[{"Value":"","Discard":false,"Expires":9999999999}]
The post দর্শনীয় স্থান রচনা। বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান রচনা ৫০০ শব্দ। appeared first on My Classroom.
]]>দর্শনীয় স্থান রচনাটি সহজ ও সাবলীল ভাষায় লেখা হয়েছে। যেন, একবার পড়লেই মুখস্থ হয়ে যায়। দর্শনীয় স্থান এর জায়গায় যদি আসে আদর্শ বিদ্যালয় তাহলেও রচনাটি লিখতে পারেন। Historical place essay is written for class- 3, 4, 5, 6 and 7.
ভূমিকা : পুরাকীর্তির নিদর্শন দেশের অতীতকালের ইতিহাস বহন করে। পুরাকীর্তি যে সাক্ষ্য তুলে ধরে, তার ওপর ভিত্তি করে সে দেশের সভ্যতার মান নির্ণীত হয়। এমনি এক পুরাকীর্তি এবং দর্শনীয় স্থান মহাস্থানগড় ।
বাংলাদেশে রয়েছে অনেক ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান। বাংলাদেশের ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে কুমিল্লার ময়নামতি, নারায়ণগঞ্জের সোনারগা, গাজীপুরের ভাওয়াল রাজবাড়ি, ঢাকার আহসান মঞ্জিল, দিনাজপুরের কান্তজী মন্দির, নওগাঁর পাহাড়পুর, বগুড়ার মহাস্থানগড়, নাটোরের দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি (উত্তরা গণভবন), রানি ভবানীর বাড়ি, গুটিয়ার জমিদারবাড়ি, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনারগাঁ মসজিদ ইত্যাদি। এই স্থাপত্য দর্শনীয় স্থানের বাইরে রয়েছে প্রাকৃতিক দর্শনীয় স্থান। বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দর্শনীয় স্থানের অভাব নেই।
কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকত, সেন্টমার্টিন প্রবাল দ্বীপ, রাঙামাটির কাপ্তাই লেগ, বান্দরবানের নীলগিরি, শ্রীমঙ্গল চা বাগান, দিনাজপুরের রামসাগর, নাটোরের চলনবিল, নেত্রকোনার বিরিসিরি ইত্যাদি।
বগুড়া জেলার ইতিহাস প্রসিদ্ধ করতোয়া নদীর তীরে এই ঐতিহ্যবাহী মহাস্থানগড় অবস্থিত। সমতল ভূমি থেকে এই গড় প্রায় ২০-২৫ হাত উঁচু হবে। মহাস্থানগড় পুরাকীর্তির একটি অন্যতম নিদর্শনস্থল। মহাস্থানগড়ের ইতিহাস ও ঐতিহ্য বেশ প্রাচীন ও সমৃদ্ধ। এখানে ঐতিহাসিক ও প্রাকৃতিক উভয় ধরনের দর্শনীয় স্থান রয়েছে।
ইতিহাস বিখ্যাত মহাস্থানগড় পরশুরামের আমলেই সমৃদ্ধি লাভ করে। মহাস্থানগড় ছিল করতোয়া নদীর তীরবর্তী একটি মনোরম স্থান। এখানে ইসলাম প্রচারের সময় শাহ সুলতান ইব্রাহিম বখলীর সঙ্গে রাজা পরশুরাম ও তাঁর ভগ্নি শীলাদেবীর ভীষণ যুদ্ধ হয়। যুদ্ধে রাজা পরশুরাম নিহত হন এবং তাঁর ভগ্নি শীলাদেবী মন্দিরের পিছন দরজা দিয়ে পালিয়ে গিয়ে করতোয়া নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এর ফলে এখানকার অগণিত লোক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। সুলতান সাহেবের মাজারের নিচেই তাঁর প্রধান খাদেমের কবর রয়েছে। এখানে আর একজন দরবেশের মাজার আছে, তাঁর নাম ছায়াতপুর। গড়ের একটু দক্ষিণে দরবেশ বোরহান উদ্দিনের মাজার।
মহাস্থানগড়ের উল্লেখযোগ্য আরও দর্শনীয় স্থান হচ্ছে- শীলাদেবীর ঘাট ও রাজা পরশুরামের সভাগৃহের ধ্বংসাবশেষ। শীলাদেবীর ঘাট হিন্দুদের তীর্থস্থান। এখানে প্রতিবছর মেলা বসে এবং গঙ্গাস্নান করা হয়। এখানে
একটি আশ্চর্যকূপ আছে। এ কূপের পানি দিয়ে নাকি মৃত ব্যক্তিকে বাঁচানো যেত। বস্তুতপক্ষে, শীলাদেবীর জন্যই আজ মহাস্থানগড় হিন্দুদের তীর্থস্থান।
মহাস্থানগড়ের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে রয়েছে বহুসংখ্যক প্রাচীন নিদর্শন। প্রায় তিন হাজার বছর আগে থেকে শুরু করে মুসলিম যুগের শেষ পর্যন্ত বহু নিদর্শন প্রত্নতাত্ত্বিকগণ খননকার্যের মাধ্যমে আবিষ্কার করেছেন।
ভ্রমণপিপাসুদের নিকট মহাস্থানগড়ের একটি অন্যরকম আবেদন রয়েছে। মহাস্থানগড়ে রয়েছে একটি জাদুঘর। এই জাদুঘর থেকে দর্শনার্থীরা জানতে পারে অতীতের অনেক ইতিহাস। জাদুঘরে রয়েছে মৌর্য, গুপ্ত, পাল ও সেন রাজাদের নানা নিদর্শন ও মূর্তি। জাদুঘরের এ নিদর্শনগুলো দর্শনার্থীদের আকর্ষণের মূল বিষয় ।
প্রাচীন ঐতিহাসিক নিদর্শন আমাদের সভ্যতার ইতিহাস বহন করে। সুদূর অতীতের স্মৃতি বুকে ধরে মহাস্থানগড়
ইতিহাসের পাতায় ঘুমিয়ে থাকলেও অনুসন্ধিৎসু মানুষ তাকে ভোলেনি। এসব পুরাকীর্তির যথাযথ তত্ত্বাবধান একান্তভাবে দরকার।
সবশেষে
অনেকেই দর্শনীয় স্থান রচনা pdf চেয়েছেন। দর্শনীয় স্থান রচনা class 8, আদর্শ গ্রাম রচনা ক্লাস ২, আদর্শ গ্রাম অনুচ্ছেদ রচনা, দর্শনীয় স্থান রচনা ৩য় শ্রেণি, দর্শনীয় স্থান রচনা ক্লাস 6, দর্শনীয় স্থান রচনা class 10 সহ সকল চাহিদার পূরন হবে এই পোস্ট।
যেভাবে খুঁজে পাবেন: দর্শনীয় স্থান রচনা class 7, একটি দর্শনীয় স্থান রচনা class 5, বাংলাদেশের ৬৪ জেলার দর্শনীয় স্থান, আমার দেখা একটি দর্শনীয় স্থান রচনা ৫০০ শব্দ, বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান অনুচ্ছেদ, বাংলাদেশের সেরা ১০ দর্শনীয় স্থান, বাংলাদেশের সেরা দর্শনীয় স্থান, দর্শনীয় স্থান ঢাকা।
The post দর্শনীয় স্থান রচনা। বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান রচনা ৫০০ শব্দ। appeared first on My Classroom.
]]>