[{"Value":"","Discard":false,"Expires":9999999999}]
The post কি ধরনের বই পড়তে ভালো লাগে রচনা। সকল ক্লাসের জন্য। appeared first on My Classroom.
]]>কি ধরনের বই পড়তে ভালো লাগে রচনাটি সহজ ও সাবলীল ভাষায় লেখা হয়েছে। যেন, একবার পড়লেই মুখস্থ হয়ে যায়। কি ধরনের বই পড়তে ভালো লাগে এর জায়গায় যদি আসে আদর্শ বিদ্যালয় তাহলেও রচনাটি লিখতে পারেন। Historical place essay is written for class- 3, 4, 5, 6 and 7.
ভূমিকা : বইপড়ার মাধ্যমে আমরা সত্য, সুন্দর, কল্যাণ ও ন্যায়ের চিরায়ত রূপের সাথে পরিচিত হতে পারি। একদিনের বইপড়া আমাদের বিশ্বজগৎ ভ্রমণ করিয়ে আনতে পারে। চোখের সামনে তুলে ধরতে পারে মহাকাশের অজানা রহস্য। বই অতীত আর বর্তমানের সংযোগ সেতু এবং মনের ভেতর তৈরি করতে পারে অনেকগুলো আনন্দময় ভুবন। সেই আনন্দময় ভুবনে ডুব দিয়ে সংসারের নানা জটিলতা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। একটা ভালো বই বিশ্বস্ত বন্ধুর কাজ করে।
আমাকে যখন শহরের একটি স্কুলে ভর্তি করা হয়, তখন আমার বয়স পাঁচ বছর। আমার পড়াশোনার হাতেখড়ি হয়েছে বাড়িতে। মায়ের কাছ থেকে আমি প্রথমে বাংলা এবং পরে ইংরেজি বর্ণমালা শিখেছি। তারপর শিখেছি নামতা। স্কুলে ভর্তির আগেই আমার এসব শেখার পর্ব শেষ। দাদির কাছ থেকে শুনতাম মজার মজার গল্প। স্কুলে ভর্তির সময় থেকে আমার সঙ্গী হয় পাঠ্যবই।
বাংলা বইয়ের ছোট ছোট ছড়া আর কবিতা পড়ে আমার খুবই ভালো লাগতো। তৃতীয় শ্রেণিতে ওঠার পর থেকেই পেলাম ছোট ছোট গল্প। তখন থেকেই পড়ার প্রতি আমার অভ্যাস গড়ে উঠতে শুরু করলো। চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ার সময় স্কুল থেকে উপহার পেয়েছিলাম ‘ঠাকুরমার ঝুলি’। গল্পগুলো পড়ে খুবই আনন্দ পেতাম । কখনো কখনো দাদির মুখে শুনতাম। শুনে আরো বেশি আনন্দ হতো।
পঞ্চম শ্রেণিতে ওঠার পর পড়েছি ঈশপের গল্প, গোপাল ভাঁড়ের গল্প, মোল্লা নাসিরউদ্দীনের গল্প আর মুক্তিযুদ্ধের গল্প। ষষ্ঠ শ্রেণিতে ওঠার পর প্রথমেই পড়েছি বীরবলের গল্প। তারপর ‘মোটরযোগে রাঁচি সফর’ ও নানা ধরনের গোয়েন্দা গল্প পড়েছি। এ সময় থেকেই মজার মজার গল্পের বই আমার নিত্যসঙ্গী হয়ে ওঠে ।
ভ্রমণকাহিনি পড়তে আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে। কারণ তাতে অজানাকে জানার আনন্দ পাওয়া যায়। বইয়ের ভেতর দিয়ে পৃথিবী ঘুরে আসা যায়। সমৃদ্ধ হয় নিজের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার জগৎ। পঞ্চম শ্রেণিতে দেখে এলাম নায়গ্রা’ নামক ভ্রমণকাহিনি আর ষষ্ঠ শ্রেণিতে ‘রাঁচি ভ্রমণ’ পড়ে আমার এ ধারণা হয়েছে। ঘরে বসেই জানতে পেরেছি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কানাডার ‘নায়াগ্রা জলপ্রপাত ও ভারতের ঝাড়খণ্ডের রাঁচি অঞ্চলের মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশ সম্পর্কে। ফলে ভ্রমণবিষয়ক বই পড়ার প্রতি আমার কৌতূহল বেড়ে যায়।
ভ্রমণকাহিনিগুলোর মধ্যে আমার সবচেয়ে প্রিয় মুহম্মদ আবদুল হাই রচিত ‘বিলাতে সাড়ে সাতশ’ দিন’। এ বইটি যখন পড়ি, তখন আমার মনের পর্দায় ভেসে ওঠে ইংল্যান্ডের বিচিত্র ছবি। বইটিতে লেখক লন্ডনের মিউজিয়ামগুলোর যে বর্ণনা দিয়েছেন, তা খুবই জীবন্ত হয়ে উঠেছে। লন্ডনে মিউজিয়াম আছে অনেকগুলো। তবে সবচেয়ে বড় ও বিখ্যাত মিউজিয়াম হচ্ছে ব্রিটিশ মিউজিয়াম, মাদাম তুসো মিউজিয়াম, ন্যাচারাল হিস্টরি মিউজিয়াম ও সায়েন্স মিউজিয়াম। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় ব্রিটিশ মিউজিয়াম।
এখানে রয়েছে মানবসভ্যতার চার হাজার বছর আগের ধারাবাহিক নিদর্শন। মাদাম তুসোতে আছে বিশ্ববিখ্যাত ব্যক্তিদের মোমের মূর্তি। দেখে মনে হয়, একেবারে জীবন্ত। ইংল্যান্ডে বিচিত্র ফুলের উপহার নিয়ে আসে বসন্ত ঋতু। চারদিকে ফুল আর ফুল যেন চোখে নেশা ধরিয়ে দেয়। লাইলাক, টিউলিপ, মেজ সেম, চেস্ট নাট, ডেইজি, ক্রোকার্স ইত্যাদি। যেদিকে তাকানো যায় শুধু ফুল আর ফুল। ফুলগুলো যেন চারদিক আলোকিত করে রাখে।
লেখক এই প্রকৃতির আশ্চর্য সুন্দর রূপটিকে ‘সুন্দরের আগুন’ বলেছেন। এসব আমাকে খুবই আকর্ষণ করে। বইটি পড়তে পড়তে আমি যেন নিজের অজান্তেই বিলাতের বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে আসি। অজানাকে জানার আনন্দই আমাকে পড়ার মধ্যে বেঁধে রাখে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সময় উপহার পাওয়া বই দিয়েই আমার সংগ্রহ শুরু হয়েছিল। এখন অনেক বই আছে আমার সংগ্রহে। রূপকথা, উপকথা, গোয়েন্দা, মুক্তিযুদ্ধ, ছড়া, কবিতা, ইতিহাস, সাধারণ জ্ঞান, সায়েন্স ফিকশন,
ভ্রমণকাহিনি ইত্যাদি। ভ্রমণকাহিনির মধ্যে আছে ‘দেশে বিদেশে’, ‘পথে প্রবাসে’, ‘জাপান যাত্রীর পত্র’, ‘বিলাতে সাড়ে সাতশ দিন’, ‘মোটরযোগে রাঁচি সফর’ ইত্যাদি। রূপকথা, মুক্তিযুদ্ধ আর ভ্রমণকাহিনি পড়তে আমার বেশি ভালো লাগে ।
বই পড়ার প্রথম লক্ষ্য হচ্ছে আনন্দ পাওয়া। আনন্দের ভেতর দিয়ে বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে ধারণা অর্জন
করা। সেটা আমার হয়েছে। ভ্রমণকাহিনি পড়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সম্পর্কে, সে দেশের প্রাকৃতিক পরিবেশ, ইতিহাস, সংস্কৃতি, প্রাচীন ঐতিহ্য, মানুষের জীবনযাপন পদ্ধতি ইত্যাদি সম্পর্কে জেনেছি। তার সাথে তুলনা করতে পারছি আমাদের জীবন ও দেশকে। এসব আমার জীবন গঠনে সহায়ক হবে। ওই আমাকে ভবিষ্যতে উন্নত জীবনের পথপ্রদর্শক করছে। বই পড়ে আমি আমার অজানা জগৎকে জানতে পারছি।
প্রমথ চৌধুরীর মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে লব্ধ শিক্ষা পূর্ণাঙ্গ নয় বলে ব্যাপকভাবে বইপড়া দরকার। বই আমাকে
সৎ পথ, সুন্দর জীবনের পথ দেখায়। বই হলো বিশ্বস্ত বন্ধুর মতো। বই সবসময় প্রেরণা জোগায়, নির্মল আনন্দ দেয়। এ জন্য আমি বই পড়ি এবং সকলেরই বইপড়া উচিত ।
আরো কিছু গুরুত্বপূর্ন রচনা
সবশেষে
অনেকেই কি ধরনের বই পড়তে ভালো লাগে রচনা pdf চেয়েছেন। কি ধরনের বই পড়তে ভালো লাগে রচনা class 8, আদর্শ গ্রাম রচনা ক্লাস ২, আদর্শ গ্রাম অনুচ্ছেদ রচনা, কি ধরনের বই পড়তে ভালো লাগে রচনা ৩য় শ্রেণি, কি ধরনের বই পড়তে ভালো লাগে রচনা ক্লাস 6, কি ধরনের বই পড়তে ভালো লাগে রচনা class 10 সহ সকল চাহিদার পূরন হবে এই পোস্ট।
যেভাবে খুঁজে পাবেন: কি ধরনের বই পড়তে ভালো লাগে রচনা class 7, কি ধরনের বই পড়তে ভালো লাগে রচনা class 5, ১০০ শব্দ থেকে ৫০০ শব্দের মধ্যে কি ধরনের বই পড়তে ভালো লাগে রচনা।
The post কি ধরনের বই পড়তে ভালো লাগে রচনা। সকল ক্লাসের জন্য। appeared first on My Classroom.
]]>The post কাজী নজরুল ইসলাম রচনা। Kazi Nazrul Islam essay all class appeared first on My Classroom.
]]>কাজী নজরুল ইসলাম রচনাটি সহজ ও সাবলীল ভাষায় লেখা হয়েছে। যেন, একবার পড়লেই মুখস্থ হয়ে যায়। কাজী নজরুল ইসলাম এর জায়গায় যদি আসে আদর্শ বিদ্যালয় তাহলেও রচনাটি লিখতে পারেন। Historical place essay is written for class- 3, 4, 5, 6 and 7.
ভূমিকা : আমার প্রিয় কবি কে? কেউ যদি এ প্রশ্ন করেন, নির্দ্বিধায় বলবো- কাজী নজরুল ইসলাম। আমি নজরুল সাহিত্যের অনুরাগী পাঠক। নজরুলের অগ্নিঝরা বাণী, তাঁর অনিরুদ্ধ যৌবনশক্তির গীতিময় প্রকাশ, তাঁর বন্ধন অসহিষ্ণু চিত্তের আগ্নেয় দোর্দণ্ডতা আমাকে অভিভূত করে।
কাজী নজরুল ইসলাম পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে ১৮৯৯ সালে ২৪মে (১৩০৬ বঙ্গাব্দ ১১
জ্যৈষ্ঠ) জন্মগ্রহণ করেন । কাজী নজরুল ইসলামের পিতার নাম কাজী ফকির আহমদ এবং মাতার নাম জায়েদা খাতুন। দুখু মিয়া নামে কাজী নজরুল ইসলামকে ছোটবেলায় ডাকা হতো ।
কাজী নজরুল ইসলামের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা পরিধি অতি সংক্ষিপ্ত। ছোটবেলায় তিনি মক্তবে যাওয়া-আসা
করতেন। তাঁর প্রাইমারি শিক্ষা সম্পন্ন হয় মক্তব থেকে। তিনি ময়মনসিংহের ত্রিশালের দরিরামপুর হাইস্কুলে কিছুদিন পড়াশোনা করেন। পরবর্তীকালে তিনি বর্ধমানের সিয়ারসোল রাজ হাইস্কুলে পড়াশোনা করেছেন। দশম শ্রেণির ছাত্রাবস্থায় তিনি ৪৯ নম্বর বেঙ্গলি রেজিমেন্ট সৈনিকে যোগদান করেন। এখানেই নজরুল ইসলামের প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার ইতি ঘটে।
কাজী নজরুল ইসলামের কর্মজীবন শুরু হয়েছিল অনেক ছোট বয়স থেকেই। নজরুল বারো বছর বয়সে লেটোর
গানের দলে যোগ দেন। এরপর তিনি মাসিক এক টাকা বেতনে রুটির দোকানে কাজ করেন। ১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ আরম্ভ হলে নজরুল সেনাদলে যোগ দিলেন। স্কুলের পড়া ছেড়ে বেঙ্গল রেজিমেন্টের সাথে করাচিতে চলে যান। যুদ্ধ শেষ হলে (১৯১৮) নজরুল হাবিলদার হয়ে ফিরে এলেন। এ সময়ে বিপ্লবী বীর বারীন ঘোষের সাথে ঘনিষ্ঠতার সূত্রে তিনি বাঁধা পড়লেন। মেতে উঠলেন স্বদেশী হাঙ্গামায়। জেলে গেলেন, বেদুইন নজরুল অগ্নিমন্ত্রে দীক্ষা নিলেন, ‘ভাঙার গান’ লেখার প্রেরণা পেলেন। নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’ ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। তিনি ‘নবযুগ’, ‘লাঙল’ ও ‘ধূমকেতু’ পত্রিকা সম্পাদনার কাজ করেছেন।
সাহিত্যজগতে তখন চলছে রবীন্দ্রনাথের ‘বলাকা’র যুগ। রবীন্দ্রনাথ যখন বাঁধনহারা দুরন্ত যৌবনের
জয়সংগীত উচ্চারণ করছিলেন, তখনই চির অশান্ত নজরুলের কবি-প্রতিভার উন্মেষ। রবীন্দ্রনাথের ‘সবুজের অভিযান’-এ নজরুল যোগ না দিয়ে পারেননি। তিনি ঝড়ের মাতমে বিজয়কেতন উড়িয়ে অট্টহাস্যে আকাশখানি ফেঁড়ে ‘বিদ্রোহী’র ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন।
সাহিত্যকীর্তি
নজরুল ইসলাম একের পর এক লিখে চললেন উদ্দামতা ভরা কবিতা আর গান। এক এক করে বেরোল ‘অগ্নিবীণা’, ‘বিষের বাঁশী’, ‘প্রলয়শিখা’, ‘ভাঙার গান’, ‘ফণিমনসা’, ‘সর্বহারা’, ‘সাম্যবাদী’, ‘ছায়ানট’, ‘চক্রবাক’, ‘সিন্ধু- হিন্দোল’ প্রভৃতি কাব্যগ্রন্থ এবং ‘কুহেলিকা’, ‘মৃত্যুক্ষুধা’ উপন্যাস, ‘ব্যথার দান’, ‘রিক্তের বেদন’, ‘শিউলিমালা’ গল্পগ্রন্থ ও
‘রাজবন্দীর জবানবন্দী’, ‘দুর্দিনের যাত্রী’, ‘রুদ্রমঙ্গল’ ইত্যাদি প্রবন্ধগ্রন্থ। সর্বপ্রকার অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে তাঁর আপোসহীন সংগ্রাম। আর শান্তি সম্বন্ধে উচ্চকণ্ঠে বলা হলো—
“যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না,
অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না-
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত,
আমি সেই দিন হব শান্ত।”
কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর অনবদ্য সৃষ্টিকর্মের জন্য নানা সংবর্ধনা, সম্মাননা ও পুরস্কার লাভ
করেছেন। ১৯২৯ সালে কলকাতা অ্যালবার্ট হলে নজরুল ইসলামকে জাতির পক্ষ থেকে সম্মাননা দেওয়া হয়। বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সম্মেলনে কাজী নজরুল ইসলামকে সভাপতির পদে বসিয়ে সম্মান দেখানো হয়। ১৯৪৫ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘জগত্তারিণী স্বর্ণপদক’ লাভ করেন। ১৯৬০ সালে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মভূষণ উপাধি দেয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৫ সালে তাঁকে ডি. লিট (Doctor of Literature) উপাধি প্রদান করা হয়। ১৯৭৬ সালে তিনি একুশে পদক লাভ করেন।
কাজী নজরুল ইসলাম মাত্র ৪৩ বছর বয়সে পক্ষাঘাত রোগে আক্রান্ত হন। এ রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি তার
বাকশক্তি হারান। বিভিন্ন দেশে চিকিৎসা করেও তাঁকে আর সুস্থ করে তোলা স হয়নি ।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রচেষ্টায় কাজী নজরুল ইসলামকে ১৯৭২ সালের ২৪মে কলকাতা থেকে ঢাকায় আনা হয়। তাঁকে ঢাকায় এনে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ও জাতীয় কবির মর্যাদা দান করা হয় ।
তিনি ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট (১৩৮৩ বঙ্গাব্দ ১২ ভাদ্র) ঢাকায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে তাঁকে পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় সমাধিস্থ করা হয়।
নজরুল ইসলাম আমাকে তাঁর অফুরন্ত প্রাণের জাদুভরা সান্নিধ্যে নিয়ে আসেন, সৈনিক ব্রত নিতে উৎসাহিত করেন । সৈনিক হতে চাই আমি। এ কারণে তিনি আমার একান্ত প্রিয় কবি।
সবশেষে
অনেকেই কাজী নজরুল ইসলাম রচনা pdf চেয়েছেন। কাজী নজরুল ইসলাম রচনা class 8, আদর্শ গ্রাম রচনা ক্লাস ২, আদর্শ গ্রাম অনুচ্ছেদ রচনা, কাজী নজরুল ইসলাম রচনা ৩য় শ্রেণি, কাজী নজরুল ইসলাম রচনা ক্লাস 6, কাজী নজরুল ইসলাম রচনা class 10 সহ সকল চাহিদার পূরন হবে এই পোস্ট। আমাদের ফেসবুক লিংক এখানে
যেভাবে খুঁজে পাবেন: কাজী নজরুল ইসলাম রচনা class 7, একটি কাজী নজরুল ইসলাম রচনা class 5, বাংলাদেশের ৬৪ জেলার কাজী নজরুল ইসলাম, আমার দেখা একটি কাজী নজরুল ইসলাম রচনা ৫০০ শব্দ, বাংলাদেশের কাজী নজরুল ইসলাম অনুচ্ছেদ, বাংলাদেশের সেরা ১০ কাজী নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশের সেরা কাজী নজরুল ইসলাম, কাজী নজরুল ইসলাম ঢাকা।
১. কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ২৪ মে ১৮৯৯ সালে।
২. তাঁর জন্মস্থান ছিল আসানসোল, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত।
৩. কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যু ২৯ আগস্ট ১৯৭৬ সালে।
৪. তিনি ঢাকায়, বাংলাদেশে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
৫. কাজী নজরুল ইসলামের কর্মজীবন শুরু হয় লেখক ও সুরকার হিসেবে।
৬. তাঁর পিতা ছিলেন কাজী ফকির আহমেদ।
৭. তাঁর মাতা ছিলেন জাহিদা খাতুন।
৮. কাজী নজরুলের ভাইবোনদের মধ্যে কাজী সাহেব জান, কাজী আলী হোসেন এবং বোন উম্মে কুলসুম ছিলেন।
৯. তাঁর পত্নী ছিলেন প্রমীলা দেবী।
১০. তাঁর সন্তানেরা হলেন কাজী সব্যসাচী, কৃষ্ণ মোহাম্মদ, কাজী অনিরুদ্ধ এবং অরিন্দম খালেদ।
১১. নজরুল প্রায় ৪ হাজারেরও বেশি গান রচনা করেন।
১২. ১৯৬০ সালে ভারত সরকার নজরুলকে ‘পদ্মভূষণ’ পুরস্কারে ভূষিত করে।
১৩. মাত্র ১০ বছর বয়সে কাজী নজরুল তাঁর পিতাকে হারান।
১৪. ১৯১৭ সালে, ১৮ বছর বয়সে, তিনি ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।
১৫. ১৯২০ সালে তিনি সামরিক বাহিনী ত্যাগ করেন এবং ‘বেঙ্গলি মুসলিম লিটারারি সোসাইটি’-তে যোগ দেন।
১৬. ১৯৩৯ সালে তিনি কলকাতা বেতারে কাজ শুরু করেন।
১৭. ১৯৭৬ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে দেশের নাগরিকত্ব প্রদান করে।
১৮. কলকাতা ও ঢাকার অনেক রাস্তা কাজী নজরুল ইসলামের নামে নামকরণ করা হয়েছে।
১৯. বাংলাদেশ সরকার তাঁকে একুশে পদক দিয়ে সম্মানিত করে।
২০. তাঁর স্মরণে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য শিক্ষাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
প্রশ্ন ১: কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম তারিখ ও স্থান কোথায়?
উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ২৪ মে ১৮৯৯ সালে, আসানসোল, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারতে।
প্রশ্ন ২: কাজী নজরুল ইসলামকে কোন উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামকে “বিদ্রোহী কবি” উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
প্রশ্ন ৩: নজরুলের পিতার নাম কী ছিল?
উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের পিতার নাম ছিল কাজী ফকির আহমেদ।
প্রশ্ন ৪: কাজী নজরুল ইসলামের প্রধান সাহিত্যধারা কী?
উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যধারা মূলত বিদ্রোহ, সাম্যবাদ, মানবতা, প্রেম ও শোষণ-বিরোধী ভাবধারার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
প্রশ্ন ৫: নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কোন কবিতাটি তাঁকে “বিদ্রোহী কবি” হিসেবে পরিচিতি দেয়?
উত্তর: তাঁর বিখ্যাত কবিতা “বিদ্রোহী” তাঁকে “বিদ্রোহী কবি” হিসেবে পরিচিতি দেয়।
প্রশ্ন ৬: কাজী নজরুল ইসলাম কখন এবং কোথায় মারা যান?
উত্তর: কাজী নজরুল ইসলাম ২৯ আগস্ট ১৯৭৬ সালে ঢাকায়, বাংলাদেশে মারা যান।
প্রশ্ন ৭: কাজী নজরুল ইসলাম কোন ধরনের সঙ্গীত রচনা করেছেন?
উত্তর: কাজী নজরুল ইসলাম ইসলামী গান, প্রেমের গান, দেশাত্মবোধক গান, শ্যামা সংগীত এবং অন্যান্য ধাঁচের গান রচনা করেছেন। তাঁর রচিত গানের শৈলীকে “নজরুলগীতি” বলা হয়।
প্রশ্ন ৮: নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কী?
উত্তর: তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম “অগ্নিবীণা”।
প্রশ্ন ৯: কাজী নজরুল ইসলাম কোন সামরিক বাহিনীতে যোগদান করেছিলেন?
উত্তর: ১৯১৭ সালে নজরুল ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন।
প্রশ্ন ১০: কাজী নজরুল ইসলামকে কোন পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছিল?
উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামকে ভারত সরকার ১৯৬০ সালে পদ্মভূষণ পুরস্কারে ভূষিত করে, এবং বাংলাদেশ সরকার তাঁকে একুশে পদক প্রদান করে।
The post কাজী নজরুল ইসলাম রচনা। Kazi Nazrul Islam essay all class appeared first on My Classroom.
]]>The post আমাদের গ্রাম রচনা। আদর্শ গ্রাম রচনা। appeared first on My Classroom.
]]>আমাদের গ্রাম রচনাটি সহজ ও সাবলীল ভাষায় লেখা হয়েছে। যেন, একবার পড়লেই মুখস্থ হয়ে যায়। আমাদের গ্রাম এর জায়গায় যদি আসে আদর্শ বিদ্যালয় তাহলেও রচনাটি লিখতে পারেন। My Village essay is written for class- 3, 4, 5, 6 and 7.
ভূমিকা :
‘আমাদের গ্রাম খানি ছবির মতন
মাটির তলায় এর ছড়ানো রতন
সত্যিই কবির বর্ণনার মতো আমার গ্রামখানিও পটে আঁকা ছবির মতো। ছায়াসুনিবিড় শান্তির নীড় আমার এ গ্রাম স্বর্গতুল্য। স্বর্গসদৃশ এ গ্রামের মুক্ত প্রকৃতি আর আলো-হাওয়ায় আমার বেড়ে ওঠা। তাই এ গ্রামের প্রতিটি ধূলিকণা থেকে সবকিছুই আমার কাছে মধুর ও প্রিয় ।
নাম ও অবস্থান : আমার গ্রামের নাম রূপপুর। জেলা শহর থেকে বেশ দূরেই গ্রামটির অবস্থান। এর দক্ষিণ ও পূর্ব পাশ দিয়ে বয়ে গেছে নদী। ত্রিমোহনা নদীর পাশে অবস্থিত এ গ্রামের পশ্চিম পাশে রয়েছে মহাসড়ক ও উত্তরে দিগন্তজোড়া ফসলের মাঠ। যত দূর দৃষ্টি যায় মনে হয় সবুজের গালিচা বিছানো। পরিসরে গ্রামটি তেমন বড় নয়। সব মিলিয়ে দৈর্ঘ্যে তিন মাইল প্রস্থে দেড় মাইল। নদী, ফসল, মাঠ, বাগান প্রভৃতি মিলিয়ে গ্রামটি যেন সাজানো চিত্রপটের মতো। যেখানে সবার মধ্যে রয়েছে এক অপূর্ব মেলবন্ধন ।
কবির ভাষায়-
মায়া মমতায় জড়াজড়ি করি
মোর গেহখানি রহিয়াছে ভরি।
লোকসংখ্যা : আমাদের গ্রামে প্রায় চার হাজার লোকের বসবাস। সকল ধর্মের মানুষ একসঙ্গে মিলেমিশে বসবাস করে আমাদের গ্রামে ৷ সবার মধ্যে ভ্রাতৃত্ববন্ধন অনেক সুদৃঢ় ।
পোশাক-পরিচ্ছদ : গ্রামের সবাই রুচিসম্মত পোশাক পরিধান করে। পুরুষেরা সাধারণত লুঙ্গি, পাজামা, পাঞ্জাবি, শার্ট, প্যান্ট এবং মেয়েরা সালোয়ার-কামিজ, শাড়ি পরে ।
পেশা : আমাদের গ্রামে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের বসবাস। কেউ ডাক্তার, কেউ প্রকৌশলী, কেউ জেলে, কেউ তাঁতি, কেউ শিক্ষক, কেউবা ব্যবসায়ী। গ্রামে শিক্ষার হার প্রায় ৮০%। সরকারি, বেসরকারি নানা প্রতিষ্ঠানে অনেকেই কর্মরত। কেউবা আবার রয়েছে প্রবাসে/এক কথায় বিচিত্র পেশাজীবী মানুষের বাস রয়েছে এখানে ।
ঘরবাড়ি : গ্রামের বেশির ভাগ মানুষ অবস্থাপন্ন হওয়ায় আধা পাকা টিনের ঘর বেশি। তবে বেশ কিছু পাকা বাড়িও রয়েছে। আর নদীপ্রধান অঞ্চল হওয়ায় বেশির ভাগ বাড়ি বেশ মজবুত করেই তৈরি। আবার কোনো কোনো বাড়ি কাঠের তৈরি দোতলা ঘর ও শান বাঁধানো পুকুরঘাট রেখে প্রাচীন ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছে।
উৎপন্ন দ্রব্য: ধান, পাট, গম, কালাইসহ বিভিন্ন মসলাজাতীয় পণ্য উৎপন্ন হয় রূপপুর গ্রামে। বিস্তৃত ফসলের মাঠ থাকায় অনেকেই গাভী পালন করে দুধ বিক্রি করে। পুকুর ও নদী থাকায় হাঁস-মুরগি পালন করে অনেকে। বিভিন্ন রকম ফল যেমন- আম, জাম, কাঁঠাল, কলা, আনারস, নারিকেল, কমলা, বেদানা, সুপারি, হরীতকী, আমলকী ইত্যাদিও উৎপন্ন হয়। গ্রামের মানুষের বেশির ভাগ চাহিদা এখান থেকেই পূরণ করা যায়।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান : আমাদের গ্রামে দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, একটি মাদ্রাসা ও মহাবিদ্যালয়ও রয়েছে। গ্রামের ছেলেমেয়েরা প্রাথমিক শিক্ষা নিজ গ্রামেই পায়। এরপর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হয় নিজ গ্রামেই। এ ছাড়া বয়স্ক ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য নৈশ বিদ্যালয়ও রয়েছে, যেখানে রাতে শিক্ষা দেওয়া হয় ।
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আমাদের গ্রামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি রয়েছে বেশ কিছু অন্যান্য প্রতিষ্ঠান। যেমন পোস্ট অফিস, দাতব্য চিকিৎসালয়, কৃষি অফিস, গণগ্রন্থাগার, পশু চিকিৎসালয় প্রভৃতি। এ ছাড়া রয়েছে বেশ কিছু এনজিও প্রতিষ্ঠান। এসব সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গ্রামের মানুষকে নিরন্তর সেবা নিয়ে যাচ্ছে।
হাট-বাজার ও দোকানপাট আমাদের গ্রামে একটি বড় হাট আছে, যেখানে সপ্তাহে দুদিন রবি ও বৃহস্পতিবার হাট বসে। এদিন আমাদের গ্রাম ছাড়াও দূরদূরান্ত থেকে নানা ক্রেতা-বিক্রেতার আগমন ঘটে। এ ছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল- সন্ধ্যায় যে বাজার বসে, সেখানেই পাওয়া যায়।
যোগাযোগব্যবস্থা : আমাদের গ্রামের পাশে নদী ও বড় রাস্তা থাকায় নদীপথ ও সড়কপথে যোগাযোগব্যবস্থা খুবই ভালো। গ্রামের রাস্তাঘাট পাকা হওয়ায় পার্শ্ববর্তী তিনটি জেলায় যোগাযোগব্যবস্থা খুবই সুগম। তাই মুমূর্ষু রোগী নিয়েও কাউকে হয়রানি হতে হয় না ।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য : প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে রূপপুর গ্রামটি অতুলনীয়। ছায়াঘেরা, পাখিডাকা এ গ্রামের মানুষের ঘুম ভাঙে যেন পাখির কলকাকলিতে। দিগন্তজোড়া সবুজের হাতছানি পথিককেও যেন মায়ায় জড়িয়ে ফেলে। ষড়তুর বাংলাদেশের প্রতিটি ঋতুই এ গ্রামের মানুষের কাছে উপভোগ্য হয়ে ওঠে। গাছে গাছে ফুল, ফল, উপরে নীল আকাশে কখনো জমাট বাঁধা কালো মেঘ কখনো বা সাদা মেঘের ভেলার লুকোচুরি। নিচে সবুজের সমারোহ। সারিবদ্ধ তাল, তমাল, নারকেল, সুপারি বাগান, স্নিগ্ধ বাতাস । অতিথি পাখির আনাগোনা গ্রামখানিকে যেন সাজিয়েছে স্বর্গীয় উপকরণে, যেখানে স্বর্গীয় ধারার মতো কেবল সৌন্দর্যই উপভোগ করা যায়।
কবির ভাষায়-
‘সকালে সোনার রবি পূর্ব দিকে ওঠে
পাখি ডাকে, বায়ু বয়, নানা ফুল ফোটে।’
সামাজিক অবস্থা : সামাজিক অবস্থানে গ্রামটি বেশ উন্নত ও পরিশীলিত। গ্রামের অধিকাংশ লোক অবস্থাপন্ন ও সচেতন হওয়ায় এখানে খুন-খারাবি বা চুরি-ডাকাতি যেমন হয় না, তেমনি গ্রামবাসীও বেশ কুসংস্কারমুক্ত।
উপসংহার : সুজলা, সুফলা, শস্য-শ্যামলা বাংলা ভূমির এক কোণে আমার ছোট্ট রূপপুর গ্রামটি অবস্থিত। গ্রামের শান্ত প্রকৃতির মতো প্রতিটি মানুষই পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্কে আবদ্ধ।
কবির ভাষায় তাই শেষ করতে হয়-
‘আমাদের ছোট গায়ে ছোট ছোট ঘর,
থাকি সেথা সবে মিলে নাহি কেহ পর।
পাড়ার সকল ছেলে মোরা ভাই ভাই,
এক সাথে খেলি আর পাঠশালে যাই।’
সত্যিই আমাদের গ্রাম একটি আদর্শ গ্রাম। সবাই একসাথে মিলেমিশে বসবাস করে। এ গ্রামে জন্মে আমি ধন্য।
আরও পড়ুন:
সবশেষে
অনেকেই আমাদের গ্রাম রচনা pdf চেয়েছেন। আমাদের গ্রাম রচনা class 8, আদর্শ গ্রাম রচনা ক্লাস ২, আদর্শ গ্রাম অনুচ্ছেদ রচনা, আমাদের গ্রাম রচনা ৩য় শ্রেণি, আমাদের গ্রাম রচনা ক্লাস 6, আমাদের গ্রাম রচনা class 10 সহ সকল চাহিদার পূরন হবে এই পোস্ট।
The post আমাদের গ্রাম রচনা। আদর্শ গ্রাম রচনা। appeared first on My Classroom.
]]>The post সত্যবাদিতা অথবা সততা রচনা। appeared first on My Classroom.
]]>সততা রচনাটি সহজ ও সাবলীল ভাষায় লেখা হয়েছে। যেন, একবার পড়লেই মুখস্থ হয়ে যায়। সততা এর জায়গায় যদি আসে আদর্শ বিদ্যালয় তাহলেও রচনাটি লিখতে পারেন। My Favorite Sports essay is written for class- 3, 4, 5, 6 and 7.
ভূমিকা : সত্যবাদিতা মানুষের আচরণগত একটি মূল্যবোধ। এটি মানুষের একটি মহৎ গুণ ও আদর্শ। যেসব চারিত্রিক গুণ মানুষকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে এবং তাকে মহৎ করে, সেসব গুণের মধ্যে সততা অন্যতম শ্রেষ্ঠ গুণ। পৃথিবীর যাবতীয় কল্যাণ, জীবনের সর্বময় পবিত্রতা ও শান্তির উৎস হলো সততা। মিথ্যা ও অসত্যকে বিতাড়িত করে সততা চিরদিন মাথা উঁচু করে থাকে বলে এর মূল্য ও মর্যাদা যুগে যুগে স্বীকৃত হয়ে আসছে।
সত্যবাদিতা কী : সত্যবাদিতা একটি মহৎ গুণ। সত্য কথা বলার গুণকে সত্যবাদিতা বলে। একজন সত্যবাদী মানুষ কখনো মিথ্যা বলেন না। চরম বিপদেও তিনি সত্যকে আঁকড়ে থাকেন। সত্যবাদিতা মানবচরিত্রের অলংকার স্বরূপ। সত্য কথা বলতে পারলে অন্যান্য গুণ মানুষের মধ্যে এমনিই চলে আসে। সত্যবাদিতার গুণেই মানুষ সমাজে ও রাষ্ট্রে আদর্শ মানুষ হিসেবে বিবেচিত হয়। সত্যকে অবলম্বন করে যে বৈশিষ্ট্য বিকশিত হয়, তা-ই সততা। সত্যের মধ্য দিয়ে মানুষ এই মহৎ গুণ লাভ করে ।
দৈনন্দিন জীবন ও সততা : সততা- এই মহৎ গুণটি বাস্তব জীবন থেকে উঠে যেতে বসেছে। সততা পরিহার করে মানুষ সত্যপথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে। নানাভাবে নানাশ্রেণি এ পথ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। মনে রাখতে হবে, ইতিহাসে যারা স্মরণীয় হয়ে আছেন, তাদের সবাই ছিলেন সত্যবাদী। বর্তমান যুগ জীবন-জটিলতার যুগ। জীবনযুদ্ধের জটিলতা যত বৃদ্ধি পাচ্ছে, মানুষ ততই তার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য প্রাণপণ লড়ছে। অস্তিত্ব যখন মারাত্মক হুমকির সম্মুখীন হয়, তখন অধিকাংশ মানুষ যেকোনো প্রকারে হোক টিকে থাকতে চায়। ফলে তারা সত্যকে জলাঞ্জলি দিতে বাধ্য হয়। এভাবে অবস্থার চাপে পড়ে আধুনিক যুগের বিশেষ করে স্বল্পোন্নত বা অনুন্নত
দেশের অনেক মানুষই অসততার আশ্রয় নেয় বা নিচ্ছে। তারা অপরকে ঠকানো, চুরি, ডাকাতি, রাহাজানি, ঘুষ গ্রহণ, খুন-জখম ইত্যাদি কাজে লিপ্ত থেকে অসৎ হচ্ছে।
আরেক দল আছে, যারা শুধু অর্থ চায়- অর্থই তাদের জীবনের মূলমন্ত্র। অর্থ ছাড়া এরা কিছু বোঝে না। এই শ্রেণি ভিন্ন শ্রেণিকে নানাভাবে শোষণ করে নিজেদেরকে অসৎ প্রমাণিত করছে। এদের কোনো অভাব নেই, কিন্তু সম্পদ বাড়ানোর প্রতিযোগিতায় এরা একেকজন তীব্র প্রতিযোগী। এসব প্রতিযোগী কখনো হারতে চায় না, জিততে চায়। আর জয়ী হতে গিয়েই পদস্খলন হয়, অসততার আশ্রয় নেয়। এ শ্রেণি সম্পদ হরণ করে, মজুরি কর্তন বা কম দিয়ে পরের অধিকার বঞ্চিত করে কিংবা ভয় দেখিয়ে বড় লোক হওয়ার পথটি প্রসারিত করে।
সমাজে তৃতীয় যে দলটির অবস্থান, তারা ধনী হোক আর গরিব হোক অসমতা প্রদর্শন তাদের নেশা ও পেশা দুটিই। বিপদে থাকুক আর নিরাপদে থাকুক, অসততার আশ্রয় না নিলে তাদের ভালোই লাগে না। অসততার ভেতর তারা সুখ পায়, লোক ঠকিয়ে আনন্দ পায়। এরা অফিস-আদালতে বিনা কারণে ফাইল আটকিয়ে ঘুষ নিয়ে মজা পায় ।
আজকের সমাজে সততা নেই বললেই চলে। রাজনীতি, সমাজনীতি, অর্থনীতি, ধর্মনীতি- সব ক্ষেত্রেই অসততা ঢুকে গেছে। সৎ থাকাই একটা অপরাধ হিসেবে সমাজের মানুষগুলো বিবেচনা করে। সৎ থাকলে তাকে নানা বিপদের সম্মুখীন হতে হয়। একের পর এক আরোপিত বিপদ তাকে প্রায় পর্যুদস্ত করে ফেলে। নানামুখী অসততার চাপে তার মানসিক স্থিরতা হারানোর উপক্রম হয় ।
সত্যবাদিতা বা সততার পরিণাম বা গুরুত্ব/প্রয়োজনীয়তা : সত্যবাদী লোক সমাজে সম্মান ও মর্যাদার অধিকারী হন। বিভিন্ন ধর্মেও সত্যবাদিতাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সমাজজীবনেও সত্যবাদিতার পরিণাম সবসময় মঙ্গলজনক হয়ে থাকে। একজন মিথ্যাবাদীও সত্যবাদীকে পছন্দ করে। কারণ সত্যের জয় সুনিশ্চিত। সততার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা সত্যবাদিতা মানুষের চরিত্রকে সুন্দর ও মহৎ করে তোলে। বর্তমান পৃথিবীতে সততার বড় বেশি প্রয়োজন। সততার অভাবে সমাজে শান্তি- শৃঙ্খলা নেই বললেই চলে। আইন-আদালত, শিক্ষা-দীক্ষা, চাকরি, অর্থনীতি, সমাজনীতি, রাজনীতি সব ক্ষেত্রেই বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে । সততার ভান করে মানুষ নিজের স্বার্থ উদ্ধার করে নেয়। আপাতদৃষ্টিতে মিথ্যা বা অসততার জয় প্রতীয়মান হলেও তা স্থায়ী নয়।
বরং সততার প্রকাশ একসময় অনির্বাণ হয়ে ওঠে এবং পরিণামে সত্যের বিজয় ঘোষিত হয়। সত্যবাদীরা আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান হয় এবং এতে তার মনের শক্তিও বেড়ে যায়। মিথ্যা, প্রবঞ্চনা, ছলনা ও প্রতারণা মানুষের অন্তরকে কলুষিত করে। তার জীবনে বাহ্যিক সুখ থাকলেও অন্তরে তৃপ্তি থাকে না। অসৎ ব্যক্তি বিবেকের দংশনে বিড়ম্বিত থাকে । অসৎ লোকের মনে নানা পাপ ও সংকীর্ণবোধ বাসা বাঁধে। সত্যের অভাবে সমাজে আজ অপরাধপ্রবণতা বেড়ে গেছে। সব ক্ষেত্রেই সৎ লোকের প্রয়োজন। একজন সৎ ব্যক্তি তার পরিবার, সমাজ ও দেশের মধ্যে বিশেষ সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত হন। সৎ লোককে সবাই সম্মান করে, বিপদের সময় সাহায্য করে। সততার চর্চাই পারে সমাজে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে। সমাজে সততা বিরাজ করলে পারস্পরিক সৌহার্দ, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠিত হয়।
তখন মানুষ এ কথার সত্যতা ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পারে :
‘কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক/ কে বলে তা বহুদূর?
মানুষের মাঝে স্বর্গ-নরক / মানুষেতেই সুরাসুর।
আরও পড়ুন:
উপসংহার : সুন্দর ও পুণ্যবান জীবনের জন্য সততার অনুশীলন আবশ্যক। জীবনে সততাকে সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করতে হবে। শিশুকাল থেকেই সততার আদর্শকে সমুজ্জ্বল করে রাখতে হবে। পারিবারিকভাবে এ গুণের শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন । শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও এর গুরুত্ব দিতে হবে। সর্বোপরি আমাদের সবাইকে সত্যবাদিতার চর্চা করতে হবে। একজন সত্যবাদী মানুষ পৃথিবীর অমূল্য সম্পদ।
অনেকেই সততা রচনা pdf চেয়েছেন। সততা রচনা class 8, সততা রচনা ক্লাস ২, সততা অনুচ্ছেদ রচনা, সততা রচনা ৩য় শ্রেণি, সততা রচনা ক্লাস 6, সততা রচনা class 10 সহ সকল চাহিদার পূরন হবে এই পোস্ট।
The post সত্যবাদিতা অথবা সততা রচনা। appeared first on My Classroom.
]]>The post আমার প্রিয় খেলা ক্রিকেট। ৩য়,৪র্থ,৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম শ্রেণি।pdf Download appeared first on My Classroom.
]]>আমার প্রিয় খেলা রচনাটি সহজ ও সাবলীল ভাষায় লেখা হয়েছে। যেন, একবার পড়লেই মুখস্থ হয়ে যায়। আমার প্রিয় খেলা এর জায়গায় যদি আসে আদর্শ বিদ্যালয় তাহলেও রচনাটি লিখতে পারেন। My Favorite Sports essay is written for class- 3, 4, 5, 6 and 7.
ভূমিকা : বর্তমান সময়ে ক্রিকেট খেলা অত্যন্ত জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। ক্রিকেট খেলার পুরোটা সময়ে থাকে টানটান উত্তেজনা । শামীম কবিরের অধিনায়কত্বে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের শুভযাত্রা শুরু হয়। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেটের বৃহৎ মণ্ডের প্রবেশদ্বার আইসিসির সদস্যপদ লাভ করে। ক্রিকেট আমার প্রিয় খেলা। ক্রিকেট বিশ্বে বাংলাদেশ আজ অন্যতম অভিজাত টপ টেন ।
ক্রিকেটের জন্ম : ক্রিকেটের প্রচলন ও প্রসার ঘটে ইংল্যান্ডে। হ্যাম্পশায়ারের অন্তর্গত হ্যাম্পবলটন ছিল ক্রিকেট খেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান । সেখানেই গড়ে ওঠে ইংল্যান্ডের প্রথম ক্রিকেট দল। এরপর সমগ্র ব্রিটেনে ক্রিকেট খেলা ছড়িয়ে পড়ে। কালক্রমে ভারত, অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, জিম্বাবুয়ে, কানাডা, নিউজিল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজসহ প্রভৃতি দেশে ইংল্যান্ডের ক্রিকেট খেলা অবিশ্বাস্য জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
প্রকারভেদ : ক্রিকেটে বর্তমানে তিনটি ধরন বা শ্রেণিবিভাগ লক্ষ করা যাচ্ছে। এগুলো হলো- (১) টেস্ট ক্রিকেট বা পাঁচ দিনের ক্রিকেট (২) ওয়ানডে ক্রিকেট বা একদিনের ক্রিকেট (৩) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট বা কয়েক ঘণ্টায় খেলা। বর্তমানে টি-টোয়েন্টি পদ্ধতি অর্থাৎ বিশ ওভারের খেলা ক্রিকেটের ধারণাটাই পাল্টে দিয়েছে। এটি ক্রিকেটের সর্বাধুনিক ও জনপ্রিয় সংস্করণ।
উপকরণ : এ খেলার জন্য ব্যাট, বল, স্টাম্প, প্যাড, গার্ড প্রভৃতি মূল্যবান উপকরণের প্রয়োজন হয়। এর জন্য একটি সমতল গোলাকার মাঠ প্রয়োজন। ক্রিকেট খেলার জন্য দুটি দল থাকে। প্রতিটি দলে এগারোজন করে খেলোয়াড় থাকে। এ ছাড়া অতিরিক্ত কিছু খেলোয়াড় থাকে।
মাঠের আকৃতি : ক্রিকেট খেলার মাঠ সাধারণত ১৪০ গজ ব্যাসবিশিষ্ট বৃত্তাকার হয়। মাঠের মাঝে বিশেষ প্রক্রিয়ায় তৈরি করা ২২ গজ পিচ থাকে।
নিয়মকানুন : টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলা কিছু সাধারণ ও কিছু বিশেষ নিয়মে খেলতে হয়। টেস্ট-ক্রিকেট খেলা হয় পাঁচ দিন ধরে। প্রতিদিন সাধারণত গড়ে ছয় ঘণ্টা খেলা হয়। একপক্ষ যখন ব্যাটিং করে অন্যপক্ষ তখন ফিল্ডিং করে। খেলা শুরুর পূর্বে টসে নির্ধারিত হয় কোন দল ব্যাট বা ফিল্ডিং করবে। টসে জয়ী দল এটি নির্ধারণ করে। খেলার শুরুতে ‘ব্যাটিং’ করতে নির্বাচিত দলের দুজন খেলোয়াড় ব্যাট হাতে মাঠে নামেন এবং দুদিকে স্থাপিত ‘স্টাম্পের কাছে দুজন অবস্থান গ্রহণ করেন। এদের বলা হয় ‘ব্যাটসম্যান।’ প্রতিপক্ষের একজন খেলোয়াড় বল করেন, যাকে বলা হয় বোলার। বোলারের কাজ স্টাম্প থেকে বেল ফেলানো।
বেল পড়লেই ব্যাটসম্যান আউট হয়ে যাবেন। একজন বোলার একনাগাড়ে ৬টি বল অর্থাৎ এক ওভার বল করতে পারেন। বোলার বল নিক্ষেপ করলে ব্যাটসম্যান ব্যাট দিয়ে সজোরে আঘাত করে দূরে পাঠিয়ে দেন। বল যদি গড়িয়ে গড়িয়ে বাউন্ডারি বা সীমানা পার হয়, তাহলে হবে চার রান আর মাঠে না পড়ে যদি বাউন্ডারি বা সীমানা পার হয়ে যায়, তাহলে হবে ছয় রান। তা ছাড়া বল ঠুকে দিয়ে দৌড়েও রান করা যায়। এভাবে ব্যাটসম্যানরা রানের টার্গেট দেন এবং প্রতিপক্ষ এই টার্গেটে খেলেন । প্রথম দল যে টার্গেট দেয় তা পরবর্তী দল অর্থাৎ প্রতিপক্ষকে অতিক্রম করতে হয়। তবেই দলে জয় আসে আর না হলে আগের দল জয়ী হবে। সবশেষ বিজয়ী দলকে ট্রফি দেওয়া হয়।
আইসিসিতে বাংলাদেশ : ১৯৭৬ সালের ২৬ জুলাই বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসির সহযোগী সদস্য নির্বাচিত হয়। ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি টুর্নামেন্টে প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৭ সালের ২৪ মার্চ থেকে ১৩ এপ্রিল মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে ৬ষ্ঠ আইসিসি টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ ফাইনালে ওঠে এবং শেষ পর্যন্ত কেনিয়াকে ২ উইকেটে পরাজিত করে এক শ্বাসরুদ্ধকর খেলা উপহার দিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।
ক্রিকেট বাংলাদেশ : ক্রিকেটে বাংলাদেশের আগমন খুব বেশি দিন নয়। বাংলাদেশ ১৯৭৭ সালের ২৬ জুলাই প্রথম আইসিসির সহযোগী সদস্যপদ অর্জন করে। এরপর ১৯৯৯ সালে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন ট্রফিতে শক্তিশালী কেনিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে বাংলাদেশ। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ। ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে বাংলাদেশ শক্তিশালী পাকিস্তানকে হারিয়ে সারা বিশ্বে তার আগমনবার্তা ছড়িয়ে দেয়। এরপর ২০০০ সালের প্রত্যাশিত টেস্ট মর্যাদা পায় বাংলাদেশ।
বর্তমান চিত্র : বর্তমানে বাংলাদেশ বেশ ভালো ক্রিকেট খেলছে। ইতোমধ্যেই ২০১১ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশ-নেদারল্যান্ডস, ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডকে পরাজিত করেছে। টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের দীর্ঘ ১৩ বছরের ইতিহাসে দেশের পক্ষে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন উইকেটকিপার অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও ইংল্যান্ডকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে। ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি ওয়ার্ল্ড কাপের গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশ নেদারল্যান্ডসকে হারায়।
এশিয়া কাপ ২০১৬-তে বাংলাদেশ ইউনাইটেড আরব আমিরাত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সেমিফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। ২০১৭ সালের জুনে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশ অসাধারণ নৈপুণ্যের পরিচয় দেয়। এবারই বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ক্রিকেটের এত বড় আসরে সেমিফাইনাল খেলার গৌরব অর্জন করে। ২০১৯ সালের বিশ্বকাপে বাংলাদেশ শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আফগানিস্তানকে পরাজিত করে। ২০২১ সালে জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড T20 সিরিজ জয় লাভ করে বাংলাদেশ ।
ক্রিকেট খেলার আনন্দ : খেলা মানেই আনন্দ। ক্রিকেট আনন্দদায়ক খেলাগুলোর মধ্যে অন্যতম। ক্রিকেট খেলার সময় স্টেডিয়ামের গ্যালারি দর্শকে পরিপূর্ণ থাকে। ফলে প্রতিটি ওভার, প্রতিটি বলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খেলায় জিতলে সারা দেশে আনন্দের স্রোত বয়ে যায়। সুতরাং ক্রিকেট একটি আনন্দপূর্ণ ও মজার খেলা ।
উপকারিতা : খেলাধুলা মানুষের শারীরিক সুস্থতা ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ক্রিকেট খেলার সময় খেলোয়াড়দের অনেক ছুটোছুটি করতে হয় বলে এটি শরীরের জন্য উত্তম ব্যায়াম। নিয়মিত ক্রিকেট খেললে শরীরে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়। এ ছাড়া ক্রিকেট একটি শৃঙ্খলাপূর্ণ খেলা বিধায় এটি খেলোয়াড়দের চরিত্র গঠনে সাহায্য করে। এ খেলার মাধ্যমে দেশ, জাতি ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন সৃষ্টি হয় ।
অপকারিতা : প্রত্যেক খেলার উপকারিতার পাশাপাশি অপকারিতাও রয়েছে। অধিক খেলাধুলার কারণে শারীরিক নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়। ক্রিকেট অন্যান্য খেলার চেয়েও কম ঝুঁকিপূর্ণ নয়। কারণ, দ্রুতগতিসম্পন্ন বল যেকোনো সময় অসতর্কভাবে শরীরে লাগার ফলে মারাত্মক সমস্যার তৈরি করতে পারে। এ ছাড়া ক্রিকেট বেশ উত্তেজনাকর খেলা বিধায় দু-দলের মধ্যে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হতে পারে । ক্রিকেট খেলা সময়সাপেক্ষ হওয়ায় এটা মানুষের মূল্যবান সময় নষ্ট করে।
উপসংহার : বাংলাদেশে ক্রিকেট অতি জনপ্রিয় খেলা। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে অভিজ্ঞ দল হিসেবে গড়ে উঠছে। অচিরেই বাংলাদেশ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে নিজের স্থান সুসংহত করবে, সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদিন আইসিসি ট্রফির মতো বাংলাদেশ বিশ্বকাপও ঘরে তুলতে সক্ষম হবে ।
অনেকেই আমার প্রিয় খেলা রচনা pdf চেয়েছেন। আমার প্রিয় খেলা রচনা class 8, আমার প্রিয় খেলা রচনা ক্লাস ২, আমার প্রিয় খেলা অনুচ্ছেদ রচনা, আমার প্রিয় খেলা রচনা ৩য় শ্রেণি, আমার প্রিয় খেলা রচনা ক্লাস 6, আমার প্রিয় খেলা রচনা class 10 সহ সকল চাহিদার পূরন হবে এই পোস্ট।
The post আমার প্রিয় খেলা ক্রিকেট। ৩য়,৪র্থ,৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম শ্রেণি।pdf Download appeared first on My Classroom.
]]>