[{"Value":"","Discard":false,"Expires":9999999999}]
The post সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য অতিগুরুত্বপূর্ন জরুরি নির্দেশনা appeared first on My Classroom.
]]>বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্প্রতি একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, যেখানে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রাত্যহিক সমাবেশে একটি নতুন শপথবাক্য পাঠ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেম, নৈতিকতা, এবং সেবার মানসিকতা গড়ে তোলা।
নতুন শপথবাক্যটি হলো:
“আমি শপথ করিতেছি যে, মানুষের সেবায় সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রাখিব। দেশের প্রতি অনুগত থাকিব। দেশের একতা ও সংহতি বজায় রাখিবার জন্য সর্বদা সচেষ্ট থাকিব। অন্যায় ও দুর্নীতি করিব না এবং অন্যায় ও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিব না। হে মহান আল্লাহ/মহান সৃষ্টিকর্তা আমাকে শক্তি দিন, আমি যেন বাংলাদেশের সেবা করিতে পারি এবং বাংলাদেশকে একটি আদর্শ, বৈষম্যহীন ও শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসাবে গড়িয়া তুলিতে পারি।”
এই নতুন শপথবাক্যটি পূর্বের শপথবাক্যের পরিবর্তে প্রবর্তিত হয়েছে, যেখানে “মুক্তিযুদ্ধ”, “শেখ মুজিবুর রহমান”, এবং “শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে না দেওয়ার” মতো শব্দগুচ্ছ অন্তর্ভুক্ত ছিল। নতুন শপথবাক্যে এই অংশগুলো বাদ দিয়ে “অন্যায় ও দুর্নীতি করিব না এবং অন্যায় ও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিব না” অংশটি যুক্ত করা হয়েছে।
নতুন শপথবাক্যটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিকতা, দেশপ্রেম, এবং সেবার মানসিকতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রবর্তিত হয়েছে। এটি শিক্ষার্থীদেরকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতন করতে এবং একটি বৈষম্যহীন ও শক্তিশালী রাষ্ট্র গঠনে উদ্বুদ্ধ করতে সহায়তা করবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশের সকল মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিনের সমাবেশে এই নতুন শপথবাক্য পাঠ করতে হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধানদের এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।
নতুন শপথবাক্যটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কিছু শিক্ষাবিদ এবং সমাজকর্মীরা এই পরিবর্তনকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন, কারণ এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিকতা ও দেশপ্রেম গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। অন্যদিকে, কিছু সমালোচক মনে করছেন, পূর্বের শপথবাক্যে থাকা মুক্তিযুদ্ধ এবং জাতির পিতার উল্লেখ বাদ দেওয়া উচিত হয়নি।
নতুন শপথবাক্যটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিকতা, দেশপ্রেম, এবং সেবার মানসিকতা গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। যদিও এটি নিয়ে কিছু বিতর্ক রয়েছে, তবে এর মূল উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের একটি সৎ, নৈতিক, এবং দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।
প্রশ্ন ১: নতুন শপথবাক্যটি কী?
উত্তর: নতুন শপথবাক্যটি হলো: “আমি শপথ করিতেছি যে, মানুষের সেবায় সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রাখিব…”
প্রশ্ন ২: এই শপথবাক্যটি কোথায় এবং কখন পাঠ করতে হবে?
উত্তর: দেশের সকল মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিনের সমাবেশে এই শপথবাক্য পাঠ করতে হবে।
প্রশ্ন ৩: পূর্বের শপথবাক্যের পরিবর্তে কেন নতুন শপথবাক্য প্রবর্তিত হয়েছে?
উত্তর: নতুন শপথবাক্যটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিকতা, দেশপ্রেম, এবং সেবার মানসিকতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রবর্তিত হয়েছে।
প্রশ্ন ৪: নতুন শপথবাক্যে কী কী পরিবর্তন এসেছে?
উত্তর: নতুন শপথবাক্যে “মুক্তিযুদ্ধ”, “শেখ মুজিবুর রহমান”, এবং “শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে না দেওয়ার” মতো শব্দগুচ্ছ বাদ দিয়ে “অন্যায় ও দুর্নীতি করিব না এবং অন্যায় ও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিব না” অংশটি যুক্ত করা হয়েছে।
প্রশ্ন ৫: এই শপথবাক্যটি শিক্ষার্থীদের উপর কী প্রভাব ফেলবে?
উত্তর: এই শপথবাক্যটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিকতা, দেশপ্রেম, এবং সেবার মানসিকতা গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।
The post সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য অতিগুরুত্বপূর্ন জরুরি নির্দেশনা appeared first on My Classroom.
]]>