[{"Value":"","Discard":false,"Expires":9999999999}]
The post BIMSTEC (বিম্সটেক)। উদ্দেশ্য ইতিহাস সদস্য দেশ। My Classroom appeared first on My Classroom.
]]>বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী দেশগুলোর অর্থনৈতিক এবং কারিগরি সহযোগিতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে একটি অর্থনৈতিক জোট গঠনের প্রথম ধারণাটি আসে ১৯৯৭ সালে। এর মূল উদ্যোক্তার ভূমিকা পালন করে থাইল্যান্ড। তারা এই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে একটি প্রস্তাবনা তৈরি করে এবং বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলংকার সঙ্গে যোগাযোগ করে। উক্ত দেশগুলো নীতিগতভাবে সম্মতি জানায় এবং জোটে যোগদানের আগ্রহ প্রকাশ করে।
পরবর্তীতে, ৬ জুন ১৯৯৭, ব্যাংককে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বাংলাদেশ, ভারত, থাইল্যান্ড এবং শ্রীলংকার পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ‘ব্যাংকক ঘোষণা’র মাধ্যমে BIMSTEC-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে। শুরুতে এর নাম ছিল BIST-EC (Bangladesh, India, Sri Lanka, Thailand Economic Co-operation)।
২২ ডিসেম্বর ১৯৯৭, মিয়ানমারের অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে সংস্থার নামের সঙ্গে ‘M’ যুক্ত হয়ে BIMSTEC নামকরণ করা হয়। এরপর ৩১ জুলাই ২০০৪, ভুটান ও নেপালের সংযুক্তির মাধ্যমে BIMSTEC এর সদস্য সংখ্যা সাতে উন্নীত হয়। একই সময়ে এর পূর্ণ রূপ নির্ধারণ করা হয়: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co-operation।
BIMSTEC শুরুতে ছয়টি অগ্রাধিকার খাত চিহ্নিত করেছিল। তবে, সময়ের সঙ্গে এর পরিধি বাড়তে থাকে। ২০০৫ সালে সাতটি নতুন খাত যুক্ত হয়ে মোট ক্ষেত্রের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৩টি। পরবর্তীতে ২০২২ সালে, পূর্বের ক্ষেত্রগুলো সমন্বয় করে মোট ৭টি প্রধান খাত নির্ধারণ করা হয়। এই খাতগুলো হলো:
BIMSTEC-এ চেয়ারম্যানশিপ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ঘুরে ফিরে পালিত হয়। বর্তমান চেয়ারম্যান হলেন থাইল্যান্ড।
৩০ মার্চ ২০২২, কলম্বোতে অনুষ্ঠিত পঞ্চম শীর্ষ সম্মেলনে BIMSTEC-এর সনদ স্বাক্ষরিত হয়। এতে সংস্থার কাঠামো ও কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১১টি অধ্যায় এবং ৩৬টি অনুচ্ছেদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ২০ মে ২০২৪, এই সনদ কার্যকর হয়।
৪ মার্চ ২০১৪, মিয়ানমারের নাইপিদোতে অনুষ্ঠিত BIMSTEC-এর তৃতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সংস্থার স্থায়ী সচিবালয় ঢাকায় স্থাপনের জন্য সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এরপর, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ঢাকায় BIMSTEC সচিবালয় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। এটি ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক সংস্থার সচিবালয়। সচিবালয়টি BIMSTEC-এর বিভিন্ন প্রশাসনিক ও কার্যক্রম পরিচালনার কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
BIMSTEC প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত পাঁচটি শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনগুলো সংস্থার নীতি নির্ধারণ এবং অগ্রাধিকার ক্ষেত্র চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
| সম্মেলন | তারিখ | স্থান |
|---|---|---|
| প্রথম | ৩১ জুলাই ২০০৪ | ব্যাংকক, থাইল্যান্ড |
| দ্বিতীয় | ১৩ নভেম্বর ২০০৮ | নয়াদিল্লি, ভারত |
| তৃতীয় | ৪ মার্চ ২০১৪ | নাইপিদো, মিয়ানমার |
| চতুর্থ | ৩০-৩১ আগস্ট ২০১৮ | কাঠমান্ডু, নেপাল |
| পঞ্চম | ৩০ মার্চ ২০২২ | কলম্বো, শ্রীলংকা |
BIMSTEC সহযোগিতার বিভিন্ন খাত কার্যকর করার জন্য সদস্য দেশগুলোতে বিশেষায়িত কেন্দ্র স্থাপন করেছে। এগুলো হলো:
BIMSTEC তার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি, কনভেনশন এবং সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:
BIMSTEC সম্পর্কিত তথ্য বিভিন্ন নিয়োগ ও একাডেমিক পরীক্ষায় প্রায়শই আসে।
১. BIMSTEC-এর সদর দপ্তর কোথায়?
উত্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।
২. BIMSTEC-এর বর্তমান মহাসচিবের নাম কী?
উত্তর: ইন্দ্র মণি পান্ডে (ভারত)।
৩. BIMSTEC কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর: ৬ জুন ১৯৯৭।
৪. BIMSTEC-এর শীর্ষ সম্মেলন কয়টি হয়েছে?
উত্তর: মোট পাঁচটি।
প্রশ্ন ১: BIMSTEC-এর পূর্ণরূপ কী?
উত্তর: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co-operation।
প্রশ্ন ২: BIMSTEC-এর বর্তমান চেয়ারম্যান কে?
উত্তর: BIMSTEC-এর বর্তমান চেয়ারম্যান থাইল্যান্ড।
প্রশ্ন ৩: BIMSTEC বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: BIMSTEC একটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোট, যা বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক এবং কারিগরি সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ করে।
প্রশ্ন ৪: BIMSTEC কে প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর: BIMSTEC-এর মূল উদ্যোক্তা ছিলেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা।
The post BIMSTEC (বিম্সটেক)। উদ্দেশ্য ইতিহাস সদস্য দেশ। My Classroom appeared first on My Classroom.
]]>