[{"Value":"","Discard":false,"Expires":9999999999}]
The post সুন্দর পিচাইয়ের বেতন ৮ হাজার কোটি টাকা! শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক appeared first on My Classroom.
]]>ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী তিন বছরে এই প্যাকেজের মোট মূল্য দাঁড়াতে পারে প্রায় ৬৯২ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় ৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি। প্রযুক্তি খাতের ইতিহাসে এটি অন্যতম বড় পারিশ্রমিক প্যাকেজ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তবে সুন্দর পিচাইয়ের এই ৬৯২ মিলিয়ন ডলারের পুরোটা অর্থ হিসেবে তাঁর পকেটে যাবে না। এই আয়ের সিংহভাগই মূলত কোম্পানির ‘শেয়ারভিত্তিক পারফরম্যান্স ইনসেনটিভ’। অর্থাৎ আগামী তিন বছরে গুগল বা অ্যালফাবেটের ব্যবসা কতটা সফল হবে এবং শেয়ারবাজারে এর দাম কতটা বাড়বে, তার ওপরই নির্ভর করবে পিচাইয়ের প্রকৃত আয়।
প্রযুক্তি খাতের বড় কোম্পানিগুলো সাধারণত এই নীতি অনুসরণ করে। এতে সিইও বা শীর্ষ নির্বাহীরা কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি ও উদ্ভাবনের দিকে বেশি মনোযোগী হন। কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়লে যেমন বিনিয়োগকারীরা লাভবান হন, তেমনি লাভ হয় সিইওরও।
সুন্দর পিচাই ২০১৫ সালে গুগলের সিইও এবং ২০১৯ সালে অ্যালফাবেটের সিইও হিসেবে দায়িত্ব নেন। তাঁর নেতৃত্বে গুগল কেবল একটি সার্চ ইঞ্জিন থেকে ক্লাউড কম্পিউটিং, হার্ডওয়্যার এবং বর্তমানে এআইনির্ভর একটি বড় প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়েছে।
বর্তমানে গুগল তাদের সার্চ ইঞ্জিন, জিমেইল এবং অফিস সফটওয়্যারগুলোতে ব্যাপকভাবে এআই ফিচার যুক্ত করছে। এআই নিয়ে বৈশ্বিক এই প্রতিযোগিতায় গুগলকে এগিয়ে রাখতেই বোর্ড সুন্দর পিচাইয়ের ওপর এই বিশাল বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
শীর্ষ নির্বাহীদের এই বিশাল বেতন প্যাকেজ নিয়ে বরাবরই সমালোচনা ও বিতর্ক থাকে। সুন্দর পিচাইয়ের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। সমালোচকদের মতে, একজন নির্বাহীর পেছনে এত ব্যয় কি আসলেও যৌক্তিক? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই এই বিশাল অঙ্কের আয়কে ইলন মাস্কের টেসলার বিতর্কিত বেতন কাঠামোর সঙ্গে তুলনা করছেন।
তবে অ্যালফাবেটের পরিচালনা পর্ষদ বলছে, পিচাইয়ের এই পারিশ্রমিক সরাসরি কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের সঙ্গে যুক্ত, তাই এটি পুরোপুরি ন্যায্য। সমর্থকদের মতে, সুন্দর পিচাইয়ের মতো একজন অভিজ্ঞ নেতাকে ধরে রাখা গুগলের বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে আরও বেশি মূল্য তৈরি করবে।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, অ্যালফাবেটের এই সিদ্ধান্ত আসলে পুরো প্রযুক্তি খাতের জন্যই একটি বার্তা। এটি প্রমাণ করে যে প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের এই যুগে অভিজ্ঞ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের গুরুত্ব কতখানি। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে যখন বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিযোগিতা চলছে, তখন দক্ষ নেতৃত্বকে ধরে রাখতে কোম্পানিগুলো যেকোনো বড় বিনিয়োগ করতে প্রস্তুত। আর গুগলের এই পদক্ষেপ সুন্দর পিচাইয়ের নেতৃত্বের প্রতি প্রতিষ্ঠানের অবিচল আস্থারই প্রতিফলন।
গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেট তাদের সিইও সুন্দর পিচাইয়ের জন্য ৮ হাজার কোটি টাকার একটি পারিশ্রমিক প্যাকেজ অনুমোদন করেছে। আগামী তিন বছরের জন্য নির্ধারিত এই প্যাকেজের বেশিরভাগ অংশই শেয়ারভিত্তিক পারফরম্যান্স ইনসেনটিভ, যা কোম্পানির ভবিষ্যৎ সাফল্যের ওপর নির্ভরশীল। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতায় গুগলকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য পিচাইয়ের মতো অভিজ্ঞ নেতাকে ধরে রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে এই বিপুল অঙ্কের বেতন প্যাকেজটি প্রযুক্তি বিশ্বে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে এবং অনেকেই একে ইলন মাস্কের বেতনের সঙ্গে তুলনা করছেন।
প্রশ্ন ১: সুন্দর পিচাই ঠিক কত টাকা বেতন পাবেন?
উত্তর: আগামী তিন বছরে তিনি মোট ৬৯২ মিলিয়ন ডলার পাবেন, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার সমান।
প্রশ্ন ২: এই পুরো টাকা কি তিনি নগদে পাবেন?
উত্তর: না, এই টাকার অধিকাংশই শেয়ারভিত্তিক পারফরম্যান্স ইনসেনটিভ। অর্থাৎ কোম্পানি কতটা ভালো করবে তার ওপর নির্ভর করবে তার প্রকৃত আয়।
প্রশ্ন ৩: গুগল কেন সুন্দর পিচাইকে এত বেশি বেতন দিতে চাচ্ছে?
উত্তর: বর্তমানে এআই খাতে তীব্র প্রতিযোগিতা চলছে। এই প্রতিযোগিতায় গুগলকে এগিয়ে রাখতে এবং পিচাইয়ের মতো অভিজ্ঞ নেতৃত্ব ধরে রাখতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রশ্ন ৪: এই বেতন প্যাকেজটি নিয়ে কেন বিতর্ক হচ্ছে?
উত্তর: এত বিপুল অঙ্কের বেতন যৌক্তিক কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। একে ইলন মাস্কের বিতর্কিত বেতন কাঠামোর সঙ্গেও তুলনা করা হচ্ছে।
প্রশ্ন ৫: সুন্দর পিচাই কবে থেকে গুগলের সিইও হয়েছেন?
উত্তর: তিনি ২০১৫ সালে গুগলের সিইও এবং ২০১৯ সালে অ্যালফাবেটের সিইও হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
The post সুন্দর পিচাইয়ের বেতন ৮ হাজার কোটি টাকা! শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক appeared first on My Classroom.
]]>