে একনজর দেখতে পেলেই খুশি হবে।

এক মাঘে শীত যায় না (বিপদ একবার আসে না): সুমনের বিপদে আমি এগিয়ে গেলেও সে আমার বিপদে আসল না, এক মাঘে শীত যায় না।

এক ক্ষুরে মাথা মোড়ানো (একই প্রকৃতির লোক): সেন্টু যেমন বদ পিন্টুও তেমনি উভয়ে যেন একই ক্ষুরে মাথা মুড়িয়েছে।

এক বনে দুই বাঘ (প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী): দুজনে চরের জমিটুকু যেকোনো মূল্যে দখলে নিতে চান- এ যেন এক বনে দুই বাঘ।

বাগধারা অর্থ কি

ওজন বুঝে কথা বলা (সুচিন্তিতভাবে কথা বলা): নিজের ওজন বুঝে কথা বললে কারো কাছে লজ্জা পেতে হয় না।

ওঁৎ পাতা (সুযোগের সন্ধানে থাকা): জঙ্গলের মধ্যে শিকারের আশায় বসির ওঁৎ পেতে বসেছিল।

ওষুধে ধরা (প্রার্থিত ফল পাওয়া): মামার পরামর্শে রোদেলার পড়াশোনার আগ্রহ দ্বিগুণ বেড়ে গিয়েছে। একেই বলে ওষুধে ধরা।

ওষুধ পড়া (যথাযোগ্য প্রভাব পড়া): আজ সীমা দিদির কথা অমিতের মার ওপর একেবারে যেন ওষুধ পড়েছে।

কলির সূচনা (কষ্টের সূচনা): অসহায় মহিলার এক মাত্র সন্তান মরে যাওয়ায় তার জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে, কেবল কলির সূচনা।

ক-অক্ষর গোমাংস (বর্ণ পরিচয়হীন মূর্খ): বেলাল অনেক ধন-সম্পদের মালিক, কিন্তু সে একেবারে ক অক্ষর গোমাংস।

কলমের খোঁচা (লিখে ক্ষতি করা): সুদখোর মহাজনরা অনেক সময় দলিলে প্যাঁচ লাগিয়ে কৃষককে সর্বস্বান্ত করে, একেই বলে কলমের খোঁচা।

কলম পেষা (একঘেয়ে কেরানির কাজ): জীবনের স্বাদ বলে কিছুই পেলাম না, সারাজীবন শুধু কলম পিষেই কাটিয়ে দিলাম।

কচ্ছপের কামড় (যা সহজে মরে না): চোরের প্রাণটি যেন কচ্ছপের কামড়, এত মার খেয়েও টিকে রয়েছে।

কুমিরের সান্নিপাত (অসম্ভব ব্যাপার): কাজটি কুমিরের সান্নিপাত হলেও বুদ্ধিমান জলিলের কাছে তা সম্ভবপর।

কথা চালা (রটনা করা): লোকটি প্রতিবেশীর সংসারে মিথ্যা খবর দিয়ে সংসার ভেঙেছে, এ রকম কথা চালানো মানুষকে কেউ বিশ্বাস করে না।

পরীক্ষার জন্য বাগধারা

কত ধানে কত চাল (যথার্থ হিসাব-নিকাশ): যদি সংসারের বোঝাটা ঘাড়ে পড়ত, তাহলে বুঝতে কত ধানে কত চাল।

কাঁঠালের আমসত্ত্ব (অমূলক বস্তু): রাষ্ট্রদ্রোহীদের মুখে রাষ্ট্রের কল্যাণের কথা কাঁঠালের আমসত্ত্ব ছাড়া বৈ কিছু নয়।

কড়ার ভিখারী (নিঃস্ব ব্যক্তি): একসময় সিদ্দিক সাহেব জমিদার শ্রেণির ছিলেন, কিন্তু আজ ভাগ্য দোষে একেবারে কড়ার ভিখারী হয়ে গেছেন।

কাঠের পুতুল (জড় পদার্থের মতো নিষ্ক্রিয়): চোখের সামনে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল আর তুমি চেয়ে চেয়ে দেখলে, কাঠের পুতুল নাকি?

কেউ কেটা (সামান্য): কেউ কেটা লোকের মুখে বড় কথা শুনে আমার শরীর জ্বলে উঠল।

কড়িকাঠ গোনা (কাজ না করে সময়ক্ষেপণ): কাজের সময় কড়িকাঠ গুনলে লাভ নয় বরং তোমার ক্ষতিই হবে।

কাঁচা বাঁশে ঘুণে ধরা (অল্প বয়সে নষ্ট হয়ে যাওয়া): করিম খারাপ ছেলেদের সাথে মিশে নষ্ট হয়ে গেছে, তাই বাকি জীবন অন্ধকার, কাঁচা বাঁশে ঘুণে ধরলে এমনই হয়।

কেঁচো গণ্ডুষ করা (পুনরায় আরম্ভ করা): অঙ্কটি কষতে গিয়ে মতিন উত্তর মিলাতে পারছে না, তাকে কেঁচো গণ্ডুষ করতে হবে।

কানে তোলা (গুরুত্ব দেওয়া): কতবার বলেছি মেয়েটির দিকে খেয়াল রেখ, আমার কথা কানে তুললে আজকে তার এ সর্বনাশ হতো না।

কুনোব্যাঙ (সীমাবদ্ধ জ্ঞান): শুধু ঘরে বসে বসে কী ভাবছ? কুনোব্যাঙ হয়ে বসে না থেকে কাজে লেগে পড়।

কানে তুলো দেওয়া (আক্ষেপ না করা): মিজান ভালো চাকরি না পেয়ে ব্যবসা শুরু করেছেন, তাই অন্যের কটু কথাতে কান দেয় না- আসলে তিনি কানে তুলো দিয়েছেন।

ব্যকরনের বাগধারার তালিকা

উলুবনে মুক্তা ছড়ানো (অপাত্রে দান): ভড লোকের কাছে ধর্মের কাহিনি বলা আর না বলা উভয়ই সমান, কারণ উলুবনে মুক্ত ছড়ালে কোনো লাভ হয় না।

ঊনপাঁজুরে (মন্দভাগ্য): ঊনপাঁজুরে লোকটার আর কারবার করা ঠিক নয়— কারণ লোকসান তার পিছু ছাড়ছে না।

ঊনপঞ্চাশ বায়ু (পাগলামি): জাহিদ হোসেনের মতিগতির কোনো ঠিক-ঠিকানা নেই, মনে হয় তার ওপর ঊনপঞ্চাশ বায়ু ভর করেছে।

এক হাত লওয়া (জব্দ করা): চেয়ারম্যানের খাস লোক খলিল, ওর সাথে বাধিও না, সুযোগ বুঝে ও এক হাত নিয়ে তবেই ছাড়বে।

একাই একশ (অসাধারণ কুশলী): নয়নের ওপর ভরসা রাখো, এ কাজ ও করতে পারবে, কারণ ও একাই একশ।

একনজর (অতি অল্প সময়ের জন্য): মেয়েকে দেখার জন্য মায়ের মন ছটফট করছে, তাকে একনজর দেখতে পেলেই খুশি হবে।

এক মাঘে শীত যায় না (বিপদ একবার আসে না): সুমনের বিপদে আমি এগিয়ে গেলেও সে আমার বিপদে আসল না, এক মাঘে শীত যায় না।

এক ক্ষুরে মাথা মোড়ানো (একই প্রকৃতির লোক): সেন্টু যেমন বদ পিন্টুও তেমনি উভয়ে যেন একই ক্ষুরে মাথা মুড়িয়েছে।

এক বনে দুই বাঘ (প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী): দুজনে চরের জমিটুকু যেকোনো মূল্যে দখলে নিতে চান- এ যেন এক বনে দুই বাঘ।

ওজন বুঝে কথা বলা (সুচিন্তিতভাবে কথা বলা): নিজের ওজন বুঝে কথা বললে কারো কাছে লজ্জা পেতে হয় না।

ওঁৎ পাতা (সুযোগের সন্ধানে থাকা): জঙ্গলের মধ্যে শিকারের আশায় বসির ওঁৎ পেতে বসেছিল।

ওষুধে ধরা (প্রার্থিত ফল পাওয়া): মামার পরামর্শে রোদেলার পড়াশোনার আগ্রহ দ্বিগুণ বেড়ে গিয়েছে। একেই বলে ওষুধে ধরা।

ওষুধ পড়া (যথাযোগ্য প্রভাব পড়া): আজ সীমা দিদির কথা অমিতের মার ওপর একেবারে যেন ওষুধ পড়েছে।

কলির সূচনা (কষ্টের সূচনা): অসহায় মহিলার এক মাত্র সন্তান মরে যাওয়ায় তার জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে, কেবল কলির সূচনা।

বাংলা ২য়পত্র বাগধারা

ক-অক্ষর গোমাংস (বর্ণ পরিচয়হীন মূর্খ): বেলাল অনেক ধন-সম্পদের মালিক, কিন্তু সে একেবারে ক অক্ষর গোমাংস।

কলমের খোঁচা (লিখে ক্ষতি করা): সুদখোর মহাজনরা অনেক সময় দলিলে প্যাঁচ লাগিয়ে কৃষককে সর্বস্বান্ত করে, একেই বলে কলমের খোঁচা।

কলম পেষা (একঘেয়ে কেরানির কাজ): জীবনের স্বাদ বলে কিছুই পেলাম না, সারাজীবন শুধু কলম পিষেই কাটিয়ে দিলাম।

কচ্ছপের কামড় (যা সহজে মরে না): চোরের প্রাণটি যেন কচ্ছপের কামড়, এত মার খেয়েও টিকে রয়েছে।

কুমিরের সান্নিপাত (অসম্ভব ব্যাপার): কাজটি কুমিরের সান্নিপাত হলেও বুদ্ধিমান জলিলের কাছে তা সম্ভবপর।

কথা চালা (রটনা করা): লোকটি প্রতিবেশীর সংসারে মিথ্যা খবর দিয়ে সংসার ভেঙেছে, এ রকম কথা চালানো মানুষকে কেউ বিশ্বাস করে না।

কত ধানে কত চাল (যথার্থ হিসাব-নিকাশ): যদি সংসারের বোঝাটা ঘাড়ে পড়ত, তাহলে বুঝতে কত ধানে কত চাল।

কাঁঠালের আমসত্ত্ব (অমূলক বস্তু): রাষ্ট্রদ্রোহীদের মুখে রাষ্ট্রের কল্যাণের কথা কাঁঠালের আমসত্ত্ব ছাড়া বৈ কিছু নয়।

কড়ার ভিখারী (নিঃস্ব ব্যক্তি): একসময় সিদ্দিক সাহেব জমিদার শ্রেণির ছিলেন, কিন্তু আজ ভাগ্য দোষে একেবারে কড়ার ভিখারী হয়ে গেছেন।

কাঠের পুতুল (জড় পদার্থের মতো নিষ্ক্রিয়): চোখের সামনে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল আর তুমি চেয়ে চেয়ে দেখলে, কাঠের পুতুল নাকি?

কেউ কেটা (সামান্য): কেউ কেটা লোকের মুখে বড় কথা শুনে আমার শরীর জ্বলে উঠল।

কড়িকাঠ গোনা (কাজ না করে সময়ক্ষেপণ): কাজের সময় কড়িকাঠ গুনলে লাভ নয় বরং তোমার ক্ষতিই হবে।

কাঁচা বাঁশে ঘুণে ধরা (অল্প বয়সে নষ্ট হয়ে যাওয়া): করিম খারাপ ছেলেদের সাথে মিশে নষ্ট হয়ে গেছে, তাই বাকি জীবন অন্ধকার, কাঁচা বাঁশে ঘুণে ধরলে এমনই হয়।

কেঁচো গণ্ডুষ করা (পুনরায় আরম্ভ করা): অঙ্কটি কষতে গিয়ে মতিন উত্তর মিলাতে পারছে না, তাকে কেঁচো গণ্ডুষ করতে হবে।

বাগধারার তালিকা

কানে তোলা (গুরুত্ব দেওয়া): কতবার বলেছি মেয়েটির দিকে খেয়াল রেখ, আমার কথা কানে তুললে আজকে তার এ সর্বনাশ হতো না।

কুনোব্যাঙ (সীমাবদ্ধ জ্ঞান): শুধু ঘরে বসে বসে কী ভাবছ? কুনোব্যাঙ হয়ে বসে না থেকে কাজে লেগে পড়।

কানে তুলো দেওয়া (আক্ষেপ না করা): মিজান ভালো চাকরি না পেয়ে ব্যবসা শুরু করেছেন, তাই অন্যের কটু কথাতে কান দেয় না- আসলে তিনি কানে তুলো দিয়েছেন।

ঠারে ঠারে (ইঙ্গিতে): ঠাপে ঠারে তুমি লোকটিকে কী বললে?

ঠোঁট ফুলান (অভিমান করা): কিছু হতেই তুমি এমন ঠোঁট ফুলাও কেন?

ঠেলার নাম বাবাজি (চাপে পড়ে কারুর হওয়া): কোনো মতেই টাকা আদায় করতে পারছিলাম না, যেই পুলিশের কথা বলেছি অমনি টাকাটা দিয়ে দিল- একেই বলে ঠেলার নাম বাবাজি।

ডিমে রোগা (চির বুগণ): ডিমে রোগা ছেলেকে নিয়ে মায়ের দুশ্চিন্তার শেষ নেই।

ডুবে ডুবে জল খাওয়া (গোপনে কাজ করা): রিফা এতদিন ডুবে ডুবে জল খাচ্ছিল, সেদিন ধরা পড়ে গেছে।

ডাকাবুকো (নির্ভীক, দূরন্ত): শরণ ডাকাবুকো হলে কী হবে, বাবার শাসনকে সে ঠিকই ভয় পায়।

ডান হাতের কাজ (খাওয়া): ডান হাতের কাজ শেষ করেই আমাকে ঢাকার উদ্দেশে বের হতে হবে।

বাগবিধি বাগধারা

টু মারা (চেষ্টা/অনুসন্ধান): ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে মিনা লাইব্রেরিতে নতুন বই পড়তে একটু-আধটু ঢু মারে।

ঢেঁকির কচকচি (বিরক্তিকর অবস্থা): সারাদিন তোমার ঢেঁকির কচকচি শুনতে আর ভালো লাগে না।

ঢিমে তেতলা (মন্থর): তোমার কাজে যে ঢিমে তেতলা দেখছি, তা মনে হয় সম্পন্ন করতে সন্ধ্যা গড়িয়ে যাবে।

ঢাক ঢাক গুড় গুড় (গোপন করার চেষ্টা): তোমার সবসময় ঢাক গুড় গুড় করা স্বভাব, যা বলার স্পষ্ট করে বলতে পারো না?

ঢাকের কাঠি (তোষামোদকারী): তোমার ওপর বিশ্বাস করা বোকামি, কারণ তুমি তো একটা ঢাকের কাঠি।

ঢাক পেটানো (প্রচার করা): রুনা বলে, আজকাল নিজের ঢাক নিজে না পেটালে কাজ হয় না।

ঢাকে বাড়ি পড়া (কাজ আরম্ভ করা): ঢাকে বাড়ি পড়েছে তাড়াতাড়ি উঠে পড়।

তাক লাগান (অবাক করা): কামারের ছেলে ডাক্তারিতে চান্স পেয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে।

তুলাধোনো হওয়া (প্রহার বা মার খাওয়া): ডাকতেরা ডাকাতি করতে এসে জনতার হাতে তুলাধোনা হয়েছে।

তড়িঘড়ি করা (তাড়াহুড়া করা): একটু চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত নাও, তড়িঘড়ি করে সিদ্ধান্ত নিলে তার মানুষ দিতে হয়।

তামার বিষ (অর্থের কুপ্রভাব): তামার বিষে চেয়ারম্যান ধরাকে সরাজ্ঞান করছে।

তোলপাড় করা (সর্বত্র ছুটে বেড়ানো): ক্লাস ফাঁকি দিয়ে তোলপাড় করা মাহমুদের স্বভাব।

তাসের ঘর (ক্ষণস্থায়ী): সংসারটা আসলে একটা তাসের ঘর বৈ কিছু নয়।

তেল দেওয়া (খোশামোদ করা): আলম সাহেব পরিশ্রম না করে বড় সাহেবকে তেল দিয়েই কাজ হাসিল করতে চায়।

তুলসী বনের বাঘ (ভণ্ড): তিতাসের চালচলন সহজ মনে হলেও আসলে সে একটা তুলসী বনের বাঘ।

থৈ থৈ করা (প্লাবিত হওয়া): এবারের প্রবল বর্ষায় খালবিল থৈ থৈ করছে।

থৈ পাওয়া (সীমা পাওয়া): মিজান কঠোর পরিশ্রম করেও বড় সাহেবের কাছে থৈ পেল না, কারণ সে মিথ্যাবাদী।

থোড়াই কেয়ার করা (কিছুমাত্র গ্রাহ্য না করা): তোমার এই লাফালাফি আমরা থোড়াই কেয়ার করি, যা পার কর।

গুরুত্বপূর্ন বাংলা ২য়পত্র বাগধারা

থ মেরে যাওয়া (কিংকর্তব্যবিমূঢ় হওয়া): হাজি সাহেবের মুখে মিথ্যে কথা শুনে আমি থ মেরে গেলাম।

দর-কষাকষি (দরদাম করা): চৌধুরী সাহেব বাজারে গেলেই দর-কষাকষি করেন, এ যেন তার চির স্বভাব।

দাঁত ভাঙা (দর্প চূর্ণ করা): স্বপন হঠাৎ বড় লোক হয়ে কথার দাপট দেখায়, তার কথার দাঁত ভাঙা জবাব দিতে হবে।

দুধের ছেলে (কচি শিশু): এমন দুধের ছেলের ওপর পড়ালেখার বাড়তি চাপ দিতে নেই।

দাও মারা (মোটা অর্থ আত্মসাৎ): আত্মীয় বলে তুহিনকে প্রশ্রয় দিও না। সুযোগ পেলে ও কিন্তু দাঁও মেরে বসবে।

দহরম-মহরম (ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক): সাথীর সঙ্গে মিতার দহরম-মহরম দেখলাম কয়েক দিন, এখন একেবারে মুখ দেখাদেখি বন্ধ।

দুধে-ভাতে থাকা (সুখে থাকা): জহির বাপের প্রচুর সম্পদ পেয়ে আরামেই আছে, একেই বলে দুধে-ভাতে থাকা।

দিনদুপুরে (প্রকাশ্যে): দুর্যোগপ্রবণ এলাকার ত্রাণ স্থানীয় নেতারা কুক্ষিগত করল, এ যেন দিন দুপুরে ডাকাতি।

দিন ফুরানো (আয়ু শেষ হওয়া): সন্তান আরোগ্য লাভ না করায় মা চিন্তিত – কেননা তার ধারণা, দিন ফুরিয়ে যাচ্ছে।

দিনকে রাত করা (সত্যকে মিথ্যা প্রমাণ করা): রহিম প্রভাব খাটিয়ে যত চেষ্টা করুক না কেন, দিনকে রাত করতে পারবে না।

ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির (অত্যন্ত সত্যবাদী): গ্রামের মাতব্বর যে কেমন ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির তা সকলেই জানে।

ধোপ দুরস্ত (বাবুয়ানি): নুন আনতে যার পান্তা ফুরায়, তার চালচলনে কত ধোপ দুরস্ত ভাব।

ধড়া-চূড়া (সাজ পোশাক বা বিজাতীয় পোশাক): সন্ধ্যা হয়েছে, এবার ধরা-চূড়া ছেড়ে পড়তে বস।

ধোলাই দেওয়া (প্রচণ্ড প্রহার): জনতা চোরকে ধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিল।

ধর্মের কল (সভা প্রকাশ): আরে তোমার এখন প্রতিবাদ করার দরকার নেই, ধর্মের কল এক সময় বাতাসে নড়বে।

ধর্মের ধাড় (স্বেচ্ছাচারী ব্যক্তি): হেলাল এত দত করো না। ধর্মের ঘাড়ের পতন অনিবার্য।

ধকল সওয়া (সহ্য করা): বৃদ্ধার একমাত্র ছেলেটি হারিয়ে যাওয়ায় তার পক্ষে সকল সওয়া সম্পন্ন না।

মাক গলানো (অনধিকার চর্চা): শিখা ম্যাডাম তাসলিমা ম্যাডামের প্রতিটি কাজে না লা।

বাগধারার ব্যবহার

মাটের গুরু (মূল নায়ক): চৌধুরী সাহেবের বাড়িতে যে আগুন দিয়ে তার নাটের গুরু বা।

নরম গরম (মিঠে কড়া): মিনার শাশুড়িকে নরম গরম প্রকৃতির মনুষ্যই বলা চলে।

সেই আঁকড়া (একগুঁয়ে): এই নেই আঁকড়া লোকেদের নিয়ে পথ চলা বেজায় কঠিন কাজ।

মাড়ির টানে (গভীর মমত্ববোধ): ঈদে যাতায়াতে অসুবিধা হওয়া গরেও নাড়ির টানে সবাই বাড়ি যায়।

মজর রাখা (খোঁজখবর নেওয়া): মিনা শ্বশুরবাড়িতে থাকলেও মায়ের দিকে নজর রাখতে এক বিন্দু ভোলে না।

নিষক খাওয়া (অন্নপুষ্ট খাওয়া): মিনা তার স্যিান্তে অবিচল। যার নিমক খেয়েছে, তার সঙ্গে বেঈমানি করতে পারবে না।

মামীর পাঁঠা (প্রাণ ভয়ে ভীত ব্যক্তি): নারুচী গ্রামের লোকেরা ডাকাতের ভয়ে নবমীর পাঁঠা হয়ে বসবাস করে।

নরক গুলজার (প্রেত প্রাসাদ): রফিক এখন বন্ধুদের সঙ্গে মদ খেয়ে খেয়ে বাড়িটিকে নরক গুলজার করে তুলেছে।

নিমরাজি (প্রায় রাজি): মিতালির সঙ্গে তুলিকে যেতে একটু অনুরোধ কর না। সে তো এখন নিমরাজি।

মাক সিটকানো (অবজ্ঞা করা): লিজা যে ভাইকে একসময় নাক সিঁটকাতো। এখন বিপদে তারই দ্বারস্ত হয়েছে।

মাড়ির খবর (আসল খবর): আসিফের কোনো কথা পেটে থাকে না, সে তার নাড়ির খবর জসিমকে জানিয়েছে।

পুকুর চুরি (বড় রকমের চুরি): এ গ্রামে এ রকম পুকুর চুরি এর আগেও হয়েছে কিন্তু কোনো প্রতিকার হয়নি।

পাথরে পাঁচকিল (সুখের সময়): আতিকের তো এখন পাথরে পাঁচকিল, বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে তার চাকরি হয়েছে।

পথের কাঁটা (শত্রু): যাকে পথের কাঁটা ভেবে তাড়িয়ে দিয়েছিলে, সে-ই তমরেজই তোমার ছিন্নভিন্ন সংসারের হাল ধরল।

পদ্মমুখ (প্রশংসামুখর হওয়া): ইসমাইল তার সাহসিকতার দরুন মানুষের কাছে পঞ্চমুখ হয়েছে।

পিঁপড়ের পেট টেপা (অত্যধিক হিসাব করে চলা): এভাবে পিঁপড়ের পেট টিপে কয়দিন চলবে? অধিক উপার্জনের চেষ্টা কর।

বাংলা বাগধারা

পালের গোদা (দলপতি): মহিমই পালের গোদা, তারই উসকানিতে এ সর্বনাশ হয়েছে।

পারের কড়ি (পরকালের মূলধন): দিন ফুরিয়ে এলো অথচ পারের কড়ি সংগ্রহ করা হলো না।

পথে বসা (সর্বস্বান্ত হওয়া): অনিক ব্যবসায় মার খেয়ে আজ পথে বসেছে।

পেটে পেটে বুদ্ধি (দুষ্টু বুদ্ধি): মোড়লকে দেখে মনে হয় সহজ-সরল কিন্তু তার পেটে পেটে বুদ্ধি আছে।

পায়াডারি (অহংকার): ছেলে চাকরি পাওয়াতে তোমার পায়াভারি হয়েছে।

পরের ধনে পোদ্দরী (অন্যের টাকায় বাহাদুরি): পরের ধনে পোদ্দারী করে সবাই ভাব দেখাতে পারে।

ফেউলাগা (পেছনে লেগে ক্রমাগত বিরক্ত করা): ব্যাংকে যাওয়ার পথে ফেউলাগার কারণে টাকা জমা দিতে পারল না।

ফাঁদে পা দেওয়া (চক্রান্ত না বুঝে বিপদে পড়া): মজিদ টাকার লোভে পড়ে হাবিবের ফাঁদে পা দিল।

ফতো নবাব (নবাবী মনের দরিদ্র ব্যক্তি): ফতো নবাব সেজে বসে আছে, এদিকে ঘরের হাঁড়িতে চাল নেই।

ফুলের ঘায়ে মূর্ছা যাওয়া (অল্পতেই ক্লান্ত হওয়া): ফুলের ঘায়েই যে মূর্ছা যায়, তাকে দিয়েছ কঠিন কাজ করতে।

ফাকতা উড়ানো (ভাবনা-চিন্তা না করে নিশ্চিন্তে দিন কাটানো): বাড়ির খবর রাখো না, এদিকে ফাকতা উড়িয়ে বেড়াচ্ছো।

ফেঁপে ওঠা (বড়লোক হওয়া): যারা অসৎ পথে অর্থ রোজগার করে তারা হঠাৎ ফেঁপে ওঠে।

আলোচিত বাগধারা

ফুলবাবু (বড়লোকি আচরণ): অভাবের সংসারে আহার জোটে না অথচ সিরাজ ফুলবাবু সেজে ঘুরে বেড়ায়।

ফোড়ন কাটা (টিপ্পনি কাটা): গাঁয়ের মাতবর ফোড়ন কাটা স্বভাবের লোক, একথা সবাই জানে।

ফপর দালালি (গায়ে পড়ে মাতব্বরি): আমাদের ব্যক্তিগত ব্যাপারে তুমি ফপর দালালি না করলেই খুশি হব।

ফুলটুসি (সহজে আহত বোধ করে যে): তোমার মতো ফুলটুসি মেয়ে তো আর দেখা যায় না, সামান্য আঘাতেই কষ্ট পাও।

বাপের বেটা (উপযুক্ত পুত্র): সতীনাথ ভাদুড়ী ছিলেন বাপের বেটা।

বক ধার্মিক (বাইরে সাধু ভেতরে অসাধু): ধর্মের বুলি আওড়িয়ে বক ধার্মিকেরা নিজের উদ্দেশ্য হাসিল করে।

বিসমিল্লায় গলদ (শুরুতেই ভুল): এ কাজ কিছুতেই হবে না, এর বিসমিল্লায়ই গলদ।

বাপের ঠাকুর (শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি): চেয়ারম্যান সাহেব তার অভিভাবক সেজেছেন, যেন তার বাপের ঠাকুর।

বেগার ঠেলা (অনিচ্ছায় অলাভজনক কাজ করা): এ সংসারে আমি আজীবন বেগার ঠেলে গেলাম।

পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ন বাগধারা

বিড়ালের আড়াই পা (ক্ষণস্থায়ী রোগ): মাঝে মাঝে বিড়ালের আড়াই পা যেন বৃহৎ সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।

বাজারে কাটা (বিক্রি করা): এবার ঈদে কুটির শিল্পের তৈরি জিনিসপত্র খুব বেশি বাজারে কেটেছে।

বিষের পুঁটলি (বিদ্বেষী): সোনিয়া আর রিমার মাঝে মোটেও বনিবনা নেই। একজন আরেকজনের যেন বিষের পুটলি।

ব্যাঙের সর্দি (অসম্ভব কিছু): জেলেকে জলের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই, ব্যাঙের আবার সর্দি?

বসন্তের কোকিল (সুসময়ের বন্ধু): এখন তুমি অনেক অর্থ-প্রতিপত্তির মালিক। তাই বসন্তের কোকিলের অভাব নেই।

বা হাতের ব্যাপার (ঘুষ): বাঁ হাতের ব্যাপারটা সেরে না ফেললে বড় সাহেব ফাইলে হাত দিবেন না।

বিদুরের খুদ (সামান্য উপহার): বিদুরের খুদ দিয়ে কী সব কাজ উদ্ধার করা যায়।

বাঘের আড়ি (নাছোড়বান্দা): সরকারি চাকরির জন্য বসে থাকলে হবে, বাঘের আড়ির মতো পড়ালেখা করতে হবে।

ব্যাঙের আধুলি (সামান্য সম্পদ): ব্যাঙের আধুলি দিয়ে কী সবকিছু পাওয়া যায়?

বাঘুঘু (অতি ধূর্ত লোক/প্রচ্ছন্ন শয়তান): বাস্তুঘুঘু লোকেদের সাথে পারা কঠিন, এদের থেকে সাবধানে থাকাই ভালো।

বিষদাঁত (ক্ষতিকর শক্তি): উঁচু গলায় কথা বলো না, তোমার বিষদাঁত ভেঙে দেব।

বালির বাঁধ (ক্ষণস্থায়ী): ধনী-গরিবের বন্ধুত্ব বেশিদিন টেকে না, এ যে বালির বাঁধ ছাড়া আর কিছু নয়।

বড় মুখ (বড় আশা করা): স্যার বড় মুখ নিয়ে আপনার কাছে এসেছি, চাকরিটা যেন হয়।

ভূতের বেগার (পণ্ডশ্রম): জীবনভর ভূতের বেগারই খাটলে, বিনিময়ে কিছু পেলে?

ভালোয় ভালোয় (মঙ্গল মতো): যা হবার তা হয়েছে এখন ভালোয় ভালোয় বাড়ি ফিরতে পারলেই বাঁচি।

ভাঁড়ে মা ভবানী (ভাণ্ডার শূন্য): আমার কাছে অর্থ চাও, কিন্তু আমার তো ভাঁড়ে মা ভবানী।

ভালুক জ্বর (ক্ষণস্থায়ী জ্বর): জোহানের সবল দেহে ভালুক জ্বর কোনো প্রভাব ফেলতে পারে না।

ভূষণ্ডির কাক (প্রাচীন ও বিজ্ঞ): তোমার মতো ভূষণ্ডির কাকের এমন বোকার মতো কথা বলা উচিত নয়।

ভালুক জ্বর (ক্ষণস্থায়ী জ্বর): ভালুক জ্বর নিয়ে বসে থাকলে হবে না, চল কলেজে যাই।

ভাতে মারা (না খেতে দিয়ে দুর্বল করা): তুমি আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করেছ, তোমাকে হাতে না মেরে ভাতে মারব।

ভেক ধরা (ভান করা): ঝরনা মেয়েটা খুবই বেয়াদব, কিছু হলেই ভেক ধরে।

গুরুত্বপূর্ন বাগধারা

ভূতের বাপের শ্রাদ্ধ (বাজে কাজে অর্থ ব্যয় করা): ভূতের বাপের শ্রাদ্ধে টাকা-পয়সা নষ্ট করে ছেলেটা এখন দিশেহারা।

ভেরেণ্ডা ভাজা (অকাজ): কোনো কাজ নেই তাই বাড়ি বসে ভেরেণ্ডা ভাজছি।

মামার বাড়ির আবদার (সহজে মিটে এমন): মামার বাড়ির আবদার পেয়েছ যে চাইলে তোমাকে দিতে হবে।

মাথা গোঁজার ঠাঁই (আশ্রয়): জমিদার বিনয়ের ভিটেমাটি আত্মসাৎ করায় তার আর মাথা গোঁজার ঠাঁই রইল না।

মন না মতি (অস্থির মনা মন): মানুষের মন দ্রুত পরিবর্তন হয় বলেই তাকে মন না মতি বলে।

মুশকিল আসান (বিপদ থেকে মুক্ত হওয়া): যে বিপদে পড়েছিলাম ভাই এত সহজে যে মুশকিল আসান হবে ভাবতে পারিনি।

মাছের মার পুত্রশোক (নিরর্থক দুঃখ/মমতাহীন): রাজাকারদের মুখে দেশপ্রেমের কথা, এযেন মাছের মার পুত্রশোক।

মিছরির ছুরি (মুখে মধু অন্তরে বিষ): ওর মিষ্টি কথায় ভুলো না, কথা তো নয় যেন মিছরির ছুরি।

বিগত সালে আসা গুরুত্বপূর্ন বাগধারা

মুখ তুলে চাওয়া (প্রসন্ন হওয়া): এতদিনে বিধাতা আমাদের পরিবারের প্রতি মুখ তুলে চাইলেন!

মরা থেকো (অত্যন্ত রোগা): এমন মরা থেকো গরুকে কীভাবে মোটাতাজা করলে, স্টেরোয়েড হরমন দিয়ে?

মুখে ফুল চন্দন পড়া (সুসংবাদের জন্য ধন্যবাদ): এমন একটা সুসংবাদ দিলে, তোমার মুখে ফুল চন্দন পড়ুক।

মাকাল ফল (অন্তঃসারশূন্য রূপবান ব্যক্তি): আমজাদ একটা মাকাল ফল, তার দ্বারা কোনো কাজ হবে না।

মাথা খাওয়া (প্রশ্রয় দিয়ে সর্বনাশ করা): বেশি মাত্রায় আদর দিয়ে ছেলেটার মাথা খেয়েছ।

মুখ রাখা (মান বজায় রাখা): বিশ্বকাপে মাশরাফিরা ভালো খেলে দেশের মুখ রক্ষা করল।

মাটির মানুষ (কোমল প্রকৃতির লোক): ফজলুল করিম মাটির মানুষ ছিলেন, জনগণের মনের ভাষা বুঝতেন।

মাটিতে পা না পড়া (অহংকার দেখানো): কী ব্যাপার, বড় চাকরি পেয়ে যে তোমার মাটি পা পড়ে না?

ম্যাও ধরা (দায়িত্ব গ্রহণ করা): পিতার মৃত্যুতে শাজাহান সংসারের ম্যাও ধরেছে।

যেখানে-সেখানে (যত্রতত্র): বন্যার পানি বাড়ায় লোকজন যেখানে-সেখানে আশ্রয় নিচ্ছে।

বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা বাগধারা

যমের অরুচি (যার মৃত্যু নেই): বয়সের ভারে তালকানা হয়ে গেছে তবু মরে না, যেন যমেরও অরুচি ধরেছে।

যম-যন্ত্রণা (মৃত্যু যন্ত্রণা): একমাত্র যুবক ছেলেকে হারিয়ে মা এখন যম-যন্ত্রণায় জ্বলে যাচ্ছে।

যশুরে কই (বেঢপ): মাঝে মাঝে তোমার যশুরে কই আচরণ আমার কাছে অদ্ভুত ঠেকে।

যক্ষের ধন (কৃপণের কড়ি): স্বামীর মৃত্যুর পর সুমি তার ধনসম্পদ যক্ষের ধনের মতো আগলে রেখেছে।

যমের দোসর (নিষ্ঠুর ব্যক্তি): ঐ যমের দোসরের সঙ্গে লাগতে যেও না, সে তোমাকে শেষ করে ছাড়বে।

যমের ভুল (যার সহজের মরণ হয় না): চেয়ারম্যান যমের ভুল হয়ে রয়েছে সাধারণ মানুষকে নির্যাতন করতে।

রাজার হাল (আড়ম্বর): শ্বশুরের সম্পদ পেয়ে রাজন সামী রাজার হালে জীবনযাপন করে।

রায়, বাঘিনী (উগ্র স্বভারে নারী): শেফালী ও শ্যামলী হলো রায় বাঘিনী, তাদের সংসারে অশান্তি লেগেই থাকে।

রাঘব-বোয়াল (বড় চোর): গরিবের হক গরিব মারে না, মারে যতসব রাঘব বোয়ালরা।

রাহুর দশা (দুঃসময়): রাহুর দশায় একমাত্র প্রকৃত বন্ধুরাই পাশে থাকে।

রুই-কাতলা (বড় বড় লোক): তুমি হলে দিন আনে দিন খাওয়া মানুষ, রুই-কাতলাদের মাঝে ঠাঁই পাবে কী করে?

রাই কুড়িয়ে বেল (অল্প অল্প সঞ্চয়ে প্রচুর অর্থ জমানো): মনিকা দেবী মিতব্যয়ী বলেই রাই কুড়িয়ে বেল করতে পেরেছেন।

রাজা-উজির মারা (অর্থহীন গল্প): তোমার কি কোনো কাজ নেই নাকি, এখানে এসে রাজা-উজির মারছ।

রাশভারি (গম্ভীর প্রকৃতি): মাহবুব সাহেবকে দেখে সহজ সরল মনে হলেও তিনি কিন্তু রাশভারি লোক।

রাশভারি (গম্ভীর প্রকৃতির): আমাদের ইংরেজি শিক্ষক রাশভারি লোক, তাই তাকে সবাই ভয় পায়।

রাবণের চিতা (চির-অশান্তি): সিডরের আঘাতে সবাইকে হারিয়ে বিধবার বুকে রাবণের চিতা জ্বলছে।

Bangla Grammar Bagdhara

রাবণের গোষ্ঠী (বৃহৎ পরিবার): রিয়াদ সাহেব একার রোজগারে কুলিয়ে উঠবেন কীভাবে, তার যে রাবণের গোষ্ঠী।

রক্তের টান (স্ববংশপ্রীতি): রক্তের টানের কারণে জনির দুঃখে মনি দুঃখ পেল।

রাতকানা (যে রাতে চোখে দেখে না): তানিয়ার জীবনে বড়ই কষ্টের, সে এখন রাতকানা রোগে ভুগছে।

রাজঘোটক (উপযুক্ত মিলন): ছেলে আর মেয়েটাকে ভালোই মানিয়েছে, দেখে মনে হয় রাজঘোটক।

লাল হয়ে যাওয়া (ধনশালী হওয়া): এবার চালের মজুদদাররা একেবারে লাল হয়ে গেছে।

লেজে পা পড়া (বিপদে পড়া): সাপের লেজে পা পড়েছে, এখন বুঝবে কত ধানে কত চাল হয়।

লেজে গোবরে হওয়া (নাজেহাল হওয়া): পাভেল রহমানের কাছে কাজ দিলে লেজেগোবরে এক করে ফেলে।

লঙ্কা পায়রা (ফুলবাবু): তোমার মতো লঙ্কা পায়রা দিয়ে কোনো কাজ হবে না।

লেজ গুটানো (পালানো): বিদেশে লোক পাঠানোর কথা বলে অনেক আদম ব্যাপারি মানুষের টাকা মেরে দিয়ে লেজ গুটিয়েছে।

লগন চাঁদ (ভাগ্যবান): তোমার মতো লগন চাঁদ, হয়ে জন্মগ্রহণ করতে পারলে জীবনটা সার্থক হতো।

লঙ্কাভাগ (স্বার্থচিন্তা): শুধু নিজের লঙ্কাভাগের কথা চিন্তা না করে, দেশ ও জাতির দিকে নজর দাও।

লঘুগুরু জ্ঞান (কাণ্ডজ্ঞান): লঘুগুরু জ্ঞান না থাকলে জীবনে উন্নতি করা যায় না।

লঙ্কাকাণ্ড (হুলুস্থূল অবস্থার সৃষ্টি করা): দুই সতীনের লঙ্কাকাণ্ডে সংসারটা বিষময় হয়ে উঠেছে।

শিয়ালের যুক্তি (ব্যর্থ জল্পনা-কল্পনা): কাউন্সিলর-চেয়ারম্যান শিয়ালের যুক্তি করে মানুষকে বোকা বানাতে চায়।

শিমুল ফুল (বাইরে সুন্দর): ওকে দেখে সব ভুলে যেয়ো না, ও আসলে শিমুলের ফুল।

বাংলা ব্যকরণ বাগধারার তালিকা

শুকনোয় ডিঙি চালানো (শক্তিতে কাজ করা): মাঠে কৃষকেরা শুকনোয় ডিঙি চালিয়ে ফসল ফলায়।

শিকায় তোলা (স্থগিত রাখা): পরীক্ষা শেষ হতে না হতেই বইগুলো শিকায় তুলে রাখলে?

শাঁখের করাত (উভয় সংকট): তোমার কাজে আছি বললেও বিপদ, নেই বললেও বিপদ এ যেন শাঁখের করাত।

শিরে সংক্রান্তি (আসন্ন বিপদ): কাল পরীক্ষা অথচ কিছুই পড়া হয়নি, এ যেন শিরে সংক্রান্তি।

শনির দৃষ্টি (কু-দৃষ্টি): আজ পদে পদে বিপদের সম্মুখীন হচ্ছি, মনে হয় শনির দৃষ্টিতে পড়েছি।

শিবরাত্রির সলতে (একমাত্র সন্তান): অর্জুন তার পিতা-মাতার শিবরাত্রির সলতে, তাইতো তাকে সবাই চোখে চোখে রাখে।

শরতের শিশির (সুসময়ের বন্ধু): দুঃসময়ে সজীবের খোঁজ পাওয়া যায় না, সে আসলে শরতের শিশির।

শকুনি মামা (অনিষ্টকর ব্যক্তি): তার মতো শকুনি মামার মুখ দেখাও আমি বান্ধ করে দিয়েছি।

শেষ রক্ষা (ভালোভাবে সমাপ্তি): হরতাল অবরোধে সব বন্ধ-পরীক্ষা হলেই তখন শেষ রক্ষা বলা চলে।

শ্রীঘ্রর (কয়েদখানা): বৌকে হত্যা করে হাবিব এখন শ্রীঘরের বাসিন্দা।

শনির দশা (দুঃসময়): কী রে পড়ালেখা তো হয় না, শনির দশা লেগেছে আমার।

ষোলকলা (পুরোপুরি): বিশ্ববিদ্যালয় পড়া শেষে একটি ভালো চাকরি পাওয়ায় বুশমির আশা-আকাঙ্ক্ষা ষোলকলা পূর্ণ হলো।

ষাটের কোলে (অধিক বয়স): তোমার বয়স এখন ষাটের কোলে, একটু ভালো কাজ কর।

বিগত সালের বাগধারা

ষণ্ডামার্কা (গুণ্ডা প্রকৃতির লোক): পাভেল রহমান ষণ্ডামার্কা লোক, চেহারা দেখলে বোঝা যায়।

ষাঁড়ের গোবর (অপদার্থ): ছেলেটা একেবারে ষাঁড়ের গোবর, কোনো কাজের নয়।

ষত্ব-ণত্ব জ্ঞান (কাণ্ডজ্ঞান): ষত্ব-ণত্ব জ্ঞান নেই এমন লোকের হাতে সভাপতির দায়িত্ব পড়লে সংগঠন অচল হতে বাধ্য।

ষোল কড়াই কানা (সম্পূর্ণ বিনষ্ট): অতিবৃষ্টির কারণে ফসলে ষোল কড়াই কানা হয়ে গেল।

সোনার চাঁদ (অতি আদরের): তুফলি তার পিতার একমাত্র কন্যা হওয়ায় সে সোনার চাঁদ।

সাপে নেউলে (ভীষণ শত্রুতা): স্বামীকে নিয়ে দুই সতীনের সাপে নেউলে সম্পর্ক।

সর্ষে ফুল দেখা (মহাবিপদ): সাঈদ সাহেব ভোটে পরাজিত হয়ে সর্ষে ফুল দেখছেন।

সাপের পাঁচ পা দেখা (অহংকারী হওয়া): শ্বশুরের টাকায় বড় লোক হয়ে রিকু সাপের পাঁচ পা দেখাচ্ছে।

সাপের ছুঁচো গেলা (উভয় সংকট): সাপের ছুঁচো গেলা অবস্থানে পড়ে দিশেহারা অমিত আত্মহত্যা করল।

সাক্ষীগোপাল (নিষ্ক্রিয় দর্শক): দেশের এই দুর্দিনে আমাদের সাক্ষীগোপাল হয়ে থাকলে চলবে না।

সেয়ানে সেয়ানে (চালাকে চালাকে): মতি আর ময়নার সাথে বিরোধ মানে সেয়ানে সেয়ানে লড়াই।

সাপে-নেউলে (শত্রুতা): তাদের দুইভায়ের মধ্যে সম্পর্ক নেই, একেবারে সাপে-নেউলে সম্পর্ক।

বাংলা বাগধারা

সবুরে মেওয়া ফলে (ধৈর্যে সুফল মিলে): একটুতে বিচলিত হওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়, সবুরে মেওয়া ফলে।

সাত সতের (বিচিত্র ধরনের): এক মনে কাজ কর, সাত সতের মন দিয়ে কাজ করলে উন্নতি হয় না।

সুখের পায়রা (সুসময়ের বন্ধু): রিপন এখন অনেক বড় লোক, তার সুখের পায়রার অভাব নেই।

হাতে-কলমে (ব্যবহারিকভাবে): স্কাউটদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় হাতে-কলমে, এতে কোনো ফাঁকি নেই।

হাটে হাঁড়ি ভাঙা (গোপন কথা ফাঁস করা): ওকে রাগালে তোমারই ক্ষতি, হাটে হাঁড়ি ভেঙে দেবে।

হাত পাকানো (দক্ষতা অর্জন): ঘরের কাজটি খুবই সুন্দর হয়েছে, দেখে মনে হচ্ছে হাত পাকা মিস্ত্রি দিয়ে কাজ করানো।

হাতির পাঁচ পা দেখা (দুঃসাহসী হওয়া): তুমি যে জন্মের ভীরু তা সবাই জানে, হাতির পাঁচ পা দেখিয়ে লাভ নেই।

খোদার খাসি (হৃষ্টপুষ্ট/অলস): লেখাপড়া ভালোভাবে না শিখলে খোদার খাসির মতো দেহটা কোনো কাজে আসবে?

হালে পানি পাওয়া (সুবিধা করা): দেশের যে অবস্থা ব্যবসায় অনেক কষ্ট করেও হালে পানি পেলাম না।

হ-য-ব-র-ল (বিশৃঙ্খল): মায়ের মৃত্যুর পর মেধাবী যতীনের জীবনটা যেন হ-য-ব-র-ল হয়ে গেল।

হাড়ে হাড়ে চেনা (মর্মান্তিকভাবে চেনা): তুমি তাকে না চিনলেও আমি ওকে হাড়ে হাড়ে চিনি।

হাতের পাঁচ (শেষ সম্বল): কখন কী বিপদ আসে তা বলা যায় না, হাতের পাঁচ খরচ করো না।

হ-য-ব-র-ল (বিশৃঙ্খল অবস্থা): বইপত্রগুলো আলমারিতে হ-য-ব-র-ল করে রেখেছে কেন?

হাড়ে হাড়ে (মর্মে মর্মে): দিলদার সাহেব যে কেমন লোক তা আমি হাড়ে হাড়ে বুঝতে পারছি।

হরিলুট (অপচয়): টেন্ডারবাজির নামে দেশে সরকারি টাকার হরিলুট চলছে।

হাঁটু বয়স (অবুঝ শিশু): পিংকি হাঁটুর বয়সের মেয়ে হয়ে চাচার সঙ্গে ঝগড়া করছে।

শেষকথা

বাগধারা বাংলা ভাষার এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং এটি শব্দের বিশেষভাবে ব্যবহৃত এক ধরনের প্রকাশ। প্রতিদিনের ভাষায় বিভিন্ন পরিস্থিতিতে ব্যবহৃত বাগধারা মানুষের যোগাযোগে প্রাঞ্জলতা ও মাধুর্য নিয়ে আসে। ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা, তাদের অর্থ, উদাহরণ, এবং সঠিকভাবে ব্যবহার করার কৌশল শিখলে ভাষার প্রতি আগ্রহ আরও বাড়ে। যেমন, বাগধারা অর্থ বুঝে বাক্য রচনা করার মাধ্যমে এর সঠিক প্রয়োগ সহজে শেখা সম্ভব। বাগধারা অর্থসহ বাক্য রচনা PDF ফরম্যাটে পাওয়া গেলে যে কেউ সহজেই শিখতে পারে এবং মজার বাগধারার তালিকা দেখে বাক্য গঠনেও দক্ষতা অর্জন করা সম্ভব। এক্ষেত্রে, বাগধারা শুধুমাত্র শব্দের অর্থই নয়, বরং ভাষার শৈলী ও গভীরতা বৃদ্ধি করে, যা আমাদের ভাষার চর্চা ও ব্যবহারে সহায়ক হতে পারে।

The post বাগধারা। বাংলা ব্যাকরণের গুরুত্বপূর্ন বাগধারার তালিকা। Bagdhara appeared first on My Classroom.

]]>
https://myclassroombd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%a3/feed/ 0 2061
ধাতু কি? ধাতু কত প্রকার ও কি কি? বাংলা ব্যকরণ। Class 6 to HSC https://myclassroombd.com/%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%81-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%a3/ https://myclassroombd.com/%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%81-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%a3/#respond Wed, 27 Nov 2024 02:23:14 +0000 https://myclassroombd.com/?p=2058 ধাতু: বাংলা ব্যাকরণের মূল উপাদান বাংলা ভাষার ব্যাকরণে ধাতু একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি ক্রিয়ার সেই মূল অংশ যা বাক্যে ক্রিয়ার ভাব প্রকাশের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। ধাতু থেকে ক্রিয়াপদ গঠিত হয় এবং এটি ব্যাকরণ ও বাক্য গঠনের একটি অপরিহার্য উপাদান। এখানে ধাতুর পরিচয়, প্রয়োজনীয়তা, শ্রেণিবিভাগ এবং বাংলা ভাষায় এর বিশদ বিশ্লেষণ তুলে ধরা হলো। …

The post ধাতু কি? ধাতু কত প্রকার ও কি কি? বাংলা ব্যকরণ। Class 6 to HSC appeared first on My Classroom.

]]>
ধাতু: বাংলা ব্যাকরণের মূল উপাদান

বাংলা ভাষার ব্যাকরণে ধাতু একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি ক্রিয়ার সেই মূল অংশ যা বাক্যে ক্রিয়ার ভাব প্রকাশের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। ধাতু থেকে ক্রিয়াপদ গঠিত হয় এবং এটি ব্যাকরণ ও বাক্য গঠনের একটি অপরিহার্য উপাদান। এখানে ধাতুর পরিচয়, প্রয়োজনীয়তা, শ্রেণিবিভাগ এবং বাংলা ভাষায় এর বিশদ বিশ্লেষণ তুলে ধরা হলো।


ধাতুর পরিচয়

ধাতু হলো ক্রিয়াপদের সেই মৌলিক অংশ যা কোনো বিভক্তি ছাড়া পাওয়া যায়। এটি মূলত ক্রিয়ার অর্থ প্রকাশ করে এবং বাক্যে ভাব প্রকাশের মূল ভিত্তি। যেমন: “পড়ছে” শব্দে “পড়” হলো ধাতু এবং “ছে” হলো বিভক্তি।

সংজ্ঞা:

ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তাঁর ‘ভাষাপ্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ’ গ্রন্থে বলেছেন:
“ক্রিয়াপদকে বিশ্লেষণ করিলে যে অবিভাজ্য মৌলিক অংশ পাওয়া যায়, যাহার দ্বারা ক্রিয়াপদের অন্তর্নিহিত ভাবটি মাত্র দ্যোতিত হয়, তাহাকে ক্রিয়া-প্রকৃতি বা ধাতু বলে।”

উদাহরণ:

  • পড়ছে = পড় + ছে
  • পড়ি = পড় + ই
  • পড়ব = পড় + ব
    প্রত্যেক ক্ষেত্রে “পড়” অংশটি ধাতু। ধাতুকে চিহ্নিত করতে √ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। যেমন: √পড়।

ধাতু শব্দটি বাংলা ভাষায় এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি, যা ছাড়া বাক্য সম্পূর্ণ হয় না। এটি ভাষার শক্তি এবং সৌন্দর্যের মূল অংশ।


ধাতুর প্রয়োজনীয়তা

১. বাক্য গঠনে ধাতুর ভূমিকা

ধাতু ছাড়া ক্রিয়াপদ তৈরি হয় না। বাক্য গঠনে ক্রিয়াপদের অপরিহার্যতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি বাক্যে সঠিক অর্থ প্রকাশের জন্য ক্রিয়াপদের সঠিক ব্যবহার আবশ্যক।

উদাহরণ:

  • “তুমি বই পড়ছ।”
    এখানে “পড়ছ” হলো ক্রিয়াপদ এবং “পড়” হলো এর ধাতু।

২. কৃদন্ত শব্দের গঠন

ধাতু কেবল ক্রিয়াপদ নয়, কৃদন্ত শব্দ তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ:

  • √কৃ → কৃত, কর্তব্য।
  • √বাঁধ → বাঁধন, বাধা।

৩. ভাষার পূর্ণতা

সমাপিকা ক্রিয়া ছাড়া বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না। ধাতু ক্রিয়া গঠনে সাহায্য করে এবং ভাষার পরিপূর্ণতা নিশ্চিত করে।

৪. ব্যাকরণগত নিয়মের ভিত্তি

ধাতু ভাষার ক্রিয়া সংক্রান্ত নিয়মের ভিত্তি। এটি বাংলা ভাষার ক্রিয়া এবং বাক্যের গঠনকে নিয়মতান্ত্রিক করে তোলে।


ধাতুর শ্রেণি বিভাগ

ধাতুর উৎপত্তি এবং প্রকৃতি অনুসারে এটিকে তিনটি প্রধান শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে:

১. মৌলিক ধাতু

যেসব ধাতুকে বিশ্লেষণ করা যায় না এবং যা মূল হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে মৌলিক ধাতু বলে।
উদাহরণ:

  • কর্, পড়্, দেখ্, চল্।
    এগুলোকে সিদ্ধ বা স্বয়ংসিদ্ধ ধাতু বলা হয়।

২. সাধিত ধাতু

মৌলিক ধাতুর সঙ্গে “আ” প্রত্যয় যোগ করে যে ধাতু গঠিত হয়, তাকে সাধিত ধাতু বলে।
উদাহরণ:

  • পড়্ + আ = পড়া।
  • ঘুম্ + আ = ঘুমা।

৩. সংযোগমূলক ধাতু

বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বনাত্মক শব্দের সঙ্গে ধাতু যোগ করে যে নতুন ধাতু তৈরি হয়, তাকে সংযোগমূলক ধাতু বলে।
উদাহরণ:

  • লজ্জা + কর = লজ্জাকর।
  • বড় + হ = বড় হ।

মৌলিক ধাতুর শ্রেণি বিভাগ

মৌলিক ধাতুকে আরও তিনটি উপশ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে:

১. বাংলা ধাতু

যেসব ধাতু প্রাকৃত ভাষা থেকে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলোকে বাংলা ধাতু বলে।
উদাহরণ:

  • আঁক, কাট, জান।

২. সংস্কৃত ধাতু

তৎসম ধাতু, যা সরাসরি সংস্কৃত থেকে এসেছে।
উদাহরণ:

  • কৃ, ধৃ, পঠ।
    তুলনামূলক উদাহরণ:
    | সংস্কৃত ধাতু | গঠিত পদ | বাংলা ধাতু | গঠিত পদ |
    |—————|————|————–|————|
    | কৃ | কৃত, কর্তব্য | কাট | কাটা |
    | পঠ | পঠন, পাঠ্য | পড় | পড়া |

৩. বিদেশি ধাতু

যেসব ধাতু বিদেশি ভাষা থেকে এসেছে।
উদাহরণ:

  • হিন্দি: খাট, ঝুল।
  • আরবি-ফারসি: ফির, চাহ।

সাধিত ধাতুর শ্রেণি বিভাগ

সাধিত ধাতুকে গঠনরীতি ও অর্থের ভিত্তিতে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে:

১. নামধাতু

বিশেষ্য বা বিশেষণের সঙ্গে “আ” যোগ করে যে ধাতু গঠিত হয়।
উদাহরণ:

  • ঘুম + আ = ঘুমা।
  • চমক + আ = চমকা।

২. প্রযোজক ধাতু

মৌলিক ধাতুর সঙ্গে প্রেরণা অর্থে “আ” যোগ করে গঠিত।
উদাহরণ:

  • পড়্ + আ = পড়া (পড়ানো)।
  • কর্ + আ = করা (করানো)।

৩. কর্মবাচ্যের ধাতু

কর্ম অনুসারে ক্রিয়ার ধাতু।
উদাহরণ:

  • খা + আ = খাওয়া।
  • দেখ্ + আ = দেখা।

সংযোগমূলক ধাতুর শ্রেণি বিভাগ

সংযোগমূলক ধাতু তৈরি হয় বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বনাত্মক শব্দের সঙ্গে ধাতু যুক্ত করার মাধ্যমে।

উদাহরণ:

  1. লজ্জা + কর = লজ্জাকর।
  2. বড় + হ = বড় হ।
  3. টের + পা = টের পা।

ধাতুর গণ

বাংলা ভাষার ধাতুকে বানানের ধরন অনুযায়ী ২০টি গণে ভাগ করা হয়েছে।

গণ নির্ধারণের ধাপ:

  1. ধাতুটি কয়টি অক্ষরে গঠিত।
  2. ধাতুর প্রথম বর্ণে কোন স্বরবর্ণ যুক্ত।

উদাহরণ:

  • হ-আদিগণ: হওয়া।
  • খা-আদিগণ: খাওয়া।
  • লাফা-আদিগণ: লাফানো।

বিভিন্ন ধাতুর গণ:

গণউদাহরণ
হ-আদিগণহওয়া
খা-আদিগণখাওয়া
উল্টা-আদিগণউল্টানো

উপসংহার

ধাতু বাংলা ভাষার একটি অপরিহার্য উপাদান। এটি ক্রিয়াপদ গঠনের মূল ভিত্তি এবং ভাষার গঠন ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। ধাতুর বিভিন্ন শ্রেণি এবং বৈচিত্র্য বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করেছে। সঠিকভাবে ধাতুর ব্যবহার ভাষার ভাব প্রকাশকে স্পষ্ট ও সুস্পষ্ট করে তোলে। ধাতুর উপর ভিত্তি করেই বাংলা ভাষা তার নিজস্ব গৌরব ও স্বকীয়তা বজায় রেখেছে।

The post ধাতু কি? ধাতু কত প্রকার ও কি কি? বাংলা ব্যকরণ। Class 6 to HSC appeared first on My Classroom.

]]>
https://myclassroombd.com/%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%81-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%a3/feed/ 0 2058
বিপরীত শব্দ কাকে বলে? চাকরি ও ভর্তি পরীক্ষা বিপরীত শব্দের তালিকা https://myclassroombd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a4-%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6/ https://myclassroombd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a4-%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6/#respond Tue, 26 Nov 2024 17:30:23 +0000 https://myclassroombd.com/?p=2057 বিপরীত শব্দের ব্লগ: বিপরীত শব্দ কি এবং কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ? বাংলা ভাষায় শব্দসমূহের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয় বিপরীত শব্দ। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, একটি শব্দের যে অর্থ হয় তার উল্টো অর্থ প্রকাশ করে যে শব্দ, তাকে বিপরীত শব্দ বলে। উদাহরণস্বরূপ, “আলো” শব্দের বিপরীত শব্দ হলো “অন্ধকার”, এবং “ভালো” শব্দের বিপরীত শব্দ হলো “খারাপ”। …

The post বিপরীত শব্দ কাকে বলে? চাকরি ও ভর্তি পরীক্ষা বিপরীত শব্দের তালিকা appeared first on My Classroom.

]]>
বিপরীত শব্দের ব্লগ: বিপরীত শব্দ কি এবং কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?

বাংলা ভাষায় শব্দসমূহের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয় বিপরীত শব্দ। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, একটি শব্দের যে অর্থ হয় তার উল্টো অর্থ প্রকাশ করে যে শব্দ, তাকে বিপরীত শব্দ বলে। উদাহরণস্বরূপ, “আলো” শব্দের বিপরীত শব্দ হলো “অন্ধকার”, এবং “ভালো” শব্দের বিপরীত শব্দ হলো “খারাপ”।

বিপরীত শব্দ কি?

বিপরীত শব্দ (Antonyms) এমন শব্দ, যা একটি শব্দের অর্থের সম্পূর্ণ বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষাগত উপাদান যা বাক্যকে আরও বোধগম্য এবং অর্থবহ করে তোলে।
উদাহরণ:

  • সুখ ↔ দুঃখ
  • দিন ↔ রাত
  • প্রাপ্তি ↔ হারানো

বিপরীত শব্দের গুরুত্ব

বিপরীত শব্দ শুধুমাত্র শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়, এটি যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। নিচে এর কয়েকটি গুরুত্ব তুলে ধরা হলো:

১. ভাষা সমৃদ্ধ করতে সহায়ক

বিপরীত শব্দ জানার মাধ্যমে আমরা আমাদের দৈনন্দিন কথোপকথন এবং লেখার শৈলীতে বৈচিত্র্য আনতে পারি। এটি ভাষা ব্যবহারের দক্ষতা বাড়ায়।

২. বাক্যের স্পষ্টতা বৃদ্ধি

বিপরীত শব্দের মাধ্যমে কোনো বিষয়ে দ্বন্দ্ব বা তুলনা প্রকাশ করা সহজ হয়। উদাহরণস্বরূপ, “আলো এবং অন্ধকারের পার্থক্য বোঝা”।

৩. শিক্ষা ও পরীক্ষার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়

বাংলা ব্যাকরণের পরীক্ষাগুলোতে বিপরীত শব্দ প্রায়শই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে থাকে। ছাত্রদের জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

৪. সাহিত্যিক রচনায় বিশেষ ভূমিকা

গল্প, কবিতা, বা প্রবন্ধ লেখার সময় বিপরীত শব্দের সঠিক ব্যবহার লেখার সৌন্দর্য বাড়ায়। এটি পাঠকের মনে গভীর প্রভাব ফেলে।

৫. বিশ্লেষণ ক্ষমতা বাড়ায়

বিপরীত শব্দ শেখার মাধ্যমে একটি বিষয়ের ভালো এবং খারাপ দিকগুলো বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা বাড়ে।

কিছু গুরুত্বপূর্ন বিপরীত শব্দাবলী

বিপরীত শব্দ (দুই কলামে)

শব্দবিপরীত শব্দ
অধমউত্তম
অধমর্ণউত্তমর্ণ
অনুকূলপ্রতিকূল
অনুরক্তবিরক্ত
অনুরাগবিরাগ
অন্তরবাহির
অন্তরঙ্গবহিরঙ্গ
অপ্রতিভসপ্রতিভ
অভিজ্ঞঅনভিজ্ঞ
অর্থঅনর্থ
অল্পঅধিক
অস্তিনাস্তি
আকর্ষণবিকর্ষণ
আচারঅনাচার
আত্মীয়অনাত্মীয়
আদানপ্রদান
আপনপর
আবশ্যকঅনাবশ্যক
আবির্ভাবতিরোভাব
আমদানিরপ্তানি
আয়ব্যয়
আশানিরাশা
আশুবিলম্ব
আস্তিকনাস্তিক
ধর্মঅধর্ম
ধৃষ্টনম্র
নিশ্চেষ্টসচেষ্ট
নিদ্রিতজাগ্রত
নিদাপ্রশংসা
পণ্ডসফল
পথবিপথ
পাপীনিষ্পাপ
পুষ্টক্ষীণ
পূর্বপশ্চিম
প্রত্যক্ষপরোক্ষ
প্রফুল্লবিমর্ষ
প্রবলদুর্বল
প্রভৃপ্রখরতা
ভৃত্যস্নিগ্ধতা
উৎকর্ষঅপকর্ষ
উৎকণ্ঠাশান্তি
উৎসাহনিরুৎসাহ
উত্তরদক্ষিণ
উত্থানপতন
উদয়অস্ত
উদ্দিষ্টউদাসীন
উন্নতিঅবনতি
উপসর্গউপস্থিত
উপশমবর্ধন
ঊর্ধ্বঅধ
এলোমেলোগোছানো
ওস্তাদসাগরেদ
কৃতজ্ঞঅকৃতজ্ঞ
কৃত্রিমস্বাভাবিক
উদারসংকীর্ণ
কেজোঅকেজো

বিপরীত শব্দ তালিকা

শব্দবিপরীত শব্দ
কোমলকঠোর
খাঁটিভেজাল
খাতকমহাজন
খানিকঅধিক
নিখুঁতঅসম্পূর্ণ
রসিকবেরসিক
রিক্তপূর্ণ
ভীরুনির্ভীক
ভূতভবিষ্যৎ
ভোঁতাধারালো
মানঅপমান
মিলনবিচ্ছেদ
মুখ্যগৌণ
প্রবলদুর্বল
মৌনমুখর
যাচিতঅযাচিত
যুক্তবিযুক্ত
রতবিরত
চালুবন্ধ
আস্থাঅনাস্থা
গণবর্জন
গ্রহণবর্জন
ঘাটতিবাড়তি
ঘাতপ্রতিঘাত
ঘাতকপালক
চেতনঅচেতন
জড়চেতন
জয়পরাজয়
জাগরণনিদ্রা
জোয়ারভাটা
জ্ঞানীমূর্খ
জ্ঞেয়অজ্ঞেয়
জ্বলননির্বাপণ
টাটকাবাসি
ঠকাজেতা
তফাতকাছে
তিরস্কারপুরস্কার
তেজীনিস্তেজ
তুরিতশ্লথ
দাতাগ্রহীতা
দীর্ঘহ্রস্ব
দুর্মতিসুমতি
দুষ্টশিষ্ট
দূরনিকট
দোষীনির্দোষ
ধনীদরিদ্র
সম্বলনিঃসম্বল

গুরুত্বপূর্ন বিপরীত শব্দ

শব্দবিপরীত শব্দ
সরবনীরব
সরসনীরস
সাকারনিরাকার
সাচ্চাভয়া
সার্থকব্যর্থ
সুকৃতদুষ্কৃত
সুন্দরকুৎসিত
সুবহদুর্বহ
প্রশংসানিন্দা
সুলভদুর্লভ
সুশীলদুঃশীল
সুশ্রীবিশ্রী
সৃষ্টিধ্বংস
প্রাচীপ্রতীচী
প্রাচ্যপ্রতীচ্য
বন্ধনমুক্তি
বলবানদুর্বল
বাউন্ডুলেসংসারী
বাচালস্বল্পভাষী
বাদীবিবাদী
বিচ্ছেদসন্ধি
বিশেষসামান্য
ব্যর্থসার্থক
ভয়সাহস
ভর্ৎসনাপ্রশংসা
ভিতরবাহির
ভিতবাহির
সাহসীভীতু
মূল শব্দবিপরীতার্থক শব্দ
অর্থীঅশান্তি
প্রত্যর্থীশান্তি/প্রশান্তি
অন্ননিরন্ন
অনুকূলপ্রতিকূল
অনুগ্রহনিগ্রহ
অপমানমান
অন্বয়ীঅনন্বয়ী
অবনতউন্নত
অলংকৃতঅনলংকৃত
অবনতিউন্নতি
অল্পতাআধিক্য
অহিংসসহিংস
অস্তগামীউদীয়মান
অস্তিনাস্তি
অর্পণপ্রত্যর্পণ
অক্ষমসক্ষম
অখ্যাতিখ্যাতি
অতিবৃষ্টিঅনাবৃষ্টি
অতীতভবিষ্যৎ
অর্থঅনর্থ
অদ্যকল্য
অবতরণউত্তরণ
অবসরঅনবসর
অবহিতঅনবহিত
রোগনীরোগ
লঘুগুরু
লাভক্ষতি
লেজমাথা
শিষ্টঅশিষ্ট
শীঘ্রবিলম্ব
সওয়ালাজবাব
সংহতবিভক্ত
সচেষ্টনিশ্চেষ্ট
সজীবনির্জীব

বিপরীত শব্দ pdf

শব্দবিপরীত শব্দ
সঞ্চয়অপচয়
সদয়নির্দয়
সম্ভাববিরোধ
সমস্তঅংশ
স্থাবরঅস্থাবর
স্থিরচঞ্চল
স্বনামেবেনামে
স্ববাসপ্রবাস
স্বমতপরমত
স্মৃতিবিস্মৃতি
হকনাহক
হরণপূরণ
হরদমহঠাৎ
হারজিত
হালসাবেক
হালকাভারী
হ্রাসবৃদ্ধি
অনাবিলআবিল
অনুরোধপ্রত্যাখ্যান
অন্তর্বাসবহির্বাস
অনুজঅগ্রজ
অনুমেয়অননুমেয়
অনুমোদিতঅননুমোদিত
অনুরক্তবিরক্ত
অনুরাগবিরাগ
অনুরাগীবিরাগী
অনুলোমপ্রতিলোম
অনেকঅল্প
অন্তরেবাহিরে
অন্তঃবহিঃ
অসীমসসীম
অমৃতগরল
অর্জনবর্জন
অর্পণগ্রহণ
অশনঅনশন
আক্রমণপ্রতিরক্ষা
আগতঅনাগত
আগাগোড়া
আগ্রহঅনাগ্রহ
আত্মআত্মীয়
পরঅনাত্মীয়
আদরঅনাদর

বিপরীত শব্দ বাংলা

শব্দবিপরীত শব্দ
উঠন্তপড়ন্ত
উৎকর্ষঅপকর্ষ
উৎকৃষ্টঅপকৃষ্ট
উত্রাইচড়াই
উত্তমঅধম
উত্তরদক্ষিণ
উত্তরণঅবতরণ
উত্থানপতন
উত্তলঅবতল
উন্নীতঅবনমিত
উৎপত্তিবিনাশ
উৎকণ্ঠাস্বস্তি
উপগতঅপগত
উসুলমাসুল
উৎপত্তিবিনাশ
ঊর্ধ্বতনঅধস্তন
ঊর্ধ্বঅধঃ
ঊষরউর্বর
উহ্যস্পষ্ট
ঊষাসন্ধ্যা
ঋদ্ধিঅবনতি
ঋতিগতিহীন
ঋণীদাতা
ঋজুবক
এঁড়েবকনা
একবহু
একালসেকাল
এখনতখন
একপাওপা
এইসেই
একলানত
এখানেসেখানে
ঐকমত্যমতভেদ
ঐকাঅনৈক্য, বিভেদ
ঐচ্ছিকআবশ্যিক
ঐশ্বর্যদারিদ্রা
ঐহিকপারত্রিক
নামা, বসাওস্তাদ
ওলটসাগরেদ
পালটওলট
ঐচিত্যঅনৌচিত্য
ঐশ্বর্যদারিদ্রা
আনন্দবিষাদ
উত্তীর্ণঅনুত্তীর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ

শব্দবিপরীত শব্দ
কুলীনঅন্ত্যজ
কটমিষ্ট
কর্মঠঅকর্মণ্য
কলুষপুণ্য
কল্পনাবাস্তব
কল্যাণঅকল্যাণ
কাঁচাপাকা
কাছেদূরে
কাজবিশ্রাম
কারণেঅকারণে
কার্যকারণ
কার্যকরঅকার্যকর
সুকূ
অকূলকূল
কুঞ্চনপ্রসারণ
কটিলসরল
কুৎসাপ্রশংসা
কুরুচিসুরুচি
কথিতঅকথিত
কদাচারসদাচার
কনিষ্ঠজ্যেষ্ঠ
কপটঅকপট
কৃপণবদান্য
কৃশস্থূল
কৃশাঙ্গীস্থূলাঙ্গী
কৃষ্ণশুভ্র
কেজোঅকেজো
ক্রন্দনহাস্য
ক্রয়বিক্রয়
ক্রেতাবিক্রেতা
ক্রোধপ্রীতি
ক্ষণস্থায়ীদীর্ঘস্থায়ী
ক্ষতিলাভ
বৃদ্ধিক্ষুদ্র
ক্ষমাশাস্তি
ক্ষিপ্তপ্রকৃতিস্থ
ক্ষীণপুষ্ট
ক্ষুদ্রবৃহৎ
ক্ষুদ্রতমবৃহত্তম
খাদ্যঅখাদ্য
খানিকঅধিক

বিপরীত শব্দ অর্থ

শব্দবিপরীত শব্দ
খাঁটিভেজাল
খণ্ডঅখণ্ড
পুচরাখোলা
খ্যাতিঅখ্যাতি
গণ্যঅগণ্য
গভীরঅগভীর
পাইকারিঅল্প
ঢাকাখোলা
অখুশিখুশি
গণাঅগণনা
পাতলাঘন
গরিমাঅগরিমা
লখিমাঅপলকিমা
পরিষ্ঠনিকৃষ্ট
দোখসুখ
ভাগদান
শিখা, ঘুনিকট
গৃহীসন্ন্যাসী
গোপনপ্রকাশ
গৌণমুখ্য
গৌরবঅগৌরব
গ্রহণীয়বর্জনীয়
গ্রাম্যশহুরে
গ্রাহ্যঅগ্রাহ্য
গঞ্জনাপ্রশংসা
গতঅনাগত
গতিস্থিতি
গদ্যপদ্য
ঘাতপ্রতিঘাত
ঘাতকপালক
ঘরেবাইরে
ঘনতরল
ঘটনঅঘটন
ঘূণিতসমাদৃত
ঘুমন্তজাগ্রত
সঞ্চয়, চয়অপচয়
চালাকবোকা
চালুঅচল
চপলগম্ভীর
চলিতস্থিত
সাধুচতুর
চড়াইউতরাই
চিন্ময়অচেতন
চতুরনির্দোষ
মৃন্ময়অদৃশ্য
চেতনঅচেতন
চোখাভোঁতা
চোরসাধু
চেলাওস্তাদ
চিকনমোটা
চিরকালক্ষণকাল
চলঅচল
চ্যুতঅচ্যুত
চূর্ণঅচূর্ণ
গম্ভীর / শান্তচটুল
ছায়াআলো
ছেলেমেয়ে
ছেঁড়াসঁচা
ছানাকাঁচা
ধাড়িনির্দিষ্ট
ছাদমেঝে
ছোটবড়
ছাড়াধরা
ছেলেবুড়ো
ছোকরাবুড়ো
জোরকমজোর
জালিয়াতসজ্জন
জ্বলানেভা

বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা বিপরীত শব্দ

শব্দবিপরীত শব্দ
জ্ঞানঅজ্ঞান
জলচরস্থলচর
জেতাহারা / ঠকা
জ্যোতিঅন্ধকার
জারণবিজারণ
জ্যেষ্ঠকনিষ্ঠ
ঝালমিষ্টি
ঝিবেটা, চাকর
ঝাপসাপরিষ্কার
ঝঞ্ঝাটনির্ঝঞ্ঝাট
টিমটিমজ্বলজ্বন
টগবগেমেদা
টিলাখন্দ
টানাপড়েন
টকমিষ্টি
টাটকাবাসি
টিমটিমেজ্বলজ্বলে
ঠিকবেঠিক
ঠিকাস্থায়ী
ঠকাজেতা
ঠাণ্ডাগরম
ঠগসাধু
ঠুনকোমজবুত
ডানপিটেশান্ত
ডরসাহস
ডাঙাজল
ডগমগমনমরা
ডানবাম
ডাগরছোট
ডুবন্তভাসন্ত
ঢালুসমতল / সমান / উঁচু
ঢেরঅল্প
ঢাকাখোলা
ঢেঙাখাটো
ঢোলাআঁটসাঁট
ঢাসাহাল্কা
তপ্তশীতল
তরলকঠিন
তরুণবৃদ্ধ
তখনএখন
ততযত
তন্ময়মন্ময়
তস্করসাধু
তাজাবাসি
তাপশৈত্য
তারুণ্যবার্ধক্য
তীক্ষ্মমৃদু
তলনীয়অষ্ট
অতুলনীয়তুলনীয়
রুষ্টতেজি
তমলশ্লথ
ত্যাগগ্রহণ

বিপরীত শব্দ মাই ক্লাসরুম

বিপরীত শব্দ (দুই কলামে)

শব্দবিপরীত শব্দ
ত্যাজ্যগ্রাহ্য
তথাযথা
তত্ত্বপ্রয়োগ
তরুণবৃদ্ধ
তফাতকাছে
ত্রাসসাহস
তদ্রূপযদৃপ
তদীয়মদীয়
তিক্তমধুর
তীব্রমৃদু
তালাচাবি
ত্রুটিত্রুটিহীন
থেঁতোআস্ত
থিরঅথির (অস্থির)
থোড়াজিয়াদা / বহুত
থাকাযাওয়া
থোকা থোকাএকটা একটা
দখল
দখলবেদখল
দণ্ডপুরস্কার
দক্ষঅদক্ষ
দমনপ্রশ্রয়
দয়ালুনির্দয়
দাতাগ্রহীতা
দামিসস্তা
দুরন্তশান্ত
দর্জনসুজন
দিবসরজনী
দিবাকরনিশাকর
দীর্ঘায়ুস্বল্পায়ু
দরিদ্রধনী
দিনদুর্যোগ
দুর্বারদুর্বল
দুর্বুদ্ধিদুর্মতি
দুর্লভরাত্রি
সুদিনসুযোগ
সুবুদ্ধিসুমতি
দুষ্কৃতিসুলভ
সুকৃতিসুচিত

বিপরীত শব্দ লেখো

শব্দবিপরীত শব্দ
নিকটদূর
দেশিবিদেশি
দৃশ্যঅদৃশ্য
দেনাপাওনা
দোষগুণ
দোষীনির্দোষ
দ্বিতীয়অদ্বিতীয়
দ্বিধানির্দ্বিধা
দ্বৈতঅদ্বৈত
দ্যুলোকভূলোক
দ্রুতমন্থর
দঃশীলসুশীল
দোস্তদুশমন
দেয়নাপাওনা
দ্বিধানির্দ্বিধা
দোষগুণ
দুরূহসহজ
দাসপ্ৰভু
দক্ষঅদক্ষ
দীর্ঘহ্রস্ব
দাবিদলীয়
ছাড়নির্দলীয়
দৃশ্যদীন
দেশদুর্ভাগ্য
দৈবদুরাচার
দেবধবল
ধর্মঅদৃশ্য
ধনীবিদেশ
সৌভাগ্যদুর্দৈব
সদাচারদৈত্য
শ্যামল, কৃষ্ণঅধর্ম
ধনীধনিক
ধর্মিকধীর
ধারালোভোঁতা
দরিদ্র, নির্ধনশ্রমিক
অধার্মিক, পাপিষ্ঠঅধীর
ধৃতমুক্ত
ধরাধ্রুব
অধরাঅধুব
ধীরগতিদ্রুতগতি
ধুপ (রৌদ্র)ছায়া
ধেড়েকচি
ধূর্তসরল / বোকা
ধাত্রীধাতা
ধোয়াআধোয়া
নিরাপদবিপন্ন
নিষেধআদেশ
নিজস্বপরস্ব
নগরগ্রাম
নির্বাকসবাক
নিরবয়বসাবয়ব
নিয়তবিরত
নিরবকাশসাবকাশ

বিপরীতার্থক শব্দ/ বিপরীত শব্দ

বিপরীত শব্দ (দুই কলামে)

শব্দবিপরীত শব্দ
নকলআসল
নির্মলপঙ্কিল / সমল
নবীনপ্রবীণ
নরনারী
নরমশক্ত, কড়া
নশ্বরঅবিনশ্বর
নানাএক
নাবালকসাবালক
নামাওঠা
নির্মীলিতউন্মীলিত
নাস্তিকআস্তিক
নিঃশ্বাসপ্রশ্বাস
নিঃশেষঅনিঃশেষ
নিকৃষ্টউৎকৃষ্ট
নিন্দিতনন্দিত
নিদ্রাজাগরণ
নিন্দাপ্ৰশংসা
নিয়ন্ত্রিতঅনিয়ন্ত্রিত
নিয়মঅনিয়ম
নিয়োগবরখাস্ত
নিগ্রহঅনুগ্রহ
নিরক্ষরসাক্ষর
নিরতবিরত
নিরপেক্ষসাপেক্ষ
নিরবলম্বস্বাবলম্ব
নিরর্থকসার্থক
নিরস্ত্রসশস্ত্ৰ
নিরাকারসাকার
নিরাশ্রয়সাশ্রয়
নিরীহদুর্দান্ত
পুরোনোনতুন
প্রবিষ্টপ্রতিষ্ঠিত
পাশ্চাত্যপ্রাচ্য
পুরোভাগপশ্চাদ্‌ভাগ
পড়তিউঠতি
প্ৰসাদরোষ
প্রশস্তিনিন্দা
পছন্দঅপছন্দ
পটঅপট

বিপরীত শব্দ meaning in english

বিপরীত শব্দ (দুই কলামে)

শব্দবিপরীত শব্দ
পড়াওঠা
পণ্ডিতমূর্খ
পত্নীপতি
পতনউত্থান
পথবিপথ
পবিত্রঅপবিত্র
পরকীয়স্বকীয়
পরার্থস্বার্থ
পরিকল্পিতঅপরিকল্পিত
পরিচিতঅপরিচিত
পরিত্যক্তগৃহীত
প্রলয়সৃষ্টি
পূর্ণশূন্য
প্রতীচীপ্রাচী
পূর্ণিমাঅমাবস্যা
প্রশান্তিঅশান্তি
পূর্বপশ্চিম
পূর্ববর্তীপরবর্তী
পূর্বসূরিউত্তরসূরি
পূর্বাহ্ণঅপরাহ্ণ
প্রবেশপ্রস্থান
প্ৰভুপ্রবীণ
প্রশান্তঅশান্ত
প্রীতিঈর্ষা
ভৃত্যনবীন
অশান্তপ্রশান্ত
নিন্দা, কুৎসাপ্ৰশংসা
প্রশ্নউত্তর
প্রসন্নবিষণ্ণ
প্রসারণসংকোচন
ফরসাকালো
ফলনিষ্ফল

বিপরীত শব্দ বাংলা

শব্দবিপরীত শব্দ
ফকিরআমির
ফরিয়াদিআসামি
ফুটন্তঠাণ্ডা
ফেলপাস
ফলন্তনিষ্ফলা
ফলবাননিষ্ফল
ফাঁপানিরেট
বার্ধক্যবাল্য
বৃহৎক্ষুদ্র
ভালোবদ
বিসর্জন / বিদায়বরণ
বহুলবিরল
বাদলাশুকনা
বঙ্কিমঋজ
বিজয়ীবিজিত
বড়ছোট
বেচাকেনা
বহির্দৃষ্টিঅন্তর্দৃষ্টি
বেশীকম
বিমলসমল
বাহিরভিতর
বর্জনগ্রহণ
বিপদনিরাপদ

গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ

বিপরীত শব্দ (দুই কলামে)

শব্দবিপরীত শব্দ
বারিঅগ্নি
বিশালক্ষুদ্র
বাঁকাসোজা
বরখাস্তবহাল
বক্তাশ্রোতা
বন্দনাগঞ্জনা
বন্দিমুক্ত
বন্ধুশত্রু
বিষণ্ণপ্রসন্ন
বন্ধুতাশত্রুতা
বর্ধিষ্ণুক্ষয়িষ্ণু
বলিষ্ঠদুর্বলতম
বহির্ভূতঅন্তর্ভূত
বিজ্ঞঅজ্ঞ, অনবিজ্ঞ
বিজনসজন
বক্রঋজু
বিতর্কিততর্কাতীত
বিদ্বানমূর্খ
বিদ্যমানঅন্তর্হিত
বিসর্জনগ্রহণ
বিধিনিষেধ
বিনয়ঔদ্ধত্য
বিনীতউদ্ধত
বিপথসুপথ
বিপন্ননিরাপদ
বিপন্নতানিরাপত্তা
বিকল্পঅবিকল্প
বিফলসফল
বিফলতাসফলতা
বিয়োগযোগ
বিরক্তঅনুরক্ত
বিবাদসুবাদ
বিধবাসধবা

বিপরীত শব্দ অর্থ

শব্দবিপরীত শব্দ
ফকিরআমির
ফরিয়াদিআসামি
ফুটন্তঠাণ্ডা
ফেলপাস
ফলন্তনিষ্ফলা
ফলবাননিষ্ফল
ফাঁপানিরেট
বার্ধক্যবাল্য
বৃহৎক্ষুদ্র
ভালোবদ
বিসর্জন / বিদায়বরণ
বহুলবিরল
বাদলাশুকনা
বঙ্কিমঋজু
বিজয়ীবিজিত
বড়ছোট
বেচাকেনা
বহির্দৃষ্টিঅন্তর্দৃষ্টি
বেশিকম
বিমলসমল
বাহিরভিতর
বর্জনগ্রহণ
বিপদনিরাপদ
বারিঅগ্নি
বিশালক্ষুদ্র
বাঁকাসোজা
বরখাস্তবহাল
বক্তাশ্রোতা
বন্দনাগঞ্জনা
বন্দিমুক্ত
বন্ধুশত্রু
বিষণ্ণপ্রসন্ন
বন্ধুতাশত্রুতা
বর্ধিষ্ণুক্ষয়িষ্ণু
বলিষ্ঠদুর্বলতম
বহির্ভূতঅন্তর্ভূত
বিজ্ঞঅজ্ঞ, অনবিজ্ঞ
বিজনসজন
বক্রঋজু

বিপরীত শব্দ তালিকা

শব্দবিপরীত শব্দ
বিতর্কিততর্কাতীত
বিদ্বানমূর্খ
বিদ্যমানঅন্তর্হিত
বিসর্জনগ্রহণ
বিধিনিষেধ
বিনয়ঔদ্ধত্য
বিনীতউদ্ধত
বিপথসুপথ
বিপন্ননিরাপদ
বিপন্নতানিরাপত্তা
বিকল্পঅবিকল্প
বিফলসফল
বিফলতাসফলতা
বিয়োগযোগ
বিরক্তঅনুরক্ত
বিবাদসুবাদ
বিধবাসধবা
বিলম্বিতদ্রুত
ভৃত্যপ্ৰভু
ভোরসাঁঝ
ভীতুসাহসী
ভয়সাহস
ভদ্রঅভদ্র
ভর্ৎসনাপ্রশংসা
ভাসাডোবা
ভিতরবাহির
ভিত্তিউপকাঠামো
ভাটাজোয়ার
ভাঙাভালো
ভিন্নঅভিন্ন
গড়ামন্দ
ভীরুনির্ভীক
ভুলনির্ভুল, শুদ্ধ
মিত্রতা / মৈত্রীশত্রুতা
মন্থরদ্রুত / ত্বরিত
মারাআদর করা
মধুরকটু / তিক্ত
মাখাআমাখা
মত্তনির্লিপ্ত
মন্দভালো
মঞ্জুরনামঞ্জুর
মহাপ্রাণঅল্পপ্রাণ
মসৃণঅমসৃণ
মহৎনীচ
মানানসইবেমানান
মান্যঅমান্য
মিঠাতিতা

চাকরি পরীক্ষার জন্য বিপরীত শব্দ

বিপরীত শব্দ (দুই কলামে)

শব্দবিপরীত শব্দ
মিতব্যয়ীঅমিতব্যয়ী
মিথ্যাসত্য
মিলগরমিল, অমিল
মিলনবিরহ
বন্দিমুক্ত
মুখরমৌনী
যতিयजिदीन
যাদৃশতাদৃশ
যখনতখন
যাবৎতাবৎ
যজমানপুরোহিত
যৌথএকক
যোগকযাওয়া
যুক্তযশ
যশবিপযশ
যুগলএকক
যুদ্ধশান্তি
যোগবিয়োগ
যোগ্যঅযোগ্য
যোগনবিয়োজন
যৌথএকক
রদ
চালুবন্ধ
রাতদিন
রসালশুকনো
রসিকবেরসিক
রাগবিরাগ
রাজাপ্রজা
রিক্তপূর্ণ
রুগণসুস্থ
বুদ্ধমুক্ত
রুষ্টতষ্ট
লওয়াদেবা
লগ্নদেওয়া
লেখকপাঠক
লক্ষ্মীঅলক্ষ্মী
লক্ষ্যঅলক্ষ্য
লিপ্সাবিরাগ
লেশযথেষ্ট
লঘিষ্ঠগরিষ্ঠ
লবহর
লাজুকনির্লজ্জ
শান্তিঅশান্তি
শিবঅশিব
শক্তিদুর্বলতা
শিশুবৃদ্ধ
শেষশুরু
শীর্ণস্থূল
শুচিঅশুচি
শুদ্ধঅশুদ্ধ
শুভ্রশ্যামল
শীর্ণস্থুল
শূন্যপূর্ণ
শ্বাসপ্রশ্বাস
শ্বেতকায়কৃষ্ণকায়
শোকআনন্দ, হর্ষ
শোভনঅশোভন
ষণ্ডাষাঁড়
দুর্বলগাভি / গাই
সমীচীনঅসমীচীন
স্থিরচঞ্চল
সুখদুঃখ
সুখ্যাতিনিন্দা / কুখ্যাতি
সাদাকালো
দামিসস্তা
সাহসিকতাভীরুতা
সন্নিকৃষ্টবিপ্রকৃষ্ট
অস্পৃশ্যস্পৃশ্য
সাহসভয় / ভীতি
সম্প্রসারণসংকোচন

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা বিপরীত শব্দ

শব্দবিপরীত শব্দ
স্বচ্ছঅস্বচ্ছ
সরসনীরস
সংযোজনবিয়োজন
সিধাউন্টা
সংকুচিতপ্রসারিত
সংক্ষিপ্তবিস্তৃত
সংগতঅসংগত
সংযতঅসংযত
সংযমঅসংযম
সংযুক্তবিজুক্ত
সংযোগবিয়োগ
সংশ্লিষ্টবিশ্লিষ্ট
সংশ্লেষণবিশ্লেষণ
সংস্কৃতিঅপসংস্কৃতি
সংহতবিভক্ত
সকর্মকঅকর্মক
সকালবিকাল
সুপ্তলুপ্ত
সক্রিয়নিষ্ক্রিয়
সক্ষমঅক্ষম
সচরাচরসচল
কদাচিৎনিশ্চল
সচেতনঅচেতন
সচেষ্টনিশ্চেষ্ট
সাকারনিরাকার

গুরুত্বপূর্ন বিপরীত শব্দ

শব্দবিপরীত শব্দ
সচ্চরিত্রদুশ্চরিত্র
শব্দতঅসব্দত
সচ্ছলঅসচ্ছল
সজ্ঞানঅজ্ঞান
সঞ্জয়অপচয়
সঠিকবেঠিক
সজাগনিদ্রিত
সজীবনির্জীব
সজ্জনদুর্জন
সতর্কঅসতর্ক
সতীঅসতী
সতরধীরে
সন্ধ্যাসকাল
সন্নিধানব্যবধান
সঠিকবেঠিক
প্রতিভঅপ্রতিভ
সফলবিফল
সুবলদুর্বল
নির্বাকসজীব
সমতলবন্ধুর
সমবেতছত্রভঙ্গ
সমষ্টিব্যষ্টি
সমাপিকাঅসমাপিকা
সমাপ্তঅসমাপ্ত
আরম্ভশেষ
সমার্থকভিন্নার্থক
সম্পদবিপদ
সম্মুখেপশ্চাতে
সরকারিবেসরকারি
সরবনীরব
সর্বোচ্চসর্বনিম্ন
সলজ্জনির্লজ্জ
সরসনীরস
মোটাচিকন
সরবতানীরবতা
সরলকুটিল
সহযোগঅসহযোগ
সহযোগীপ্রতিযোগী
সহিষ্ণুঅসহিষ্ণু
সশস্ত্ৰনিরস্ত্র
সসীমঅসীম
সাবালিকানাবালিকা
সাম্প্রদায়িকঅসাম্প্রদায়িক
সাম্যবৈষম্য
সারঅসার
সার্থকনিরার্থক
সাহসীভীর
সিক্তশুকনো
সুখীদুঃখী

পরীক্ষা প্রস্তুতি বিপরীত শব্দ

শব্দবিপরীত শব্দ
সুজনকুজন
সুগমদুর্গম
সুন্দরকুৎসিত
সুদর্শনকুদর্শন
সুবহদুর্বহ
স্পষ্টঅস্পষ্ট
স্বাধীনপরাধীন
সোজাউন্টা, বাঁকা
সৌভাগ্যবানহতভাগ্য
সৌরমাসচান্দ্রমাস
সৌম্যকরাল/উগ্র
স্তাবকনিন্দুক
স্মৃতিনিন্দা
স্থাবরঅস্থাবর
স্থলভাগজলভাগ
হালসাবেক
হালকাভারী
হাসিকান্না
হর্ষবিষাদ
হাজিরগরহাজির
হারজিত
হৃদ্যতাকপটতা
হকনাহক
হতবুদ্ধিস্থিতবুদ্ধি
হরণপূরণ
হইচইনীরব/শান্ত

শেষকথা:

বিপরীত শব্দ (Antonyms) বাংলা ভাষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে জরুরি। বিশেষ করে বাংলা ২য় পত্র পরীক্ষা, সরকারি ও বেসরকারি চাকরি পরীক্ষার জন্য বিপরীত শব্দের তালিকা জানাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য বিপরীত শব্দ বাংলা ভালোভাবে শিখে রাখা উচিত। এগুলি ছাত্রদের ভাষাগত দক্ষতা বৃদ্ধি করে এবং ভাষার ব্যবহারকে আরও সমৃদ্ধ করে।

বিপরীত শব্দের অর্থ বা meaning in English বোঝার মাধ্যমে ভাষা শিখতে সহায়ক হয়, বিশেষত যারা ইংরেজি ও বাংলা ভাষায় দক্ষ হতে চান। এসব শব্দ বিপরীত শব্দ pdf আকারে সংকলন করা হলে, সেগুলি পুনরায় দেখে পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়া সম্ভব। গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ সম্পর্কিত তালিকা তৈরি করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রস্তুতি আরও ভালোভাবে সাজাতে পারে।

এছাড়াও, ছোটদের জন্য বিপরীত শব্দ শেখানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি তাদের চিন্তার গভীরতা ও ভাষার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করে। ফলে, বিপরীত শব্দ লেখো এই ধরনের অনুশীলন শিক্ষার্থীদের দ্রুত সঠিক উত্তর লেখার দক্ষতা প্রদান করবে।

শেষে, বিপরীত শব্দ বাংলা অধ্যয়ন করা শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষার এক গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ, যা তাদের বুদ্ধিমত্তা ও ভাষাগত ক্ষমতা উন্নত করতে সাহায্য করে।

The post বিপরীত শব্দ কাকে বলে? চাকরি ও ভর্তি পরীক্ষা বিপরীত শব্দের তালিকা appeared first on My Classroom.

]]>
https://myclassroombd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a4-%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6/feed/ 0 2057
কারক কাকে বলে? কারক নির্ণয় উদাহরন। কারক চেনার উপায় https://myclassroombd.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%95-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%af/ https://myclassroombd.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%95-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%af/#respond Sat, 23 Nov 2024 04:03:03 +0000 https://myclassroombd.com/?p=1987 কারক কাকে বলে? মূলত ক্রিয়ার সঙ্গে বাক্যের বিশেষ্য ও সর্বনামের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে। কারক সম্পর্ক বোঝাতে বিশেষ্য ও সর্বনামের সঙ্গে সাধারণত বিভক্তি ও অনুসর্গ যুক্ত হয়ে থাকে। কারক কত প্রকার ও কি কি? ১. কর্তৃকারক২. কর্মকারক৩. করণ কারক৪. সম্প্রদান কারক৫. অপাদান কারক৬. অধিকরণ কারক কারকের সংজ্ঞা বিস্তারিত কারক হলো বাক্যে ক্রিয়ার সঙ্গে সম্বন্ধযুক্ত …

The post কারক কাকে বলে? কারক নির্ণয় উদাহরন। কারক চেনার উপায় appeared first on My Classroom.

]]>
কারক কাকে বলে?

মূলত ক্রিয়ার সঙ্গে বাক্যের বিশেষ্য ও সর্বনামের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে। কারক সম্পর্ক বোঝাতে বিশেষ্য ও সর্বনামের সঙ্গে সাধারণত বিভক্তি ও অনুসর্গ যুক্ত হয়ে থাকে।

কারক কত প্রকার ও কি কি?

১. কর্তৃকারক
২. কর্মকারক
৩. করণ কারক
৪. সম্প্রদান কারক
৫. অপাদান কারক
৬. অধিকরণ কারক


কারকের সংজ্ঞা বিস্তারিত

কারক হলো বাক্যে ক্রিয়ার সঙ্গে সম্বন্ধযুক্ত শব্দ। পদগুলো ক্রিয়াপদের সাথে সম্পর্ক সৃষ্টি করতে পারলেই তারা কারক হয়।

সংজ্ঞা:
‘কারক’ শব্দের অর্থ হলো, যা ক্রিয়া সম্পাদন করে। ক্রিয়াপদের সঙ্গে বাক্যস্থিত বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের অন্বয় বা সম্পর্ককে কারক বলে।

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বলেছেন:

“ক্রিয়ার সহিত যে পদের কোন অন্বয় থাকে, তাহাকে কারক বলে।”

ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বলেন:

“বাক্যের অন্তর্গত ক্রিয়া-পদের সহিত নাম-পদের বা বিশেষ্যের অন্বয় বা সম্বন্ধকে, সংস্কৃত ব্যাকরণকারগণের মতে, কারক (Case) বলে।”


কারক সম্পর্কের বিশ্লেষণ

বাক্যে ক্রিয়ার সঙ্গে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের বিভিন্ন সম্পর্ক থাকে। উদাহরণস্বরূপ:
বাক্য:
“সম্রাট আকবর প্রতি শুক্রবার কোষাগার থেকে নিজ হাতে দরিদ্রদের অর্থ ও বস্ত্র দিতেন।”

ক্রিয়াপদ: দিতেন
ক্রিয়াপদকে প্রশ্ন করে বিভিন্ন কারক সম্পর্ক পাওয়া যায়:

কারক নির্ণয় উদাহরন

প্রশ্নউত্তরকারক সম্পর্ক
কে দিতেন?সম্রাট আকবরকর্তৃকারক
কী দিতেন?অর্থ ও বস্ত্রকর্মকারক
কিসের দ্বারা দিতেন?নিজ হাতেকরণ কারক
কাদের দিতেন?দরিদ্রদেরসম্প্রদান কারক
কোথা থেকে দিতেন?কোষাগার থেকেঅপাদান কারক
কখন দিতেন?প্রতি শুক্রবারঅধিকরণ কারক

কর্তা কারক

ক্রিয়া যার দ্বারা সম্পাদিত হয়, তাকে কর্তা কারক বলে। বাক্যের কর্তা বা উদ্দেশ্যই কর্তা কারক। কর্তা কারক সাধারণত বিভক্তি যুক্ত হয় না।
উদাহরণ:

  • আমরা নদীর ঘাট থেকে রিকশা নিয়েছিলাম।
  • অনেকগুলো বন্য হাতি বাগান নষ্ট করে দিল।

কর্তা কারকে কখনো কখনো -এ বিভক্তি যুক্ত হয়।
উদাহরণ:

  • পাগলে কিনা বলে, ছাগলে কিনা খায়।

কর্ম কারক

যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে কর্ম কারক বলে। বাক্যের মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম উভয় ধরনের কর্মই কর্ম কারক হিসেবে গণ্য হয়। সাধারণত মুখ্য কর্ম কারকে বিভক্তি হয় না, তবে গৌণ কর্ম কারকে ‘-কে’ বিভক্তি হয়।
উদাহরণ:

  • সে রোজ সকালে এক প্লেট ভাত খায়।
  • শিক্ষককে জানাও।
  • অসহায়কে সাহায্য করো।

কাব্যভাষায় কর্ম কারকে ‘-রে’ বিভক্তি হয়।
উদাহরণ:

  • আমারে তুমি করিবে ত্রাণ এ নহে মোর প্রার্থনা।

করণ কারক

যার দ্বারা বা যে উপায়ে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে করণ কারক বলে। এই কারকে সাধারণত ‘দ্বারা’, ‘দিয়ে’, ‘কর্তৃক’ ইত্যাদি অনুসর্গ যুক্ত হয়।
উদাহরণ:

  • ভেড়া দিয়ে চাষ করা সম্ভব নয়।
  • চাষিরা ধারালো কাস্তে দিয়ে ধান কাটছে।

অপাদান কারক

যে কারকে ক্রিয়ার উৎস নির্দেশ করা হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। এই কারকে সাধারণত ‘হতে’, ‘থেকে’ ইত্যাদি অনুসর্গ শব্দের পরে বসে।
উদাহরণ:

  • জমি থেকে ফসল পাই।
  • কাপটা উঁচু টেবিল থেকে পড়ে ভেঙে গেল।

অধিকরণ কারক

যে কারকে স্থান, কাল, বিষয় ও ভাব নির্দেশিত হয়, তাকে অধিকরণ কারক বলে। এই কারকে সাধারণত ‘-এ’, ‘-য়’, ‘-তে’ ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়।
উদাহরণ:

  • বাবা বাড়িতে আছেন।
  • বিকাল পাঁচটায় অফিস ছুটি হবে।
  • রাজীব বাংলা ব্যাকরণে ভালো।

সম্বন্ধ কারক

যে কারকে বিশেষ্য ও সর্বনামের সঙ্গে বিশেষ্য ও সর্বনামের সম্পর্ক নির্দেশিত হয়, তাকে সম্বন্ধ কারক বলে। এই কারকে ক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক পরোক্ষ। এই কারকে শব্দের সঙ্গে ‘-র’, ‘-এর’, ‘-য়ের’, ‘-কার’, ‘কের’ ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়।
উদাহরণ:

  • ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না।
  • আমার জামার বোতামগুলো একটু অন্য রকম।
  • তখনকার দিনে পায়ে হেঁটে চলতে হতো মাইলের পর মাইল।

কারক নির্ণয় গুরুত্বপূর্ন নিয়ম

  1. অপ্রাণিবাচক শব্দের শেষে ‘কে’ বা ‘রে’ বিভক্তি যোগ না হয়ে শূন্য (০) বিভক্তি হয়।
    উদাহরণ: বই দাও।
  2. স্বরান্ত শব্দের পরে ‘এ’ বিভক্তির রূপ হয় ‘য়’ বা ‘য়ে’। ‘এ’ স্থানে ‘তে’ বিভক্তিও যোগ হতে পারে।
    উদাহরণ:
    • গাঁ + এ = গাঁয়ে
    • ঘোড়া + এ = ঘোড়ায়
    • বাড়ি + তে = বাড়িতে
  3. অ-কারান্ত ও ব্যঞ্জনান্ত শব্দের পরে প্রায়ই প্রথমায় ‘রা’ স্থানে ‘এরা’ হয় এবং ষষ্ঠী বিভক্তির ‘র’ স্থলে ‘এর’ যোগ হয়।
    উদাহরণ:
    • লোক + রা = লোকেরা
    • বিদ্বান + রা = বিদ্বানেরা
    • মানুষ + এর = মানুষের
      তবে খাঁটি বাংলা শব্দের ক্ষেত্রে একবচনে সাধারণত ‘র’ যোগ হয়, ‘এর’ যোগ হয় না।
      উদাহরণ: বড়র, কাকার ইত্যাদি।

কর্তৃকারক নির্নয় নিয়ম

যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ বাক্যের ক্রিয়া সম্পাদন করে বা অন্যকে দিয়ে করায়, তাকে কর্তৃকারক বলে। মনে রাখতে হবে, কর্তৃকারকই হলো বাক্যের প্রধান পদ এবং এই পদই বাক্যের উদ্দেশ্য।

কর্তৃকারক চেনার সহজ উপায়:

সমাপিকা ক্রিয়াকে ‘কে’ বা ‘কারা’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা-ই কর্তৃকারক।
উদাহরণ:

  • বুলবুলিতে ধান খেয়েছে।
    • ক্রিয়া: খেয়েছে
    • প্রশ্ন: কে খেয়েছে?
    • উত্তর: বুলবুলিতে (কর্তৃকারক)
  • মেয়েরা ফুল তোলে।
    • ক্রিয়া: তোলে
    • প্রশ্ন: কারা তোলে?
    • উত্তর: মেয়েরা (কর্তৃকারক)

কর্তৃকারকের প্রকারভেদ:

বাক্যের ক্রিয়া সম্পাদনের বৈচিত্র্য অনুযায়ী কর্তৃকারক চার প্রকার।

  1. মুখ্য কর্তা: নিজে ক্রিয়া সম্পাদনকারী।
    উদাহরণ: মেয়েরা ফুল তুলছে।
  2. প্রযোজক কর্তা: অন্যকে দিয়ে ক্রিয়া করানো।
    উদাহরণ: মা ছেলেকে চাঁদ দেখাচ্ছেন।
  3. প্রযোজ্য কর্তা: অন্যের প্রেরণায় ক্রিয়া সম্পাদনকারী।
    উদাহরণ: মা ছেলেকে চাঁদ দেখাচ্ছেন।
    • এখানে ছেলের প্রেরণায় মা চাঁদ দেখছেন।
  4. ব্যতিহার কর্তা: একই বাক্যে দুটি কর্তা।
    উদাহরণ: রাজায়-রাজায় যুদ্ধ হয়।

কর্মকারক

যাকে আশ্রয় বা অবলম্বন করে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তাকে কর্মকারক বলে।

কর্মকারক চেনার উপায়:

ক্রিয়াকে ‘কী’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা কর্মকারক।
উদাহরণ:

  • ছাত্ররা বই পড়ে।
    • ক্রিয়া: পড়ে
    • প্রশ্ন: কী পড়ে?
    • উত্তর: বই (কর্মকারক)
  • বালকটি ভাত খায়।
    • ক্রিয়া: খায়
    • প্রশ্ন: কী খায়?
    • উত্তর: ভাত (কর্মকারক)

কর্মকারকের প্রকারভেদ:

  1. মুখ্যকর্ম: মুখ্য ক্রিয়া সম্পাদনের বস্তুকে বোঝায়।
    উদাহরণ: মা শিশুকে চাঁদ দেখান।
    • মুখ্যকর্ম: চাঁদ
  2. গৌণকর্ম: গৌণ ক্রিয়া সম্পাদনের বস্তুকে বোঝায়।
    উদাহরণ: মা শিশুকে চাঁদ দেখান।
    • গৌণকর্ম: শিশু
  3. উদ্দেশ্য কর্ম ও বিধেয় কর্ম:
    • উদ্দেশ্য কর্ম: মূল ক্রিয়া।
    • বিধেয় কর্ম: পরিপূরক ক্রিয়া।
      উদাহরণ: দুধকে মোরা দুগ্ধ বলি।
      • উদ্দেশ্য কর্ম: দুধকে
      • বিধেয় কর্ম: দুগ্ধ
  4. সমধাতুজ কর্ম: কর্ম ও ক্রিয়া একই ধাতু থেকে উৎপন্ন।
    উদাহরণ: খেলা খেললে।
    • এখানে ‘খেলা’ সমধাতুজ কর্ম।

এভাবে বাক্যের কারক সম্পর্ক বুঝতে হলে, ক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট শব্দের সম্পর্ক বিশ্লেষণ করতে হবে।

কর্মকারকে বিভিন্ন বিভক্তির প্রয়োগ

শূন্য বিভক্তি:

  1. আকাশে মেঘ করেছে।
  2. ডাক্তার ডাক।
  3. ঘোড়া গাড়ি টানে।
  4. আমি কলম কিনে আনলাম।

দ্বিতীয়া বিভক্তি:

  • ছেলেকে ডাক।
  • পাখিটাকে তীর মেরো না।
  • দুষ্টকে চাবুক মার।

ষষ্ঠী বিভক্তি:

  • মাতাপিতার সেবা কর।
  • তোমায় কে মেরেছে?

সপ্তমী বিভক্তি:

  • আকাশ মেঘে ছেয়েছে।
  • ফুলে ফুলে ঘর ভরেছে।
  • তুমি আমার কলমে লেখ।

করণ কারক

সংজ্ঞা:
‘করণ’ শব্দটির অর্থ হলো যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়। কর্তা যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে করণ কারক বলে।

উদাহরণ:

  1. বালকটি হাত দিয়ে ভাত খায়।
  2. শিক্ষক খড়ি দিয়ে অংক করছেন।

প্রশ্ন করে বের করুন:

  • কী দিয়ে খায়? উত্তর: হাত দিয়ে।
  • কী দিয়ে অংক করছেন? উত্তর: খড়ি দিয়ে।

এখানে ‘হাত’‘খড়ি’ করণ কারক।

করণ কারকে বিভিন্ন বিভক্তির প্রয়োগ

শূন্য বিভক্তি:

  • তারা বল খেলে।

তৃতীয়া বিভক্তি:

  • কলম দিয়ে লেখা হয়।
  • লাঙ্গল দ্বারা জমি চাষ করা হয়।

পঞ্চমী বিভক্তি:

  • আমা হতে এ কাজ হবে না সাধন।

ষষ্ঠী বিভক্তি:

  • কালির দাগ মোছে না।

সপ্তমী বিভক্তি:

  • আকাশ মেঘে ছেয়েছে।
  • টাকায় কি না হয়।

সম্প্রদান কারক

সংজ্ঞা:
যাকে যত্নসহকারে বা ত্যাগের মাধ্যমে কোনো কিছু দান করা বোঝায়, তাকে সম্প্রদান কারক বলে।

উদাহরণ:

  1. ভিখারিকে পয়সা দাও।
  2. দরিদ্রকে ধন দাও।

এখানে ‘ভিখারিকে’‘দরিদ্রকে’ সম্প্রদান কারক।

সম্প্রদান কারকে বিভিন্ন বিভক্তির প্রয়োগ

শূন্য বিভক্তি:

  • দিব তোমা শ্রদ্ধা-ভক্তি।

চতুর্থী বিভক্তি:

  • ভিখারিকে ভিক্ষা দাও।

ষষ্ঠী বিভক্তি:

  • দেশের জন্য প্রাণ দাও।

সপ্তমী বিভক্তি:

  • দীনে দয়া কর।

অপাদান কারক

সংজ্ঞা:
যা থেকে কোনো কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত, বা রক্ষিত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে।

উদাহরণ:

  1. আমি গাছ থেকে আম পাড়লাম।
  2. সে হাঁড়ি হতে ভাত বের করল।

অপাদান কারকের প্রকারভেদ:

  • স্থানবাচক অপাদান: তিনি রাজশাহী থেকে এসেছেন।
  • কালবাচক অপাদান: আজ সকাল থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে।
  • দূরত্ববাচক অপাদান: ঢাকা থেকে ষোল কিলোমিটার দূরে নারায়ণগঞ্জ।
  • অবস্থানবাচক অপাদান: বারান্দা থেকে দেখলাম।
  • তারতম্যবাচক অপাদান: বাঁশের চেয়ে কঞ্চি দড়।

অপাদান কারকে বিভিন্ন বিভক্তির প্রয়োগ

শূন্য বিভক্তি:

  • ট্রেন ঢাকা ছাড়ল।

দ্বিতীয়া বিভক্তি:

  • বাবাকে ভয় নেই।

তৃতীয়া বিভক্তি:

  • নল দিয়ে জল আসে।

ষষ্ঠী বিভক্তি:

  • যেখানে বাঘের ভয়, সেখানে সন্ধ্যে হয়।

সপ্তমী বিভক্তি:

  • দুধে দই হয়।
  • লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু।

অধিকরণ কারক

যে স্থানে বা যে সময়ে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তাকে অধিকরণ কারক বলা হয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, “নদীতে মাছ থাকে”, এখানে ‘নদীতে’ অধিকরণ কারক। অধিকরণ কারক বলতে ক্রিয়ার আধার বোঝায়, যা স্থান, কাল, পাত্র বা বিষয়ের মাধ্যমে বুঝানো হয়। বাক্যের ক্রিয়াপদটিকে ‘কখন’, ‘কোথায়’, ‘কোন বিষয়ে’, ‘কিসে’ প্রভৃতি প্রশ্ন করে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা-ই অধিকরণ কারক।

অধিকরণ কারকের প্রকারভেদ

অধিকরণ কারক তিন প্রকার।

কালাধিকরণ:

ক্রিয়া যে কালে ঘটে বা সম্পাদিত হয়, তাকে কালাধিকরণ বলা হয়। উদাহরণ:

আধারাধিকরণ

যে অধিকরণে ক্রিয়ার আধার বা স্থান নির্দেশ করে, তাকে আধারাধিকরণ বলা হয়। আধারাধিকরণ তিন ভাগে বিভক্ত:

ক. ঐকদেশিক: বিরাট স্থানের কোনো একটি অংশে ক্রিয়া সম্পাদিত হলে তাকে ঐকদেশিক আধারাধিকরণ বলা হয়।
যেমন:

বনে বাঘ আছে। (বনের যে কোনো এক অংশে)

আকাশে চাঁদ উঠেছে। (আকাশের কোনো এক অংশে)

পুকুরে মাছ আছে। (পুকুরের যে কোনো এক স্থানে)

ঘাটে নৌকা বাঁধা আছে (ঘাটের কাছে)।

খ. অভিব্যাপক: উদিষ্ট বস্তু যদি সমগ্র আধার (স্থান) ব্যস্ত করে বিরাজমান থাকে, তবে তাকে অভিব্যাপক আধারাধিকরণ বলা হয়।
যেমন:

তিলে তৈল আছে। (তিলের সারা অংশব্যাপী)

নদীতে পানি আছে। (নদীর সমস্ত অংশ ব্যাপ্ত করে)

গ. বৈষয়িক: কোনো বিষয় বা ব্যাপারে ক্রিয়া সম্পাদিত হলে তাকে বৈষয়িক অধিকরণ বলা হয়।
যেমন:

মধুমিতা বাংলায় দুর্বল, কিন্তু ইংরেজিতে খুব ভালো।

রাকিব অঙ্কে কাঁচা, কিন্তু ব্যাকারণে ভালো।

ভাবাধিকরণ:

যদি কোনো ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য অন্য ক্রিয়ার কোনো রূপভাবের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে, তবে তাকে ভাবাধিকরণ বলা হয়। ভাবাধিকরণে সব সময় সপ্তমী বিভক্তির প্রয়োগ হয়, তাই একে ‘ভাবে সপ্তমী’ বলা হয়। উদাহরণ:

সুর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয়।

কান্নায় শোক মন্দীভূত হয়।

ভোরে সূর্য উঠলে পদ্মফুল ফোটে।

কান্নায় বেদনা কমে।

অধিকরণ কারকে বিভিন্ন বিভক্তির প্রয়োগ

শূন্য বিভক্তি:

  • সে বাড়ি আসবে।
  • সন্ধ্যার সময় এসো।

দ্বিতীয়া বিভক্তি:

  • আজকে আমি যাব।
  • ঘরকে যাও।

তৃতীয়া বিভক্তি:

  • পথ দিয়ে চলো।

পঞ্চমী বিভক্তি:

  • ছাদ থেকে বাজার দেখা যায়।
  • বাড়ি থেকে তাকিয়ে দেখ।

সপ্তমী বিভক্তি:

  • তিনি শোকে পাগল হলেন।
  • আমরা বিকালে বেড়াতে যাব।
  • সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয়।
  • জলে কুমির ডাঙায় বাঘ।
  • প্রভাতে সূর্য ওঠে।
  • তার বাড়িতে সব আছে।
  • কান্নায় শোক কমে।
  • তারা ঢাকায় গেলেন।

সম্বন্ধ পদ

বাক্যের ক্রিয়াপদের সঙ্গে যে এক বা একাধিক বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের কোনো প্রত্যক্ষ সম্পর্ক থাকে না, তবে বাক্যের অন্য কোনো নামপদের সঙ্গে সম্পর্ক থাকে, তাকে বা তাদের সম্বন্ধ পদ বলা হয়। উদাহরণ:

  • রাতুলের খাতাটি এখানে রাখো।

এখানে ‘রাতুলের’ শব্দটির ক্রিয়ার সঙ্গে কোনো প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই, কিন্তু ‘খাতাটি’ বিশেষ্য পদের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে, তাই ‘রাতুলের’ পদটি সম্বন্ধ পদ। বাংলায় সম্বন্ধ পদ অকারক পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সম্বন্ধ পদের বিভক্তি

সম্বন্ধ পদে একবচনে ‘র’ এবং ‘এর’ এই দুটিই বিভক্তি। স্বরান্ত শব্দ হলে সাধারণত ‘র’ বিভক্তি এবং ব্যঞ্জনান্ত শব্দ হলে ‘এর’ বিভক্তি যুক্ত হয়। উদাহরণ:

  • : মধুর দোকান, শিফার জামা
  • এর: সাগরের জল, দীপের বন্ধু

কখনো কখনো ‘য়ের’, ‘কের’ বা ‘কার’ বিভক্তিও যুক্ত হয়। উদাহরণ:

  • ‘য়ের’: মায়ের কোল
  • ‘কের’: আজকের কাগজ পড়েছ?

বহুবচনে সম্বন্ধ পদের বিভক্তিগুলো হলো— ‘দের’, ‘এদের’ এবং ‘দিগের’। উদাহরণ:

  • ‘দের’: সুমনদের ঘরে নতুন ফ্রিজ এসেছে।
  • ‘এদের’: রামেদের বাড়িতে দুর্গাপূজা হয়।
  • ‘দিগের’: বালকদিগের সাথে বালিকাদিগের আবৃত্তি প্রতিযোগিতা হবে।

সম্বন্ধ পদের প্রকারভেদ

সম্বন্ধ পদ নানা প্রকারের হতে পারে এবং তা বহু বিচিত্র অর্থ প্রকাশ করে। এখানে বিভিন্ন প্রকারের সম্বন্ধ পদের আলোচনা করা হলো:

  1. অধিকার সম্বন্ধ:
    • রাজার সিংহাসন
    • কৃষকের জমি
  2. জন্ম-জনক সম্বন্ধ:
    • গাছের ফল
    • পুকুরের মাছ
  3. কার্যকারণ সম্বন্ধ:
    • পাপের ফল
    • গাছের ছায়া
    • শোকের কান্না
    • আগুনের তাপ
  4. উপাদান সম্বন্ধ:
    • রূপার থালা
    • কাঠের ঘোড়া
    • সোনার বাটি
    • মোমের পুতুল
  5. গুণ সম্বন্ধ:
    • মধুর মিষ্টতা
    • নিমের তিক্ততা
  6. গতি সম্বন্ধ:
    • ঘোড়ার গাড়ি
    • পালের নৌকা
  7. ক্রম সম্বন্ধ:
    • সাতের ঘর
    • আটের পৃষ্ঠা
  8. ব্যাপ্তি সম্বন্ধ:
    • সাতদিনের কাজ
    • বর্ষাকালের বৃষ্টি
    • আলোর ঝরনা
    • জ্ঞানের আলো
  9. অঙ্গ সম্বন্ধ:
    • হাতের নখ
    • গরুর শিং
    • গাছের ডাল
    • কুকুরের লেজ
  10. অব্যয় সম্বন্ধ:
    • জোরের সঙ্গে
    • গাছের ভিতরে
  11. অবলম্বন সম্বন্ধ:
    • দুর্বলের বল
    • নিরাশ্রয়ের আশ্রয়
  12. বিশেষণ সম্বন্ধ:
    • আশার বাণী
    • সুখের দিন
  13. ব্যবসায় সম্বন্ধ:
    • পাটের দালাল
    • আদার ব্যাপারী
  14. অসম্ভব সম্বন্ধ:
    • ঘোড়ার ডিম
    • কাঁঠালের আমসত্ত্ব
  15. কৃত-সম্বন্ধ:
    • রবীন্দ্রনাথের ‘গীতাঞ্জলি’
    • নজরুলের ‘অগ্নিবীণা’
  16. কারক সম্বন্ধ:
    ক) কর্তৃ সম্বন্ধ:
    • রাজার হুকুম
      খ) কর্ম সম্বন্ধ:
    • বিজ্ঞানের চর্চা
      গ) করণ সম্বন্ধ:
    • লাঠির ঘা
    • চোখের দেখা
    • কলমের খোঁচা
      ঘ) অপাদান সম্বন্ধ:
    • চোখের জল
    • বৃষ্টির পানি
    • ভূতের ভয়
      ঙ) অধিকরণ সম্বন্ধ:
    • খাঁচার পাখি
    • পূজার ছুটি
    • পদ্মার ইলিশ

সম্বোধন পদ

‘সম্বোধন’ কথাটির অর্থ হলো বিশেষভাবে ডাকা। যেসব বিশেষ্যপদ দিয়ে কাউকে সম্বোধন বা আহ্বান করা বোঝায়, তাদের সম্বোধন পদ বলে। উদাহরণ:

  • হে দারিদ্র, তুমি মোরে করেছো মহান।
  • ও ভাই, তোমাকে দিয়ে তো কাজটা হবে না দেখছি।
  • ও বাবারা, তোমরা কি শুনতে পাচ্ছ না?
  • বন্ধুগণ! আজকের সভা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
  • ওহে মাঝি, আমাকে পার কর।
  • শাহেদ, এদিকে আসো।

সম্বোধন পদ কারক নয় কেন?

সম্বোধন পদ সাধারণত বাক্যের প্রথমে বসে, কখনো-কখনো পরেও বসে। এই পদ দিয়ে কখনো কর্তাকে, কখনো গৌণ কর্মকে, আবার কখনো বা করণবাচক ব্যক্তিকে নির্দেশ করা হয়। সম্বন্ধ পদের মতো সম্বোধন পদও কারক নয়। যেমন: ওহে মাঝি, আমাকে পার কর।
এ বাক্যে ‘ওহে’ সম্বোধন পদের সঙ্গে পার কর ক্রিয়াপদের কোনো সম্পর্ক নেই। তাই সম্বোধন পদ কারক নয়, কারণ ক্রিয়াপদের সঙ্গে এর কোনো প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই।


সম্বোধন পদের বিভক্তি ও বিরামচিহ্ন

সম্বোধন পদ সাধারণভাবে বিভক্তিহীন। তবে, বহুবচন পদে কখনো কখনো ‘রা’ বা ‘গুলো’ বিভক্তি ব্যবহৃত হয়। একবচনেও কখনো কখনো ব্যবহৃত হয়। সম্বোধন পদের সঙ্গে কর্তা বা বাক্যের অন্য কোনো পদেরই প্রত্যক্ষ সম্পর্ক থাকে না, তাই এটি অকারক পদ।

বাক্যের মধ্যে সম্বোধন পদ কিছু বিশেষ বিরামচিহ্নের দাবি করে। বাক্যের প্রথমে সম্বোধন পদ থাকলে সেই পদের পরে একটি কমা (,) বা বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!) বসে। সম্বোধন পদের আগে বা পরে সাধারণত অ, অয়ি, অহে, আরে, ও, ওগো, ওলো, ওহে, হে, হ্যাঁ, হ্যাঁরে ইত্যাদি অব্যয় পদ বসে।


বিভিন্ন কারকে শূন্য বিভক্তি

  1. কর্তৃকারক:
    • মধুমিতা স্কুলে যায়।
  2. কর্মকারক:
    • গরু ঘাস খায়।
  3. করণ কারক:
    • ঘোড়াকে চাবুক মার।
  4. সম্প্রদান কারক:
    • দিব তোমা শ্রদ্ধাভক্তি।
  5. অপাদান কারক:
    • গাড়ি স্টেশন ছাড়ে।
  6. অধিকরণ কারক:
    • আমি ঢাকা যাব।

বিভিন্ন কারকে সপ্তমী বা ‘এ’ বিভক্তি

  1. কর্তৃকারক:
    • পাগলে কী না বলে।
  2. কর্মকারক:
    • এ অধীনে দায়িত্বভার অর্পণ করুন।
  3. করণ কারক:
    • এ কলমে ভালো লেখা হয়।
  4. সম্প্রদান কারক:
    • দানে দয়া কর।
  5. অপাদান কারক:
    • তিলে তেল হয়।
  6. অধিকরণ কারক:
    • এ দেহে প্রাণ নেই।

অনুশীলনমূলক বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

  1. বাক্যে ক্রিয়ার সঙ্গে কোন পদের সম্পর্ককে কারক বলে?
    ক) বিশেষ্য ও বিশেষণ
    খ) বিশেষ্য ও সর্বনাম
    গ) বিশেষ্য ও অনুসর্গ
    থ) ক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক থাকা পদের নাম কারক
    সঠিক উত্তর: খ) বিশেষ্য ও সর্বনাম
  2. ক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক নেই, তেমন কারকের নাম কী?
    ক) সম্বন্ধ
    খ) অপাদান
    গ) কর্ম
    ঘ) অধিকরণ
    সঠিক উত্তর: ক) সম্বন্ধ
  3. বাংলা ভাষায় কারকের সংখ্যা কয়টি?
    ক) চার
    খ) পাঁচ
    গ) তিন
    ঘ) ছয়
    সঠিক উত্তর: ঘ) ছয়
  4. ‘আমরা নদীর ঘাট থেকে রিকশা নিয়েছিলাম’- বাক্যটিতে ‘আমরা’ কোন কারক?
    √ ক) কর্তা
    খ) কর্ম
    গ) করণ
    ঘ) অধিকরণ
    সঠিক উত্তর: ক) কর্তা

কারক বিভক্তি MCQ

  1. যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া ‘সম্পাদন করে’, তাকে কোন কারক বলে?
    ক) কর্তা
    খ) কর্ম
    গ) করণ
    ঘ) অপাদান
    সঠিক উত্তর: খ) কর্ম
  2. ‘শিক্ষককে জানাও’- এই বাক্যে ‘শিক্ষককে’ কোন কারক?
    ক) অধিকরণ
    √ খ) কর্ম
    গ) অপাদান
    ঘ) কর্তা
    সঠিক উত্তর: খ) কর্ম
  3. ‘ভেড়া দিয়ে চাষ করা সম্ভব নয়’- এই বাক্যে ‘ভেড়া দিয়ে’ কোন কারক?
    ক) সম্বন্ধ
    খ) করণ
    গ) কর্তা
    ঘ) অপাদান
    সঠিক উত্তর: খ) করণ
  4. ‘জমি থেকে ফসল পাই’- বাক্যটিতে ‘জমি থেকে’ কোন কারক?
    ক) কর্তা
    √ খ) অপাদান
    গ) কর্ম
    ঘ) অধিকরণ
    সঠিক উত্তর: খ) অপাদান
  5. কোন কারকে মূলত ক্রিয়ার স্থান, সময় ইত্যাদি বোঝায়?
    ক) অপাদান
    √ খ) অধিকরণ
    গ) সম্বন্ধ
    ঘ) কর্ম
    সঠিক উত্তর: খ) অধিকরণ

সকল ক্লাসের জন্য কারক ও বিভক্তি

  1. ‘গাছের ফল পেকেছে’- এখানে কোন বিভক্তির প্রয়োগ হয়েছে?
    ক) -র
    খ) -এর
    গ) -তে
    ঘ) -য়
    সঠিক উত্তর: খ) -এর
  2. ‘কর্তা কারকে ‘-এ’ বিভক্তির উদাহরণ কোনটি?
    √ ক) পাগলে কী না বলে।
    খ) গরু ঘাস খায়।
    গ) আমার দাদা বাড়ি যাচ্ছেন।
    ঘ) এ কথাগুলি সত্য।
    সঠিক উত্তর: ক) পাগলে কী না বলে।
  3. বাক্যের কর্ম কত প্রকার হয়ে থাকে?
    ক) দুই
    খ) তিন
    গ) চার
    ঘ) পাঁচ
    সঠিক উত্তর: ক) দুই
  4. সাধারণত মুখ্য কর্মকারকে কোনটি যুক্ত হয় না?
    ক) অতীত
    খ) ভবিষ্যত
    √ গ) বিভক্তি
    ঘ) বর্তমান
    সঠিক উত্তর: গ) বিভক্তি
  5. গৌণ কর্ম কারকে কোন বিভক্তির রূপ হয়?
    ক) -এ
    √ খ) -কে
    গ) -তে
    ঘ) -য়
    সঠিক উত্তর:√ খ) -কে
  6. কোন কারকে দ্বারা, দিয়ে, কর্তৃক ইত্যাদি অনুসর্গ যুক্ত হয়?
    √ ক) করন কারক
    খ) কর্ম কারক
    গ) অধিকার কারক
    ঘ) সম্বন্ধ কারক
    সঠিক উত্তর: √ ক) করন কারক
  7. ‘অনেকগুলো শেয়াল আখের খেত নষ্ট করে দিল।’- বাক্যে দাগ দেওয়া অংশটুকু কোন কারকে কোন বিভক্তি?
    ক) কর্মে শূন্য
    √ খ) কর্তায় শূন্য
    গ) অধিকরণে ৭মী
    ঘ) করণে ৭মী
    সঠিক উত্তর: √ খ) কর্তায় শূন্য

বিগত সালে আসা কারক প্রশ্নোত্তর

  1. কর্তা কারকে কখনো কখনো কোন বিভক্তি যুক্ত হয়?

    ক) -য়ের √ খ) -এ
    গ) -র
    ঘ) -তে
    সঠিক উত্তর: √ খ) -এ
  2. ‘গাভীতে দুধ দেয়’– ‘গাভীতে’ কোন্ কারকে কোন্ বিভক্তি?
    ক) করণে ৭মী
    খ) কর্তৃকারকে ৭মী
    গ) কর্মে শূন্য
    ঘ) অধিকরণে ৭মী
    সঠিক উত্তর: খ) কর্তৃকারকে ৭মী
  3. ‘দরিদ্রকে সাহায্য করো।’- বাক্যটিতে কোন কারক বিদ্যমান?
    √ ক) কর্ম
    খ) করণ
    গ) অপাদান ৭মী
    ঘ) অধিকরণে ৭মী
    সঠিক উত্তর: √ ক) কর্ম
  4. কোন কারকে সাধারণত হতে, থেকে, চেয়ে ইত্যাদি অনুসর্গ শব্দের পরে বসে?
    ক) কর্মকারক
    খ) কর্তৃকারক
    গ) অধিকরন
    ঘ) অপাদান কারক
    সঠিক উত্তর: ঘ) অপাদান কারক

The post কারক কাকে বলে? কারক নির্ণয় উদাহরন। কারক চেনার উপায় appeared first on My Classroom.

]]>
https://myclassroombd.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%95-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%af/feed/ 0 1987
বিভক্তি কাকে বলে? বিভক্তি চার্ট। বিভক্তি নির্ণয় উদাহরন https://myclassroombd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%b9/ https://myclassroombd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%b9/#respond Sat, 23 Nov 2024 03:27:02 +0000 https://myclassroombd.com/?p=1991 বিভক্তি কাকে বলে? বাক্যের মধ্যে অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক বোঝাতে বিশেষ্য ও সর্বনামের সঙ্গে অর্থহীন কিছু লগ্ন যুক্ত হয়, সেগুলোকে বিভক্তি বলে। যেমন: -এ, -তে, য়, -য়ে, -কে, রে, র, -এর, -য়ের ইত্যাদি।লোকে কি না বলে। এই বাক্যে ‘লোক’ শব্দের সঙ্গে জুড়ে আছে ‘এ’ বিভক্তি।সে ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে গরু চরাতে গেছে। এই বাক্যে ‘ছেলে’ শব্দের …

The post বিভক্তি কাকে বলে? বিভক্তি চার্ট। বিভক্তি নির্ণয় উদাহরন appeared first on My Classroom.

]]>
বিভক্তি কাকে বলে?

বাক্যের মধ্যে অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক বোঝাতে বিশেষ্য ও সর্বনামের সঙ্গে অর্থহীন কিছু লগ্ন যুক্ত হয়, সেগুলোকে বিভক্তি বলে। যেমন: -এ, -তে, য়, -য়ে, -কে, রে, র, -এর, -য়ের ইত্যাদি।
লোকে কি না বলে। এই বাক্যে ‘লোক’ শব্দের সঙ্গে জুড়ে আছে ‘এ’ বিভক্তি।
সে ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে গরু চরাতে গেছে। এই বাক্যে ‘ছেলে’ শব্দের সঙ্গে জুড়ে আছে ‘কে’ বিভক্তি।
বাড়ির পুকুরের পাড়ে বড়ো ভাইয়ের কলাবাগান। এই বাক্যে ‘বাড়ি’, ‘পুকুর’ এবং ‘ভাই’ শব্দের সঙ্গে জুড়ে আছে ‘-র’, ‘-এর এবং ‘-য়ের’ বিভক্তি।

বিভক্তির প্রকারভেদ

বিভক্তিগুলোকে তিন ভাগে বিভক্ত করে দেখানো যায়:

ক) -এ, -তে, য়, -য়ে বিভক্তি

সাধারণত ক্রিয়ার স্থান, কাল, ভাব বোঝাতে -এ, -তে, -য়, -য়ে ইত্যাদি বিভক্তির ব্যবহার হয়। কখনো কখনো বাক্যের কর্তার সঙ্গেও এসব বিভক্তি বসে।
যেসব শব্দের শেষে কারচিহ্ন নেই, সেসব শব্দের সঙ্গে -এ বিভক্তি যুক্ত হয়। যেমন- সকালে, দিনাজপুরে, ই-মেইলে, কম্পিউটারে, ছাগলে, তিলে ইত্যাদি।

শব্দের শেষে ই-কার ও উ-কার থাকলে -তে বিভক্তি হয়। যেমন- হাতিতে, রাত্রিতে, মধুতে, রামুতে ইত্যাদি।
আ-কারান্ত শব্দের শেষে -য় বিভক্তি হয়। যেমন- ঘোড়ায়, সন্ধ্যায়, ঢাকায় ইত্যাদি।
শব্দের শেষে দ্বিস্বর থাকলে -য়ে বিভক্তি হয়। যেমন- ছইয়ে, ভাইয়ে, বউয়ে
ই-কারান্ত শব্দের শেষে -য়ে বিভক্তি দেখা যায়। যেমন- ঝিয়ে, ঘিয়ে

খ) -কে, রে বিভক্তি

বাক্যে গৌণকর্মের সঙ্গে সাধারণত -কে এবং -রে বিভক্তি বসে। ক্রিয়াকে ‘কাকে’ প্রশ্ন করলে যে শব্দ পাওয়া যায়, তার সঙ্গে এই বিভক্তি যুক্ত হয়। যেমন- শিশুকে, দরিদ্রকে, আমাকে, আমারে ইত্যাদি।

গ) -র, -এর, -য়ের বিভক্তি

বাক্যের মধ্যে পরবর্তী শব্দের সঙ্গে সম্বন্ধ বোঝাতে পূর্ববর্তী শব্দের সঙ্গে -র, -এর এবং -য়ের বিভক্তি যুক্ত হয়। সাধারণত আ-কারান্ত, ই/ঈ-কারান্ত ও উ/ঊ-কারান্ত শব্দের শেষে -র বিভক্তি বসে। যেমন- রাজা’র, প্রজা’র, হাতি’র, বুদ্ধিজীবী’র, তনু’র, বধূ’র
যেসব শব্দের শেষে কারচিহ্ন নেই, সেসব শব্দের শেষে -এর বিভক্তি হয়। যেমন- বল’র, শব্দ’র, নজরুল’র, সাতাশ’র ইত্যাদি।
শব্দের শেষে দ্বিস্বর থাকলে -য়ের বিভক্তি হয়। যেমন- ভাইয়ের, বইয়ের, লাউয়ের, মৌয়ের ইত্যাদি।

কারক বিভক্তি নির্ণয় উদাহরণ

বাক্যের মধ্যে শব্দগুলোকে সম্পর্কযুক্ত করার জন্যে শব্দের সঙ্গে যে সকল বর্ণ যুক্ত হয়, সেগুলোকে বিভক্তি বলে। যেমন : শিক্ষক ছাত্রকে ব্যাকরণ পড়াচ্ছেন। বাক্যটিতে শিক্ষক (শিক্ষক + ০ বিভক্তি), ছাত্রকে (ছাত্র + কে বিভক্তি), ব্যাকরণ (ব্যাকরণ + ০ বিভক্তি) ইত্যাদি পদে বিভিন্ন বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। বিভক্তিগুলো ক্রিয়াপদের সাথে নামপদের সম্পর্ক সৃষ্টি করে। বিভক্তি চিহ্ন স্পষ্ট না হলে সেখানে শূন্য বিভক্তি আছে বলে মনে করা হয়।

→ বাংলা শব্দ-বিভক্তি

বাংলা ভাষায় বিভক্তির সংখ্যা খুবই সীমিত। শূন্য (০) বিভক্তি বা অ-বিভক্তি, এ (য়), তে, , কে, রে, , এরা– এ কয়টিই খাঁটি বাংলা শব্দ বিভক্তি। তাছাড়া বিভক্তি স্থানীয় কয়েকটি অব্যয় শব্দও কারক সম্বন্ধ নির্ণয়ের জন্য বাংলায় প্রচলিত আছে। যেমন : দ্বারা, দিয়ে, হতে, থেকে ইত্যাদি। ‘র’ সম্বন্ধ পদের বিভক্তি হলেও তা কারকবোধক।

→ বাংলা শব্দ-বিভক্তির প্রকারভেদ

শব্দ বা প্রকৃতি অনুসারে বিভক্তি দুরকর্মের শব্দ বিভক্তি ও ধাতু-বিভক্তি। নাম-প্রকৃতির সঙ্গে যে অতিরিক্ত শব্দাংশ যোগ করা হয় তাকে শব্দ-বিভক্তি, আর ধাতু বা ক্রিয়া প্রকৃতির সঙ্গে যে অতিরিক্ত শব্দাংশ যোগ করা হয়, তাকে ধাতু-বিভক্তি বা ক্রিয়া-বিভক্তি বলে। বাংলা শব্দ-বিভক্তি সাত প্রকার । যেমন : প্রথমা, দ্বিতীয়া, তৃতীয়া, চতুর্থী, পঞ্চমী, ষষ্ঠীসপ্তমী
একবচন ও বহুবচন ভেদে বিভক্তিগুলোর আকৃতিগত পার্থক্য দেখা যায়।

বিভক্তি চার্ট

বিভক্তিএকবচনবহুবচন
প্রথমা০, অ, এ, (য়), তেরা, এরা, গুলো, গণ
দ্বিতীয়াকে, রে, এরেদিগে, দিগকে, দের
তৃতীয়াদ্বারা, দিয়া, কর্তৃকদের, দিয়া, দিগকে দ্বারা, দিগ কর্তৃক
চতুর্থীদ্বিতীয়ার মতো, জন্য, নিমিত্তদ্বিতীয়ার মতো
পঞ্চমীহইতে, থেকে, চেয়ে, হতেদের হইতে, দিগের চেয়ে
ষষ্ঠীর, এরদিগের, দের, গুলির
সপ্তমীএ, (য়), তে, এতেদিগে, দিগেতে, গুলিতে

FAQs on বিভক্তি

প্রশ্ন: কোন কারকে কে বিভক্তি যুক্ত হয়?
উত্তর: কে বিভক্তি সাধারণত সম্প্রদান কারকে যুক্ত হয়। যেমন- রামকে, সীতাকে।

প্রশ্ন: সময়বাচক অর্থে সম্বন্ধ পদে কোন বিভক্তি যুক্ত হয়?
উত্তর: সময়বাচক অর্থে সম্বন্ধ পদে -কার > -কের বিভক্তি যুক্ত হয়। যেমন:

  • আজি + -কার = আজিকার > আজকের
  • পূর্বে + -কার = পূর্বেকার
  • কালি + -কার = কালিকার > কালকার > কালকের
    তবে, “কাল” শব্দটির উত্তরে শুধু -এর বিভক্তি যুক্ত হয়। যেমন:
  • কাল + -এর = কালের

প্রশ্ন: বিভক্তি কয় প্রকার? কী কী?
উত্তর: বিভক্তি সাধারণত সপ্ত প্রকার, যেমন:
১. প্রথমা
২. দ্বিতীয়া
৩. তৃতীয়া
৪. চতুর্থী
৫. পঞ্চমী
৬. ষষ্ঠী
৭. সপ্তমী

প্রশ্ন: কারক কয় প্রকার ও কী কী?
উত্তর: কারক ছয় প্রকার:
১. কর্তৃকারক
২. কর্মকারক
৩. করণ কারক
৪. সম্প্রদান কারক
৫. অধিকরণ কারক
৬. সম্বন্ধ কারক

প্রশ্ন: বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কী বলে?
উত্তর: বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে “ক্রিয়ার কর্তা” বা “কর্তৃকারক” বলে।

প্রশ্ন: বিভক্তি সংক্রান্ত কোন অধ্যায়গুলো গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর:
১. সকল কারকে প্রথমা বা শুন্য বিভক্তির ব্যবহার
২. সকল কারকে দ্বিতীয়া বিভক্তির ব্যবহার
৩. সকল কারকে তৃতীয়া বিভক্তির ব্যবহার
৪. সকল কারকে চতুর্থী বিভক্তির ব্যবহার
৫. সকল কারকে পঞ্চমী বিভক্তির ব্যবহার
৬. সকল কারকে ষষ্ঠী বিভক্তির ব্যবহার
৭. সকল কারকে সপ্তমী বা এ বিভক্তির ব্যবহার

The post বিভক্তি কাকে বলে? বিভক্তি চার্ট। বিভক্তি নির্ণয় উদাহরন appeared first on My Classroom.

]]>
https://myclassroombd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%b9/feed/ 0 1991
বাংলা সাহিত্য থেকে গুরুত্বপূর্ন প্রশ্নোত্তর-চাকরি ও ভর্তি পরীক্ষা https://myclassroombd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a6%be/ https://myclassroombd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a6%be/#respond Thu, 27 Jun 2024 02:38:00 +0000 https://myclassroombd.com/?p=1226 বাংলা ভাষা ও সাহিত্য থেকে প্রশ্নোত্তরগুলো বিসিএস ব্যাংক শিক্ষক নিবন্ধন চাকরি ও ভর্তি পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ন। বিসিএস বাংলা সাহিত্য প্রশ্ন এবং ভর্তি পরীক্ষার জন্য কমন প্রশ্নোত্তরগুলো করা হয়েছে। চলুন শুরু করি বিগত সালে আসা বাংলা ভাষা ও সাহিত্য থেকে প্রশ্নোত্তর। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রশ্নোত্তর চর্যাপদের সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেন কোন কবি? উত্তর: কাহ্নপা। …

The post বাংলা সাহিত্য থেকে গুরুত্বপূর্ন প্রশ্নোত্তর-চাকরি ও ভর্তি পরীক্ষা appeared first on My Classroom.

]]>
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য থেকে প্রশ্নোত্তরগুলো বিসিএস ব্যাংক শিক্ষক নিবন্ধন চাকরি ও ভর্তি পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ন। বিসিএস বাংলা সাহিত্য প্রশ্ন এবং ভর্তি পরীক্ষার জন্য কমন প্রশ্নোত্তরগুলো করা হয়েছে। চলুন শুরু করি বিগত সালে আসা বাংলা ভাষা ও সাহিত্য থেকে প্রশ্নোত্তর।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রশ্নোত্তর

চর্যাপদের সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেন কোন কবি?

উত্তর: কাহ্নপা।

বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নমুনা কোথায় পাওয়া যায়?

উত্তর: চর্যাপদে।

বাংলা সাহিত্যের প্রথম বাঙালি নারী কবি কে?

উত্তর: চন্দ্রাবতী।

কবি কায়কোবাদের প্রকৃত নাম কী?

উত্তর: কাজেম আল কুরায়শী।

‘প্রিয় স্বাধীনতা’ কবিতার রচয়িতা কে?

উত্তর: শামসুর রাহমান।

বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য কোনটি?

উত্তর: মেঘনাদবধ কাব্য।

বাংলা সাহিত্য প্রশ্নোত্তর

সুফিয়া কামালের শিশুতোষগ্রন্থের নাম কী?

উত্তর: ইতলবিতল।

আবু ইসহাকের ‘সূর্য-দীঘল বাড়ী’ ইংরেজিতে অনুবাদ করেন কোন কবি?

উত্তর: কবি আবদুস সেলিম।

প্রশ্ন: পৃথিবীতে জাত মহাকাব্য আছে কতটি? উত্তর: ৪টি।

প্রশ্ন: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থ নোবেল পুরস্কার লাভ করে কবে?

উত্তর: ১৯১৩ সালে।

প্রশ্ন: ‘রাজবন্দীর জবানবন্দী’ প্রবন্ধটি কার লেখা?

উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের।

প্রশ্ন: ঝুমকো লতায় ‘জোনাকী’ শীর্ষক শিশুতোষ রচনাটি কার?

উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের।

প্রশ্ন: কাজী নজরুল ইসলামের ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ কবিতাটি যে গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত তা হলো—

উত্তর: সর্বহারা।

প্রশ্ন: বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপন্যাস কোনটি?

উত্তর: বাঁধনহারা।

প্রশ্ন: “আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে” এই মনোবাঞ্ছাটি কার?

উত্তর: ঈশ্বরী পাটনীর।

প্রশ্ন: “মাঝি চেয়ে দেখো দুয়ারে ডাকে জাহাজ, অচল ছবি সে, তসবির যেন দাঁড়ায়ে রয়েছে আজ।” মাঝিকে আহ্বান করছেন কে?

উত্তর: ফররুখ আহমদ।

প্রশ্ন: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম কী?

উত্তর: বনফুল।

প্রশ্ন: ‘সুলতানার স্বপ্ন’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?

উত্তর: বেগম রোকেয়া।

প্রশ্ন: ‘বাংলা সাহিত্যের কথা’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?

উত্তর: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্।

বাংলা ব্যকরন থেকে গুরুত্বপূর্ন সাধারন জ্ঞান

বাংলা ভাষার রীতি কতটি?

উত্তর: দুটি (সাধু ও চলিত)।

বাংলা ভাষার নিজস্ব লিপি কী?

উত্তর: বাংলা।

সন্ধি ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?

উত্তর: ধ্বনিতত্ত্বে।

‘মুখচ্ছবি’ সন্ধির পড়ন নিয়ম কী?

উত্তর: স্বরধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি।

প্রশ্ন: ‘অহর্নিশ’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: দিনরাত্রি।

প্রশ্ন: ‘চৌহদ্দি’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: সীমানা।

প্রশ্ন: ‘চয়ন’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: সম্ভার।

প্রশ্ন: ‘আভরণ’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: অলংকার।

প্রশ্ন: ‘কাদম্বিনী’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: মেঘমালা।

প্রশ্ন: ‘মৃত্যুর মতো অবস্থা যার— মুমূর্ষু’। এখানে ‘মুমূর্ষু’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: মৃত্যুর মতো অবস্থা।

প্রশ্ন: ‘যা কষ্টে লাভ করা যায়’– বাক্য সংকোচনের অর্থ কী?

উত্তর: দুর্লভ।

প্রশ্ন: ‘মহাকীর্তি’-এর ব্যাসবাক্যে ‘মহাকীর্তি’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: মহতী যে কীৰ্তি।

প্রশ্ন: ‘হাতেখড়ি’ শব্দের সঠিক ব্যাসবাক্য কী?

উত্তর: হাতে খড়ি দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে।

প্রশ্ন: ‘সমাস’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: সংক্ষেপণ।

প্রশ্ন: ‘বুলবুলিতে ধান খেয়েছে’— এ বাক্যের ‘বুলবুলিতে’ শব্দটি কর্তৃকারকের কোন বিভক্তি?

উত্তর: ৭মী বিভক্তি।

প্রশ্ন: বিভক্তিহীন নাম শব্দকে কী বলে?

উত্তর: প্রাতিপদিক।

প্রশ্ন: ‘কপোল ভাসিয়া গেল নয়নের জলে’ বাক্যটির নিম্নরেখ শব্দের কারক ও বিভক্তি কী?

উত্তর: কারকে শূন্য, বিভক্তি কর্মে।

প্রশ্ন: ‘সাহেব’ শব্দের বহুবচন কী? উত্তর: সাহেবান।

প্রশ্ন: ‘শন্ শন্’ যে ধরনের দ্বিরুক্ত শব্দ— অনুকার দ্বিরুক্তি।

উত্তর: অনুকার দ্বিরুক্তি।

সাধারন জ্ঞান বাংলা ভাষা ও সাহিত্য

প্রশ্ন: ‘গড্ডলিকা প্রবাহ’ একটি বাগ্‌ধারা, এখানে ‘গড্ডল’ মানে কী?

উত্তর: ভেড়া।

প্রশ্ন: সৌম্য-এর বিপরীত শব্দ কী?

উত্তর: উগ্র।

প্রশ্ন: ‘যিনি বিদ্বান তিনি সর্বত্র আদরণীয়।’ এ বাক্যটি কী ধরণের বাক্য?

উত্তর: জটিল বাক্য।

প্রশ্ন: Hangout-এর বাংলা পরিভাষা কী?

উত্তর: বাস করা।

শেষকথা

বাংলাদেশে যেকোন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রশ্নোত্তরুগুলো খুব গুরুত্বপূর্ন। বিসিএস বাংলা সাহিত্য প্রশ্ন এবং উত্তরগুলো ভালো লাগলে শেয়ার করুন। সাথে থাকুন মাই ক্লাসরুম-এ। ধন্যবাদ।

The post বাংলা সাহিত্য থেকে গুরুত্বপূর্ন প্রশ্নোত্তর-চাকরি ও ভর্তি পরীক্ষা appeared first on My Classroom.

]]>
https://myclassroombd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a6%be/feed/ 0 1226
সমাস নির্ণয়ের শর্টকাট টেকনিক। গুরুত্বপূর্ন সমাস pdf https://myclassroombd.com/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8/ https://myclassroombd.com/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8/#respond Sun, 21 Apr 2024 15:28:26 +0000 https://myclassroombd.com/?p=872 সমাস- শিখতে লাগে কয়মাস? সমাস নিয়ে খুব ছোট বেলাতেই এক ধরনের ভয় কাজ করতো। এজন্য বাংলা ২য় পত্রের স্যারের কাছে অনেক কথা শুনতাম। এরপরও সমাসকে আমার কঠিন মনে হয়েছে। ইনশা আল্লাহ, আজকের পর থেকে সমাস আর কঠিন মনে হবেনা। আমরা সমাস কাকে বলে, কত প্রকার ও কিকি? সমাসের শর্টকাট টেকনিক শিখবো, যেন সমাস আর কোনভাবেই …

The post সমাস নির্ণয়ের শর্টকাট টেকনিক। গুরুত্বপূর্ন সমাস pdf appeared first on My Classroom.

]]>
সমাস- শিখতে লাগে কয়মাস? সমাস নিয়ে খুব ছোট বেলাতেই এক ধরনের ভয় কাজ করতো। এজন্য বাংলা ২য় পত্রের স্যারের কাছে অনেক কথা শুনতাম। এরপরও সমাসকে আমার কঠিন মনে হয়েছে। ইনশা আল্লাহ, আজকের পর থেকে সমাস আর কঠিন মনে হবেনা। আমরা সমাস কাকে বলে, কত প্রকার ও কিকি? সমাসের শর্টকাট টেকনিক শিখবো, যেন সমাস আর কোনভাবেই ভুলে না যাই। তো চলুন শুরু করা যাক-

সমাস কত প্রকার ও কি কি?

সমাস ৬ প্রকার-
) দ্বন্দ্ব সমাস
) দ্বিগু সমাস
) কর্মধারয় সমাস
) বহুব্রীহি সমাস
) অব্যয়ীভাব সমাস
) তৎপুরুষ সমাস

এবার আমরা সমাসের শর্টকাট টেকনিক মুখস্ত করে নিবো। সমাসের এই শটকাট টেকনিক শিখে সমাস সহজে চিনতে পারবো এবং ছয় প্রকার সমাসের নামও শেখা হবে।

সমাসে শর্টকাট টেকনিক

–এবং–আর মিলে যদি হয় “দ্বন্দ্ব“,
সমাহারে “দ্বিগু” হলে নয় সেটা মন্দ |
যে–যিনি–যেটি–যেটা– তিনি “কর্মধারায়“,
যে–যার শেষে থাকলে তারে বহুব্রীহি কয়
অব্যয়ের অর্থ প্রাধান্য পেলে “অব্যয়ী” মেলে,
বিভক্তি লোপ পেলে তাকে “তৎপুরুষ” বলে

সমাসের শর্টকাট টেকনিক ঠোটস্থ করে নিন। এবার জেনে নেয়া যাক-

সমাস কাকে বলে এবং উদাহরন

সমাস হলো দুটি বা ততোধিক শব্দের মিলনে একক নতুন শব্দের সৃষ্টি।

বাংলা ব্যাকরণে মোট ছয় প্রকার সমাস রয়েছে:

১) দ্বন্দ্ব সমাস: দুটি বা ততোধিক সমার্থক, বিপরীতার্থক, বা সম্বন্ধার্থক শব্দের মিলনে সমাস হয়।

  • উদাহরণ: রাম-লক্ষ্মণ, দিন-রাত, মা-বাবা, জল-স্থল, ভালো-মন্দ।

২) দ্বিগু সমাস: একই শব্দের পুনরাবৃত্তিতে সমাস হয়।

  • উদাহরণ: ত্রিপুর, ষড়দর্শন, ষাটতক, নীলনীল, ঝিরিঝিরি।

৩) কর্মধারয় সমাস: বিশেষ্যের সাথে বিশেষণ, বিশেষ্যভাবাপন্ন পদ, বা ক্রিয়াপদের সমাস হয়।

  • উদাহরণ: নীলকমল, মহাকবি, চাঁদনি রাত, খাওয়া-দাওয়া, হাঁটাহাঁটি।

৪) বহুব্রীহি সমাস: বিশেষ্যের সাথে বিশেষ্য, বিশেষ্যভাবাপন্ন পদ, বা ক্রিয়ার সমাস হয়। পূর্বপদের অর্থই প্রধান থাকে।

  • উদাহরণ: কালকুট, দেবতারাজ, নীলকণ্ঠ, হাতিদাঁত, ঘোড়াসওয়ার।

৫) অব্যয়ীভাব সমাস: অব্যয়ের সাথে বিশেষ্য, বিশেষ্যভাবাপন্ন পদ, বা ক্রিয়ার সমাস হয়।

  • উদাহরণ: দ্রুতগামী, সত্যবাদী, দুপুরবেলা, সাবধানে, ধীরে ধীরে।

৬) তৎপুরুষ সমাস: বিশেষ্যের সাথে বিশেষ্য, বিশেষ্যভাবাপন্ন পদ, ক্রিয়া, অব্যয়, বা পুরুষের সমাস হয়। পরপদের অর্থই প্রধান থাকে।

  • উদাহরণ: রাজা + পুরুষ = রাজপুরুষ (কর্মকারক), কাঠ + দিয়ে = কাঠ দিয়ে (রণকারক), ঢাকা + শহর = ঢাকার শহর (সম্বন্ধকারক)

বিগত সালে আসা গুরুত্বপূর্ন সমাস

১. ব্যাসবাক্যের অপর নাম: বিগ্রহ বাক্য

২. ‘প্রগতি’ কোন সমাসের উদাহরণ: প্রাদি সমাস

৩. ‘বহুব্রীহি’ শব্দের অর্থ: বহু ধান

৪. ‘কাজলকালো’ – এর সঠিক ব্যাসবাক্য: কাজলের ন্যায় কালো

৫. ‘জীবননাশের আশঙ্কায় যে বীমা = জীবনবীমা’ কোন কর্মধারয় সমাস: মধ্যপদলোপী

৬. ‘অলুক’ কথাটি কয়টি সমাসের সাথে যুক্ত: তিনটি

৭. ‘জলচর’ কোন তৎপুরুষ সমাস: উপপদ তৎপুরুষ

৮. ‘উপনদী’ সমস্তপদের ‘উপ’ কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে: ক্ষুদ্র

৯. ‘রূপক কর্মধারয়’ – এর সমস্তপদ কোনটি: বিষাদসিন্ধু

১০. ‘পঙ্কজ’ কোন তৎপুরুষ নিষ্পন্ন শব্দ: উপপদ তৎপুরুষ

১১. কোন সমাসবদ্ধ পদটি দ্বিগু সমাসের অন্তর্ভুক্ত: তেপান্তর

১২. সমাস কত প্রকার: ছয় প্রকার

১৩. ‘চিরসুখী’ – এর ব্যাসবাক্য: চিরকাল ব্যাপিয়া সুখী

১৪. কর্মধারয় সমাসে কোন পদ প্রধান: পরপদ

১৫. অর্থ প্রাধান্যের দিক থেকে কর্মধারয় – এর বিপরীত সমাস কোনটি: বহুব্রীহি

বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা সমাস

১৬. উপমান কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ: কাজলকালো

১৭. ‘নীল যে পদ্ম’ – এর সমাস: কর্মধারয় সমাস

১৮. ‘চাঁদমুখ’ – এর ব্যাসবাক্য: চাঁদের ন্যায় মুখ

১৯. দ্বিগু সমাস নিষ্পন্ন পদটি কোন পদ হয়: বিশেষ্য

২০. ‘আশীবিষ’ – কোন সমাস: ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি

২১. কোনটি উপমান কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ: অরুণরাঙা

২২. সমাসের রীতি বাংলায় এসেছে কোন ভাষা থেকে: সংস্কৃত

২৩. মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস কোনটি: পলান্ন

২৪. নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ কোনটি: দ্বীপ

২৫. কোনটিতে উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভিন্নতা কল্পনা করা হয়: রূপক কর্মধারয়

২৬. কোন উদাহরণটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের: গায়ে পড়া

২৭. ‘ফুলকুমারী’ সমস্তপদের সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি: ফুলের ন্যায় কুমারী

২৮. ‘কমলাক্ষ’ – এর সঠিক ব্যাসবাক্য হলো: কমলের ন্যায় অক্ষি যার

২৯. ‘নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম’ কোন সমাস: কর্মধারয় সমাস

৩০. ‘শ্রীকান্ত’ – এর সমাস: তৎপুরুষ সমাস (কর্মধারয়)

গুরুত্বপূর্ন সমাস

৩১. তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাসের ‘সমস্তপদ’ কোনটি: মনগড়া

৩২. রূপক কর্মধারয় সমাসের ব্যাসবাক্যে কোনটি থাকে: ন্যায়

৩৩. ‘হাট-বাজার’ কোন অর্থে দ্বন্ধ সমাস: সমার্থে

৩৪. সমাস সাধিত পদ কোনটি: দম্পতি

৩৫. ‘পঞ্চনদ’ সমস্তপদটির সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি: পঞ্চ নদীর সমাহার

৩৬. দ্বিগু সমাসকে অনেক ব্যাকরণবিদ কোন সমাসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন: কর্মধারয়

৩৭. ‘কপালকঙ্কণ’ – শব্দের ব্যাসবাক্য কোনটি: কপালের কঙ্কণ

৩৮. ‘চন্দ্রমুখ’ – শব্দের ব্যাসবাক্য কোনটি: মুখ চন্দ্রের ন্যায়

৩৯. ‘মন মাঝি’ – এর সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি: মনরূপ মাঝি

৪০. বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদ এবং পরপদ কোনোটিই যদি বিশেষণ না হয় তবে তাকে কী বলে: ব্যধিকরণ বহুব্রীহি

৪১. কোনটি খাঁটি বাংলা কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ: নরাধম

৪২. দিল্লীশ্বর কিসের উদাহরণ: তৎপুরুষ

৪৩. পরবর্তী ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎপ্রত্যয় যুক্ত হয়ে কোন সমাস গঠিত হয়: উপমিত কর্মধারয়

৪৪. সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমানবাচক পদের যে সমাস হয় তাকে কোন কর্মধারয় বলে: উপমান কর্মধারয়

৪৫. তৎপুরুষ সমাস কয় প্রকার: নয়

৪৬. কোনটি সমার্থক দ্বন্ধ সমাস: কাগজ-পত্র

৪৭. ‘বিশ্ববিখ্যাত’ সমস্তপদটি কোন সমাস নির্দেশ করে: সপ্তমী তৎপুরুষ

৪৮. কর্মধারয় সমাস নয় কোনটি: মধুমাখা

৪৯. পূর্বপদের প্রাধান্য থাকে কোন সমাসে: অব্যয়ীভাব সমাসে

৫০. যে সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে তাকে কী বলে: দ্বন্ধ সমাস

সমাস নোট

৫১. কোনটিতে পূর্বপদের অর্থ প্রাধান্য পায়: পঞ্চ নদীর সমাহার

৫২. ‘হংসডিম্ব’ – এর সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি: হংস ও ডিম্ব

৫৩. নিচের কোনটি উপমিত কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ: করপল্লব

৫৪. ‘ঈষৎ’ অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস কোনটি: আরক্তিম

৫৫. ‘অন্তরীপ’ কোন বহুব্রীহি সমাসের সমস্ত পদ: নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি

৫৬. ‘উদ্বেল’ কী অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস: অতিক্রম অর্থে

৫৭. ‘প্রতিদ্বন্ধী’ অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস কোনটি: প্রত্যুত্তর

৫৮. ‘বিদ্যাহীন’ শব্দটি কোন ধরনের সমাস হবে: তৃতীয়া তৎপুরুষ

৫৯. কোনটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ: অভাব

৬০. সত্য বলে যে = সত্যবাদী – এটি কোন সমাসের অন্তর্গত: উপপদ তৎপুরুষ

৬১. নিচের কোনটি ‘বিপরীতার্থক দ্বন্ধ’? জমা-খরচ

৬২. উপকরণবাচক বিশেষ্য পদ পূর্বপদে বসে কোন তৎপুরুষ সমাস হয়: কারণকার্য সমাস

৬৩. ‘বিশ্ববিখ্যাত’ কীভাবে বিশেষ্যে পরিণত হয়? উপপদ তৎপুরুষ সমাসের মাধ্যমে

৬৪. ‘হাট-বাজার’ কোন সমাস: দ্বন্ধ

৬৫. ‘কালক্রম’ – এর সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি: সময়ের ক্রম

৬৬. পরপদে রাজি, গ্রাম, বৃন্দ, যূথ প্রভৃতি কোন সমাসে আছে: ষষ্ঠী তৎপুরুষ

৬৭. ‘রাজপথ’ – এর ব্যাসবাক্য কোনটি: পথের রাজা

৬৮. ‘চিরকাল ব্যাপীয়া সুখী = চিরসুখী’ =- এটি কোন সমাসের উদাহরণ: মধ্যপদলোপী কর্মধারয়

৬৯. ‘বিরানব্বই’ কোন সমাসের উদাহরণ: নিত্য সমাস

৭১. ‘তুষারশুভ্র’ – এর সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি: তুষারের ন্যায় শুভ্র

৭২. তৎপুরুষ সমাসে কোন পদ প্রধান: পরপদ

৭৩. নিচের কোন সমস্ত পদটি দ্বিগু সমাস: তেমাথা

৭৪. দ্বন্ধ সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের সম্বন্ধ বুঝাতে ব্যাসবাক্যে কয়টি অব্যয়পদ ব্যবহৃত হয়: তিনটি

৭৫. কোনটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ নয়: তুষারশুভ্র

৭৬. খাঁটি বাংলা উপপদ তৎপুরুষ কোনটি: মাছিমারা

৭৭. ‘মাদক দ্বারা আসক্ত = মাদকাসক্ত’ – এটি কোন সমাস: তৎপুরুষ

৭৮. ‘পকেটমার’ – কি ধরনের সমাস: কর্মধারয়

৭৯. ‘বিষাদসিন্ধু’ সমস্তপদটির ব্যাসবাক্য কোনটি: বিষাদ রূপ সিন্ধু

৮০. উপমান কর্মধারয় সমাসের সমস্তপদ কোনটি: পান্নাসবুজ

আরো দেখুন: বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা ৫০টি বাগধারা

সমাস নির্নয় কর

৮১. প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাস কোনটি: একঘরে

৮২. ‘জায়া’ শব্দের স্থলে বহুব্রীহি সমাসে কোনটি ব্যবহৃত হয়: জানি

৮৩. অব্যয়ীভাব সমাসে কোন পদ প্রধান: পূর্বপদ

৮৪. ‘মহৎমন’ শব্দটি কোন সমাসের উদাহরণ: তৎপুরুষ (কর্মধারয়)

৮৫. ‘সন্ধ্যারাগ’ – এর সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি: সন্ধ্যার ন্যায় রাগ

৮৬. ‘মনগড়া’ কোন সমাস: তৎপুরুষ

৮৭. খাতা-পত্র কোন অর্থে দ্বন্ধ সমাস: সমার্থক

৮৮. নিচের কোনটি দ্বিগু সমাসের উদাহরণ: শতাব্দী

৮৯. ‘বালিকা বিদ্যালয়’ কোন সমাস: চতুর্থী তৎপুরুষ

৯০. সাধারণত চ্যুত, জাত, ভীত, গৃহীত অর্থে যে সমাস হয়তার নাম : পঞ্চমী তৎপুরুষ

সমাস pdf

৯১. “মহৎমন যার” – এর সঠিক সমাসবদ্ধ পদ কোনটি: মহৎমনা

৯২. ‘যথাযোগ্য’ – শব্দটি কী অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়েছে: অনিতক্রম্যতা

৯৩. ‘মুখচন্দ্র’ – এর ব্যাসবাক্য কোনটি: মুখ চন্দ্রের ন্যায়

৯৪. সমাস শব্দের অর্থ কী: সংক্ষেপ, মিলন ও একপদীকরণ

৯৫. কোনটি নিত্য সমাসের উদাহরণ: গ্রমান্তর

৯৬. যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কোন সমাস বলে: কর্মধারয় সমাস

৯৭. কোনটি নিত্য সমাসের সমস্তপদ: দেশান্তর

৯৮. ‘জনৈক’ এর সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি: জন যে এক

 সবশেষ

মাই ক্লসরুমের আজকের আয়োজনে ছিল যেকোন পরীক্ষায় আসার মতো গুরুত্বপূর্ন সমাস। সমাস নির্ণয় করার শর্টকাট টেকনিকসহ সমাসের এই নোটটি শেয়ার করুন। সমাস নির্ণয়ের কৌশল, সমাসের শ্রেণিবিভাগ, সমাসের প্রকারভেদ এবং সমাসের উদাহরন আশা করছি আপনার কাজে আসবে। নিজেকে আপডেট রাখতে চোখ রাখুন ফেসবুকে। প্রতিদিনের সাধারণ জ্ঞান পেতে ক্লিক করুন এখানে

সমাস নিয়ে FAQ’s

প্রশ্ন: মেরি ক্রিসমাস সমাস কিনা?

উত্তর: না, মেরি ক্রিসমাস সমাস নয়।

কারণ: এটি একটি বাংলা শব্দ নয়। এটি ইংরেজি ভাষার একটি বাক্য।

প্রশ্ন: বেতার কোন ধরণের সমাস?

উত্তর: বেতার অব্যয়ীভাব সমাস।

ব্যাখ্যা: “বে” অব্যয় + “তার” বিশেষ্য। “তার” শব্দের অর্থ “ধারণকারী”। “বেতার” = “শব্দ ধারণকারী”।

প্রশ্ন: সোনামুখী কোন ধরণের সমাস?

উত্তর: সোনামুখী কর্মধারয় সমাস।

ব্যাখ্যা: “সোনা” বিশেষ্য + “মুখী” বিশেষ্য। “সোনামুখী” = “যার মুখ সোনার মত”।

প্রশ্ন: ফুলকুমারী কোন ধরণের সমাস?

উত্তর: ফুলকুমারী কর্মধারয় সমাস।

ব্যাখ্যা: “ফুল” বিশেষ্য + “কুমারী” বিশেষ্য। “ফুলকুমারী” = “যে কুমারী ফুলের মত”।

প্রশ্ন: ইন্দ্রজিৎ কোন ধরণের সমাস?

উত্তর: ইন্দ্রজিৎ তৎপুরুষ সমাস (কর্মকারক)।

ব্যাখ্যা: “ইন্দ্র” বিশেষ্য + “জিৎ” ক্রিয়া। “ইন্দ্রজিৎ” = “যিনি ইন্দ্রকে জয় করেছেন”।

সমাস নিয়ে আপনার প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন: গোবর গণেশ কোন ধরণের সমাস?

উত্তর: গোবর গণেশ দ্বন্দ্ব সমাস (সম্বন্ধার্থক)।

ব্যাখ্যা: “গোবর” বিশেষ্য + “গণেশ” বিশেষ্য। “গোবর গণেশ” = “গণেশের গোবর”।

প্রশ্ন: দশানন কোন ধরণের সমাস?

উত্তর: দশানন কর্মধারয় সমাস।

ব্যাখ্যা: “দশ” বিশেষ্য + “অনন” বিশেষ্য। “দশানন” = “যার দশটি মুখ আছে”।

প্রশ্ন: জনশ্রুতি কোন ধরণের সমাস?

উত্তর: জনশ্রুতি বহুব্রীহি সমাস।

ব্যাখ্যা: “জন” বিশেষ্য + “শ্রুতি” বিশেষ্য। “জনশ্রুতি” = “জনগণের মধ্যে প্রচলিত ধারণা”।

প্রশ্ন: সিংহাসন কোন ধরণের সমাস?

উত্তর: সিংহাসন তৎপুরুষ সমাস (অধিকরণকারক)।

ব্যাখ্যা: “সিংহ” বিশেষ্য + “আসন” বিশেষ্য। “সিংহাসন” = “সিংহের আসন”।

প্রশ্ন: চন্দ্রমুখ কোন ধরণের সমাস?

উত্তর: চন্দ্রমুখ কর্মধারয় সমাস।

ব্যাখ্যা: “চন্দ্র” বিশেষ্য + “মুখ” বিশেষ্য। “চন্দ্রমুখ” = “যার মুখ চন্দ্রের মত”।

প্রশ্ন: রাজপথ কোন ধরণের সমাস?

উত্তর: রাজপথ তৎপুরুষ সমাস (ষষ্ঠীকারক)।

ব্যাখ্যা: “রাজা” বিশেষ্য + “পথ” বিশেষ্য। “রাজপথ” = “রাজার পথ”।

The post সমাস নির্ণয়ের শর্টকাট টেকনিক। গুরুত্বপূর্ন সমাস pdf appeared first on My Classroom.

]]>
https://myclassroombd.com/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8/feed/ 0 872
বাগধারা – বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা ৫০টি গুরুত্বপূর্ন বাগধারা https://myclassroombd.com/%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be/ https://myclassroombd.com/%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be/#respond Wed, 26 Jul 2023 14:03:20 +0000 https://myclassroombd.com/?p=449 বিগত সালে চাকরি পরীক্ষায় আসা গুরুত্বপূর্ন বাগধারা PDF তালিকা নিয়ে আজ আলোচনা করবো। যেকোন চাকরি কিংবা ভর্তি পরীক্ষা প্রস্তুতি (যেমন- বিসিএস প্রিলিমিনারী প্রস্তুতি, শিক্ষক নিবন্ধন, প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ, সরকারি ও বেসরকারি) বাগধারা MCQ গুলো দেখে নিন ১-প্রশ্নঃ অন্ধকার দেখা—ক. দুর্লোভ বস্তুখ. হতবুদ্ধিগ. দৃষ্টি শক্তিহীনঘ. স্বার্থে আঘাত লাগাউত্তরঃ খ ০২-প্রশ্নঃ ‘উত্তম মধ্যম’ বলতে কি বুঝায়?ক. প্রহার …

The post বাগধারা – বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা ৫০টি গুরুত্বপূর্ন বাগধারা appeared first on My Classroom.

]]>
বিগত সালে চাকরি পরীক্ষায় আসা গুরুত্বপূর্ন বাগধারা PDF তালিকা নিয়ে আজ আলোচনা করবো। যেকোন চাকরি কিংবা ভর্তি পরীক্ষা প্রস্তুতি (যেমন- বিসিএস প্রিলিমিনারী প্রস্তুতি, শিক্ষক নিবন্ধন, প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ, সরকারি ও বেসরকারি) বাগধারা MCQ গুলো দেখে নিন

১-প্রশ্নঃ অন্ধকার দেখা—
ক. দুর্লোভ বস্তু
খ. হতবুদ্ধি
গ. দৃষ্টি শক্তিহীন
ঘ. স্বার্থে আঘাত লাগা
উত্তরঃ খ

০২-প্রশ্নঃ ‘উত্তম মধ্যম’ বলতে কি বুঝায়?
ক. প্রহার করা
খ. সম্মান করা
গ. আদর করা
ঘ. সমাদর করা
উত্তরঃ ক

০৩-প্রশ্নঃ ‘বিড়াল তপস্বী’ কথাটির অর্থ কি?
ক. দেখতে সাধু হলেও ভণ্ড
খ. অপদার্থ
গ. অজানা থাকা
ঘ. কাল্পনিক কাহিনী
উত্তরঃ ক

০৪-প্রশ্নঃ ‘আদিখ্যেতা’ বাগধারাটির অর্থ কি?
ক. ন্যাকামি
খ. অপদার্থ
গ. না জেনে কিছু করা
ঘ. মারা যাওয়া
উত্তরঃ ক

০৫-প্রশ্নঃ কোন বাগধারা দ্বারা ‘ভনিতা’ বোঝানো হয়?
ক. টইটম্বুর
খ. কুপমণ্ডুক
গ. গৌরচন্দ্রিকা
ঘ. গনেশ উল্টান
উত্তরঃ গ

০৬-প্রশ্নঃ ‘দস্ত-ব-দস্ত’ কথার অর্থ কি?
ক. বন্ধু বনাম বন্ধু
খ. হাতে-হাতে
গ. খেতে-খেতে
ঘ. আস্তে-আস্তে
উত্তরঃ খ

০৭-প্রশ্নঃ ‘পটল তোলা’ এই বাগধারাটির সঠিক অর্থ কোনটি?
ক. পটল গাছ হতে পটল তোলা
খ. পটল খাওয়া
গ. পরীক্ষায় ফেল করা
ঘ. মারা যাওয়া
উত্তরঃ ঘ

০৮-প্রশ্নঃ ‘ঢাকের কাঠি’ বাগধারার অর্থ-
ক. সাহায্যকারী
খ. তোষামুদে
গ. বাদক
ঘ. স্বাস্থ্যহীন লোক
উত্তরঃ খ

০৯-প্রশ্নঃ কোনটি ভিন্নার্থক?
ক. আকাশ পাতাল
খ. আদায় কাঁচকলায়
গ. অহিনকুল
ঘ. দা-কুমড়া
উত্তরঃ ক

১০-প্রশ্নঃ ‘কংস মামা’ বলতে বুঝায়–
ক. নির্মম
খ. সৎ মামা
গ. আপন মামা
ঘ. নির্দয় আত্মীয়
উত্তরঃ ঘ

গুরুত্বপূর্ন বাগধারা- সকল পরীক্ষার জন্য

১১-প্রশ্নঃ ‘নদের চাঁদ’ বাগধারার অর্থ কি?
ক. অতি আকাঙ্কিত বস্তু
খ. অহমিকাপূর্ণ নির্গুণ ব্যাক্তি
গ. অদৃষ্টের পরিহাস
ঘ. বিশেষ সম্মানিত ব্যাক্তি
উত্তরঃ খ

১২-প্রশ্নঃ ‘গোবর গণেশ’ দিয়ে কি বুঝানো হয়েছে?
ক. চাটুকার
খ. মূর্খ
গ. নির্বোধ
ঘ. অপদার্থ
উত্তরঃ খ

১৩-প্রশ্নঃ নিচের বাগধারাগুলো থেকে কোনটি বিশিষ্টার্থক বাক্যযুক্ত বলুন-

ক. বুড়ীর নাতিটা ছিল অন্ধের ষষ্ঠি, সেও মারা গেল (চাকরি পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ন বাগধারাসমূহ)
খ. বাঙ্গালীরা আলস বলে পরিচিত
গ. সমুদ্রে লোনাপানির ঢেউ উঠেছে
ঘ. চেষ্টা করেও কাজ করাতে না পারা
উত্তরঃ ক

১৪-প্রশ্নঃ ‘ভাবনা চিন্তাহীন’ কোন বাগধারাটির অর্থ প্রকাশ করে?
ক. সুখের পায়রা
খ. খোদার খাসি
গ. যক্ষের ধন
ঘ. বসন্তের কোকিল
উত্তরঃ খ

১৫-প্রশ্নঃ ‘সাপে নেউলে’ কথাটির অর্থ কি?
ক. শত্রুতা
খ. বন্ধুত্ব
গ. অতিশয় ভালো সম্পর্ক
ঘ. মহাবিপদ
ঙ. কোনটিই নয়
উত্তরঃ ক

১৬-প্রশ্নঃ ‘আমড়া কাঠের ঢেঁকি’ বলতে বুঝায়–
ক. অকালপক্ক
খ. অলস
গ. অপদার্থ
ঘ. চাটুকার
উত্তরঃ গ

১৭-প্রশ্নঃ সাহায্যের অভাবে স্কুলটি উঠে গেছে’-
বাক্যে ‘উঠে’ শব্দের অর্থ-
ক. ভেঙে পড়া
খ. বন্ধ হওয়া
গ. স্থানান্তরিক হওয়া
ঘ. উন্নতি করা
উত্তরঃ খ

১৮-প্রশ্নঃ ‘চোখের বালি’ অর্থ কি?
ক. চোখের অসুখ
খ. চোখের যত্ন
গ. শত্রু
ঘ. কৃতঘ্ন
উত্তরঃ গ

১৯-প্রশ্নঃ ‘সুসময়ের বন্ধু’ কোন বাগধারা দিয়ে প্রকাশ
করা হয়?
ক. সুখের পায়রা
খ. দহরম মহরম
গ. লেফাফা দুরস্থ
ঘ. কংস মামা
ঙ. দুধের পায়রা
উত্তরঃ ক

২০-প্রশ্নঃ ‘অকালপক্ক’ এর বাগধারার অর্থ কোনটি?
ক. ইচঁড়ে পাকা
খ. গোড়ায় পাকা
গ. গাছে পাকা
ঘ. অসময়ে পাকা
উত্তরঃ ক

বাংলা ২য়পত্র থেকে বাগধারা

২১-প্রশ্নঃ ‘ছাই চাপা আগুন’ কোন অর্থ প্রকাশ করে?
ক. মন্দ ভাগ্য
খ. গোপন দোষ
গ. সাপে-নেউলে
ঘ. গোপন গুণ
উত্তরঃ ঘ

২২-প্রশ্নঃ কোন বাগধারাটি ভিন্নার্থক?
ক. অহিনকুল
খ. উত্তম-মধ্যম
গ. আদায় কাঁচকলায়
ঘ. সাপে-নেউলে
উত্তরঃ খ

২৩-প্রশ্নঃ ‘ইঁদুর কপালে’- এর বিপরীত বাগধারা কোনটি?
ক. অদৃষ্টের পরিহাস
খ. অন্ধকার
গ. একাদশে বৃহস্পতি
ঘ. কেউকেটা
উত্তরঃ গ

২৪-প্রশ্নঃ ‘একাদশে বৃহস্পতি’ এর অর্থ কি?
ক. আশার কথা
খ. সৌভাগ্যের বিষয়
গ. মজা পাওয়া
ঘ. আনন্দের বিষয়
উত্তরঃ খ

২৫-প্রশ্নঃ বাগধারার অর্থ নির্নয় করুনঃ ‘ধর্মের ষাঁড়’–
ক. অকর্মণ্য
খ. বেহায়া
গ. স্বার্থপর
ঘ. সুসময়ের বন্ধু
উত্তরঃ ক

২৬-প্রশ্নঃ কোন বাগধারা দু’টি সম্পূর্ণ ভিন্নার্থক?
ক. সাপে-নেউলে/দা-কুমড়া
খ. পটল তোলা/অক্কা পাওয়া
গ. ঢাকের কাঠি/ঢাকের বায়া
ঘ. অন্ধের যষ্টি/অন্ধের নড়ি
উত্তরঃ গ

২৭-প্রশ্নঃ “সে তোমার মাথা খেয়েছে।” এখানে মাথা খাওয়া বলতে কি বুঝিয়েছে?
ক. মস্তক কামড়ে খাওয়া
খ. সর্বনাশ করা
গ. পাগলামি করা
ঘ. মাথায় আঘাত করা
উত্তরঃ খ

২৮-প্রশ্নঃ ‘বক দেখানো’ বাগধারাটির অর্থ কী?
ক. কথায় পটু
খ. পড়ুয়া
গ. অশোভনভাবে বিদ্রুপ করা
ঘ. মতিচ্ছন্ন হওয়া
উত্তরঃ গ

২৯-প্রশ্নঃ ‘চাঁদের হাট’-অর্থ কি?
ক. বন্ধুদের সমাগম
খ. আত্মীয় সমগম
গ. প্রিয়জন সমাগম
ঘ. গণ্যমান্যদের সমাগম
উত্তরঃ গ

৩০-প্রশ্নঃ কান ভারী করা শব্দ দ্বয়ের অর্থ কি?
ক. নির্মম
খ. কুপরামর্শ দেয়া
গ. কানে ভার দেয়া
ঘ. কানে পানি দেয়া
উত্তরঃ খ

নবম দশম শ্রেণির বাংলা ২য়পত্র থেকে বাগধারা

৩১-প্রশ্নঃ কোন বাগধারাটি ‘সক্রিয় হওয়া’ অর্থ জ্ঞাপক?
ক. গোঁ ধরা
খ. ঔষধ ধরা
গ. লাইন ধরা
ঘ. ঠোঁট কাটা
উত্তরঃ খ

৩২-প্রশ্নঃ ‘লক্কা পায়রা’ বাগধারার সঠিক অর্থ কি?
ক. ফুলবাবু
খ. উল্টাফল
গ. কুচক্রী
ঘ. পলায়ন করা
উত্তরঃ ক

৩৩-প্রশ্নঃ ‘গায়ে ফুঁ দিয়ে বেড়ান’ বাগধারাটির অর্থ কি?
ক. আপন মনে বাদশাহী করা
খ. কোন দায়িত্ব গ্রহণ না করা
গ. বেকার মত চলা
ঘ. দাংগাবাজি করা
উত্তরঃ খ

৩৪ প্রশ্নঃ ‘ভূষণ্ডির কাক’ অর্থ কি?
ক. ষড়যন্ত্রকারী
খ. বাক সর্বস্ত
গ. দীর্ঘ প্রত্যক্ষমাণ
ঘ. দীর্ঘায়ু ব্যক্তি
উত্তরঃ ঘ

৩৫-প্রশ্নঃ ‘তালকানা’ এর অর্থ কি?
ক. বেহায়া
খ. বেতাল হওয়া
গ. শ্রমবিমুখ
ঘ. নিরেট মূর্খ
উত্তরঃ খ

৩৫-প্রশ্নঃ ‘অগস্ত্য যাত্রা’ বাগধারাটির অর্থ কী?
ক. শুরু করা
খ. তাড়াতাড়ি শেষ করা
গ. বিশ্রাম করা
ঘ. শেষ বিদায়
উত্তরঃ ঘ

৩৬-প্রশ্নঃ কোন বাগধারাটি স্বতন্ত্র অর্থ প্রকাশক?
ক. আদায় কাঁচকলায়
খ. সাপে-নেউলে
গ. সাতেও না পাঁচেও না
ঘ. দা-কুমড়া
উত্তরঃ গ

৩৭-প্রশ্নঃ ‘বড়র পীরিত বালির বাঁধ’  এ কথা দ্বারা নিচের কোনটি বুঝায়?

ক. ভঙ্গুর
খ. চাপের মুখে ভেঙ্গে যায়
গ. একতরফা
ঘ. কোন বাধ্যবাধকতা নেই
উত্তরঃ ক

৩৮-প্রশ্নঃ উলু খাগড়া বলতে কি বোঝায়?
ক. যাচ্ছে তাই
খ. অলক্ষণে
গ. অসম্ভব বস্তু
ঘ. নিরীহ প্রজা
উত্তরঃ ঘ

৩৯-প্রশ্নঃ ‘ফাঁকা আওয়াজে কাজ আদায়’— এর সাথে নিচের কোনটির মিল রয়েছে?

ক. কলকাঠি নাড়া
খ. কুপোকাত
গ. কালে ভদ্রে
ঘ. কথায় চিড়া ভিজা
উত্তরঃ ঘ

বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা বাগধারা

৪০-প্রশ্নঃ ‘যার অনেক বুদ্ধি আছে’ তাকে বাগধারা
দিয়ে প্রকাশ করলে কি দাঁড়ায়?
ক. বুদ্ধির ঢেঁকি
খ. ভূষণ্ডীর কাক
গ. বিড়াল তপস্বী
ঘ. গভীর জলের মাছ
উত্তরঃ ঘ

৪১-প্রশ্নঃ ‘হাত জোড়া থাকা’ বাগধারাটির অর্থ?
ক. চিন্তায় পড়া
খ. নিস্ক্রিয় হয়ে যাওয়া
গ. অলস থাকা
ঘ. কর্মব্যস্ত থাকা
উত্তরঃ ঘ

৪২-প্রশ্নঃ ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’- বলতে কোনটিকে বোঝানো হয়েছে?

ক. খনার বচন
খ. প্রবাদ বাক্য
গ. কবিতার চরণ
ঘ. বাগধারা
উত্তরঃ খ

৪৩-প্রশ্নঃ ‘ফেকলু পার্টি’ বাগধারাটির অর্থ কী?
ক. ক্ষমতাসীন পার্টি
খ. বিরোধী পার্টি
গ. কদরহীন লোক
ঘ. নিকৃষ্ট লোক
উত্তরঃ গ

৪৪-প্রশ্নঃ ‘আমড়া কাঠের ঢেঁকি’ এর অর্থ কি?
ক. আমড়া
খ. বাজে কাঠ
গ. অকেজো
ঘ. বাজে ঢেঁকি
উত্তরঃ গ

৪৫-প্রশ্নঃ ‘সাতকাহন’ বাগধারার অর্থ কি?
ক. অলিক কথা
খ. সুখের সম্ভার
গ. স্বল্প পরিমাণ
ঘ. প্রচুর পরিমাণ
উত্তরঃ ঘ

৪৬-প্রশ্নঃ বাগধারার অর্থ নির্নয় করুনঃ ‘একচোখা’–
ক. পক্ষপাতদুষ্ট
খ. প্রাচীনপন্থী
গ. ভণ্ড সাধু
ঘ. ধার্মিক
উত্তরঃ ক

৪৭-প্রশ্নঃ ‘উত্তম মধ্যম’ বলতে কি বুঝায়?
ক. সম্মান
খ. মাঝামাঝি
গ. মারা
ঘ. ওপর-নিচে
উত্তরঃ গ

৪৮-প্রশ্নঃ ‘কেঁচো গণ্ডূষ’ অর্থ কি?
ক. নতুন করে আরম্ভ করা
খ. নিরেট মূর্খ
গ. সীমাবদ্ধ জ্ঞান
ঘ. বিপদজ্জনক পরিণতি
উত্তরঃ ক

৪৯-প্রশ্নঃ আকাশ ভেঙ্গে পড়া—
ক. হঠাৎ বিপদ হওয়া
খ. আশ্চর্য্য হওয়া
গ. মন্দ ভাগ্য
ঘ. কঠিন পরীক্ষা
উত্তরঃ ক

৫০-প্রশ্নঃ ‘দুকান কাটা’ বাগধারাটির অর্থ কি?
ক. অসুস্থ ব্যাক্তি
খ. নিরীহ ব্যাক্তি
গ. দাগি আসামি
ঘ. বেহায়া
উত্তরঃ ঘ

সাম্প্রতিক সকল পরীক্ষা প্রস্তুতির জন্য মাই ক্লাসরুমে নিয়মিত আপডেট করা হয়। আপনি যদি প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ, বিসিএস, ব্যাংক কিংবা ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রস্তিুতি নেন তাহলে আপনার জন্য মাই ক্লাসরুম ওয়ান অফ দ্যা বেস্ট অপশন। আপনার যেকোন পরীক্ষা প্রস্তুতির জন্য মাই ক্লাসরুমের সাথে থাকতে ক্লিক করুন এখানে। মাই ক্লাসরুমের ভিডিও কন্টেন্ট দেখতে ক্লিক করুন এখানে

The post বাগধারা – বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা ৫০টি গুরুত্বপূর্ন বাগধারা appeared first on My Classroom.

]]>
https://myclassroombd.com/%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be/feed/ 0 449